Showing posts with label k. Show all posts
Showing posts with label k. Show all posts

সরকারী সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে না পেরে ধর্নায় বসেছে গলসির গলিগ্রামের চাষীরা

No comments

Saturday, February 22, 2020


বর্ধমান ( প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ) :- প্রতিটি চাষী যাতে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে পারে সেই বিষয়টি সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।খবরের কাগজে,টেলিভিসনে বিজ্ঞাপন দিয়ে তার প্রচারও চালানো হয়েছিল।এতসব কিছুর পরেও সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির সূযোগ না মেলার অভিযোগ তুলেছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসি ১ ব্লকের গলিগ্রামের চাষীরা। সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রীর  ব্যবস্থা করেদেবার দাবিতে  শনিবার সকাল থেকে এলাকার রাইসমিলে গেটের সামনে ধর্নায় বসেছেন গলিগ্রামের কয়েক শো চাষী। আর চাষীরা ধর্নায় বসতেই বেকায়দায় পড়ে যাওয়া প্রশাসনের কর্তারা দ্রুত সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজার  চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন।যদিও চাষীদের সাফ জবাব মৌখিক আশ্বাসে আর চিড়ে ভিজবেনা। সরকারী সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে না পারা পর্যন্ত তারা ধর্না তুলবেন না  । 
ধর্নায় বসা গলিগ্রামের চাষী পুষ্পেন রায়, লবকুমার হুই, প্রসেনজিৎ ঘোষ প্রমুখরা বলেন , প্রতিটি চাষী যাতে সরকারী সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে পারে তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ প্রশাসনকে দিয়েছিলেন   মুখ্যমন্ত্রী।  কিন্তু তার পরেও  গলিগ্রামের অধিকাংশ  চাষী এলাকার তিনটি রাইসমিলের কোনটিতেও  সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করার সূযোগ  পাননি ।তাঁদের   বঞ্চিত করা হয়েছেন । ধান বিক্রীর জন্য সমবায় সমিতিতে নাম রেজিস্ট্রেশন করিয়ে  রেখেও  লাভ হয়নি । অপর চাষী রহিম মল্লিক,মইদুল চৌধুরী প্রমুখ বলেন,সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে না পেরে তারা গলসি ১ ব্লকের বিডিও এবং জেলা খাদ্য দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষন করেছিলেন । কিন্তু কোন তরফে  সুরাহার ব্যবস্থা করা হয়নি । প্রশাসনের কর্তারা নিশ্চুপ থেকে গেছেন । চাষীরা বলেন , এই পরিস্থিতিতে একান্ত নিরুপায় হয়েই তাঁরা ধর্নায় বসতে বাধ্য হয়েছেন।  সরকার কিংবা প্রশাসন তাঁদের ধান সরকারী সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রীর ব্যবস্থা করে নাদেওয়া পর্যন্ত তাঁরা ধর্না চালিয়ে যাবেন । 
গলসি ১ নম্বর ব্লকের  সমবায় পরিদর্শক অনির্বান হাজরা জানান, চাষিদের সমস্যার কথা তিনি জানতে পেরেছেন কয়েকদিন আগে। চাষিদের সুরাহা দিতে তিনি উচ্চ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। অনির্বান বাবু জানান, চাষিদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের  চেষ্টা তিনি  করবেন।



আগামী ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টির পূর্বাভাস গোটা রাজ্যে

No comments

Friday, December 27, 2019


In the next 24 hours, rain is forecast for the entire state .

দিনভর বৃষ্টিতে ভিজল দক্ষিণবঙ্গ সহ গোটা 
রাজ্যে । অঙ্কের হিসাবে তা ছিটেফোঁটা থেকে মিলিমিটারে না পৌঁছলেও কখনও টিপটিপ কখনও ঝিম ধরা বৃষ্টি হয়েছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আগামিকাল শুক্রবার দুই ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়বে কলকাতাতেও। তবে কোথাও ভারী বৃষ্টি হবে না। ছিটেফোঁটা বৃষ্টি চলবে। আগামী ২৪ ঘণ্টা এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে।

পশ্চিমি ঝঞ্ঝা এবং একটি উচ্চচাপ বলয়ের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার ছিল। আজ আবার সূর্যগ্রহণ ছিল। কলকাতা থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ বা সূর্যের খণ্ডগ্রাস দেখার সম্ভাবনা থাকলেও মেঘলা আবহাওয়ার তা স্পষ্ট ছিল না। বিকেল থেকে শহর কলকাতায় শুরু হয় ঝিরঝিরে বৃষ্টি। তার জেরে রাতের তাপমাত্রা নামবে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আলিপুরের আধিকারিকরা জানিয়েছন, যে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা এবং উচ্চচাপ বলয়ের জন্য উত্তুরে হাওয়া প্রবেশে বাধা পাচ্ছে।

In the next 24 hours, rain is forecast for the entire state .
এই পরিস্থিতি কেটে গিয়ে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করলেই আবার কড়া শীতের পরিস্থিতি তৈরি হবে। পারদ নামতে পারে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি। আগামী দু’-এক দিন সকালের দিকে কুয়াশা থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মহানগরের পাশাপাশি দিনের বিভিন্ন সময়ে হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনাতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝিরঝিরে বৃষ্টি হয়েছে। হাওয়া অফিসের রেকর্ড অনুযায়ী আসানসোলে ৯.৮, বাঁকুড়ায় ৫.৬, পানাগড়ে ২.০, পুরুলিয়ায় ২.০, শ্রীনিকেতনে ৩.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।


loading...
Don't Miss
© all rights reserved
By SDK IT SOLUTION