Showing posts with label Seharabazar. Show all posts
Showing posts with label Seharabazar. Show all posts

পূর্ব বর্ধমান জেলার ঘুষ্টিয়া গ্রামে চাল - আলু বিতরণ

No comments

Saturday, March 28, 2020



কৃষ্ণ সাহা ( রায়না) :- রকারী উদ্যোগের পর এবার চাল - আলু বিতরন করতে দেখা গেলো পূর্ব বর্ধমান জেলার ঘুষ্টিয়া গ্রামে।রায়না দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত ঘুষ্টিয়া তরুণ সংঘ ও পাঠাগারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নিলেন ক্লাবেরই সদস্যরা।এলাকার সমস্ত দুঃস্থ অসহায় ব্যক্তিদের হাতে বিনামূল্যে চাল ও আলু তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্লাবেরই সহ সেক্রেটারি সন্দীপ চ্যাটার্জী।মাথাপিছু তিন কেজি করে চাল ও দু কেজি করে আলু দেওয়ার মতো আয়োজন করেছেন তারা।সেই হিসেবে একশো থেকে দেড়শো জনকে এই পরিষেবা তারা দিচ্ছেন।প্রচারও করেছেন গ্রামে।এই চাল -আলু বিতরনের সমস্ত অর্থ দেওয়া হয়েছে ক্লাবের ফান্ডে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে প্রদান করা খেলার সাথী প্রকল্পের টাকা থেকে। 
 
COVID19 এর গ্রাস থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে সারা ভারত জুড়ে লকডাউন জারি রয়েছে। এমতাবস্থায় ঘুষ্টিয়া গ্রামের এই ক্লাবের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ সত্যিই মানবতার নজির গড়লো।ক্লাবের সমস্ত সদস্যদের সাধুবাদ জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।সেই মতো ভবিষ্যতেও সবরকম প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন ক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

দক্ষিণ দামোদর এলাকায় রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সকল সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক করা হলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে

No comments

Thursday, March 26, 2020



কৃষ্ণ সাহা ( দক্ষিণ দামোদর ):- পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্তর্গত দক্ষিণ দামোদর এলাকায় রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের  সকল সদস্য দের নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করে প্রশাসন।
 ইতিমধ্যেই COVID 19 এর কারণে লকডাউন জারি রয়েছে। যার ফলে রাইস মিল সহ অন্যান্য উৎপাদন কেন্দ্র গুলিও বন্ধ রয়েছে।ছুটি নিয়েছে শ্রমিকরা।
ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন।
যেহেতু ধান - চাল নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যের মধ্যে পরে তাই এই ব্যাপারটি নিয়ে যথেষ্ট ভাবছে প্রশাসন।
 এই দিন বৈঠকের চুক্তি অনুযায়ী,যত রাইস মিলের কর্মচারী আসবে তাদের সিভিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম সহযোগিতা করা হবে।শুধু তাই নয়, স্থানীয় বিডিও ও ওসির ইস্যু করা সার্টিফিকেট দেওয়া হবে সাধারণ শ্রমিক সহ কাঁচামাল পরিবহনকারী দের।যাতে প্রত্যহ যাতায়াতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়।
    বর্তমানে চালের দাম কেজি প্রতি পাঁচ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে।আগামী দিনে যাতে সাধারণ মানুষকে খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে না হয়,তার জন্য প্রশাসন মিল গুলিকে যথাযথ ভাবে সাহায্য করবে।
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান, সি আই সি সঞ্জয় কুণ্ডু, রায়না এক এর বিডিও সৌমেন বণিক, রায়না দুই বিডিও দীপ্যমান মজুমদার, খণ্ডঘোষ এর বিডিও কমলকান্তি তলাপাত্র, রায়না ওসি পুলক মন্ডল, মাধবডিহি ওসি সুব্রত বেড়া , রায়না বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই , খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীন বাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রা সহ রাইস মিলের মালিকরা।দেশের এই দুঃসময়ে ন্যায্য মূল্যেই চাল বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছেন মিল মালিকরা।

রায়নায় মানুষের সচতনতা বৃদ্ধিতে পথে নামলো প্রশাসন

No comments
ছবি ও তথ্য :- কৃষ্ণ সাহা

সুনীতা ঘোষ ( রায়না ):- বার মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিতে পথে নামলো প্রশাসন। জেলা পুলিশের সহায়তায় রায়না থানার অন্তর্গত সেহারাবাজার,মোগলমারি, মিরেপোতা সহ দক্ষিণ দামোদর সংলগ্ন বাজার অঞ্চলগুলিতে চলছে পুলিশি টহলদারি।
জনসমাগম যুক্ত অঞ্চলগুলিতে যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখছেন তারা।কমপক্ষে এক মিটার অন্তর দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে হবে মানুষকে।সেই অনুযায়ী চুন দিয়ে দাগ কেটে দেওয়াও হচ্ছে,বলে জানিয়েছেন জনৈক পুলিশ কর্মী।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা ভারতবর্ষে টানা একুশ দিন ধরে  লকডাউন জারি রয়েছে।বন্ধ হয়নি সাধারণ মানুষের আনাগোনা।
আইন অমান্য করে রাস্তা ঘাটে প্রায়শই দেখা মিলছে যানবাহনের।পরবর্তী দিনগুলি কিভাবে অতিবাহিত করবেন,এই আশঙ্কায় স্থানীয় দোকানগুলিতে সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ভাবে
ভিড় না জমায় সেদিক থেকেও সতর্ক করা হচ্ছে।খোলা থাকবে সমস্ত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান,এমনকি ওষুধের দোকানও।রাজ্য সরকারের তরফ থেকে রেশন দেওয়া হবে বিনামূল্যে।প্রয়োজনে এক মাসের রেশন একদিনে দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা জারি রয়েছে।এছাড়াও,উপযুক্ত প্রমাণপত্র দেখিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনতে গেলে সাহায্য করবে পুলিশ।
   তবুও মানুষের সচেতনতার অভাব।এই সমস্ত মানুষদেরই আবারও সচেতনতা সম্পর্কে অবগত করতে রাস্তায় নামছে পুলিশ।এই দিন এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান,সি আই সি সঞ্জয় কুন্ডু ,সেহরাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উত্তাল সামন্ত সহ পুলিশ বাহিনী সচেতনতা মূলক কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেছেন।COVID 19 সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি জোড় করে সম্ভব নয়,তাই এক প্রকার  রাস্তায় নেমে বোঝাচ্ছেন তারা।

সেহারাবাজারে করোনা ভাইরাস এর জন্য প্রচারাভিযান

No comments

Sunday, March 22, 2020


কৃষ্ণ সাহা ( সেহারাবাজার ):- পূর্ব বর্ধমান জেলার সেহারা অঞ্চলে শুরু হল প্রচারাভিযান।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত সমস্ত ছাত্র ছাত্রীদের বিনামূল্যে চাল ও আলু বিতরণ করা হবে।এটাই হল প্রচারকার্যের বিষয়বস্তু। COVID19 তীব্রতা বাড়ছে দিনের পর দিন।বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও।আজ পর্যন্ত মেলেনি প্রতিষেধক। সচেতন হতে হবে সাধারণ মানুষকেই।বেশ কিছুদিন বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত বাইরে না বেরোনোর সতর্কবার্তা জারি করেছে সরকার।উপযুক্ত খাদ্যসামগ্রী ও পথ্য মজুত থাকলেই সাধারণ মানুষের পক্ষে গৃহবন্দী হয়ে থাকা সম্ভব।তাই এমন উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে।অভিভাবক ছাড়া অন্য কারও হাতে এই চাল আলু তুলে দেওয়া হবে না।আগামী সোম এবং মঙ্গলবার প্রাইমারি ও উচ্চ বিদ্যালয়গুলিতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ হবে।এই মর্মেই সেহারা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সমস্ত গ্রামে প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রচারকার্যে অংশগ্রহণকারী তৃণমুল কর্মী প্রকাশ মন্ডল।

করোনা সংক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে মাটি খুঁড়ে বেরকরা পোড়া কাঠকয়লার তিলক পরার হিড়িক পরেগেছে পূর্ব বর্ধমানে

No comments

Saturday, March 21, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- রোনা ভারাস সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্ক ছড়াতেই  গুজবের জরে  বেড়ে গিয়েছিল গোমুত্র ও
 গোবরের কদর। এবার বাড়ির ঈশান কোনে গর্ত খুঁড়ে  বেরকরা কাঠকয়লা দিয়ে করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর  হিড়িক পড়েগেছে ।বাড়িতে থাকা ছোট পাথরের উপর সেই কাঠকয়লা ঘসে নিয়ে তার তিলক কপালে লাগালেই নাকি করোনা আক্রান্ত হতে হবেনা ।এই গুজবে ভর করেই পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষজন শুরু করে দিয়েছেন কপালে  কাঠকয়লা তিলক লাগানো । মুখে মাস্ক ব্যবহার শিকেয় তুলে গ্রামবাসীরা করোনার দাওয়াই হিসাবে পোড়া কাঠের তিলক পরাতে ভরসা করায় উৎকন্ঠা বেড়েছে চিকিৎসক  মহলে । 
 কাঠকয়লার তিলক নিয়ে গুজবের  মারাত্বক প্রভাব পড়েছে হুগলী ও পূর্ব বর্ধমান জেলায়। পূর্ব বর্ধমান  জেলার  জামালপুর ব্লকের পাঁচড়া,বেরুগ্রাম,আঝাপুর,কোলসরা,আবুহাটি সহ রায়নার উচালন ,সেহারাবাজার এবং আউশগ্রাম ব্লকের অভিরামপুরের বাসিন্দারা সবাই এখন মেতেছেন কপালে পোড়া কাঠকয়লার তিলক পরাতে । শনিবার  জামালপুরে পাঁচড়া ও  বেরুগ্রাম এলাকায় পৌছে  দেখাযায় অনেক বাসিন্দা তাঁদের বাড়ির ঈশান কোনে গর্ত খুঁড়তে ব্যস্ত ।কেউ কেউ গর্ত খুঁড়ে পাচ্ছেন পোড়া কাঠের টুকরো। আবার কেউ কেউ তাঁদের  বাড়ির  ঈশান কোনে গর্ত খুঁড়েতেই  পোড়া কাঠ ছাড়াও  বেরিয়ে আসছে  সিঁদুরের পাতা ও কড়ি । সবকিছুই স্বযত্নে তুলে নিয়ে ওইসব বাসিন্দারা ঘরে চলে যাচ্ছেন । একই ভাবে পোড়া কাঠের টুকরো অর্থাৎ কঠকয়লা নিয়ে ঘরে ঢুকেপড়েন  জামালপুরের পাঁচড়া গ্রামের  বাসিন্দা সুমন চট্টোপাধ্যায়। এদের দেখাদেখি প্রতিবেশীরাও 
পোড়া কাঠকয়লা উদ্ধারে নেমে পড়েন । 

পোড়া কাঠকয়লার তিলক কি দাওয়াইয়েয়  কাজ করবে তা সুমন চট্টোপাধ্যায়ের কাছে  জানতে চাওয়া হলে তিনি আজব কথা শোনালেন । সুমনবাবু  বলেন,হুগলী নিবাসী  তাঁদের এক আত্মীয় জানিয়েছেন ‘তারকেশ্বর মন্দিরের এক পুরোহিত স্বপ্নাদেশ পেয়েছেন প্রতেক বাসিন্দা তাদের  বাড়ির সদর দরজার ডানদিকে গর্ত খুঁড়লেই পোড়া কাঠ অর্থাৎ কাঠকয়লা মিলবে। সেই কাঠ কয়লার টুকরো গঙ্গাজল সহ পাথরে ঘসে কপালে তিলক পরলেই  করোনা সংক্রমণ থেকে রেহাই মিলবে। করোনা সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাবার এটাই ঠাকুরের ওষুধ। ’সুমন বাবু স্পষ্ট জানিয়েদেন 

 এই কথা শোনার পর তিনিও তা মানার  সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আউশগ্রামের অভিরামপুর 
গ্রামের বধূ মামনি রজক এদিন আবার যা বললেন তা জানলে কার্যত  বিশ্বের তাবড় চিকিৎসকরাও চমকে উঠবেন ।  মামনিদেবী বলেন ,‘করোনা সংক্রমণ রোধে কি করতে হবে তা নাকি ঠাকুর এক পুরোহিতকে  স্বপ্নাদেশে জানিয়ে দিয়েছে । সেই স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী  সূর্য ওঠার আগে বাড়ির তুলসী মন্দির কিংবা বাড়ির দরজার ডানদিকে গর্ত খোঁড়া শুরু করেদিতে হবে ।গর্ত খুঁড়লেই পোড়া কাঠ মিলবে।  সেই পোড়া কাঠের টুকরো গুড়িয়ে নিয়ে গঙ্গাজল দিয়ে মিশিয়ে কপালে তিলক পরলে আর  করোনা আক্রান্ত হতে হবে না ।’ মামনিদেবী এদিন নিজে সেটাই করেছেন বলে জানিয়েজেন । তিনি নিজের কপালে ওই তিলক পরেছেন এবং বাড়ির সবাইকেও একই তিলক পরিয়েছেন । প্রতিবেশীরাও একই রকম ভাবে কাঠকয়লার তিলক পরতে বলেছেন বলে মামনিদেবী জানিয়েছেন  ।
মামনিদেবীর প্রতিবেশী পরিবারের বধূ মিঠু মুখোপাধ্যায় বলেন , করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য তিনি এদিন  বাড়ির দরজার ডানদিকে গর্ত খুঁড়েতেই পোড়া কাঠের টুকরো পান ।  কাঁসার পাত্রে গঙ্গাজল ও  তুলসী পাতা দিয়ে তারমধ্যে ওই  পোড়া কাঠের টুকরোটি  ফেলেদিয়ে করোনা থেকে মুক্তি চেয়ে ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করেন । প্রার্থনা শেষে ওই কাঠকয়লার গুঁড়োর তিলক নিজে কপালে পরেন এবং বাড়ির স্বামী ও  সন্তানদের কপালেও তিলক পরিয়ে দিয়েছেন। 
দুপুর গড়ানোর পর এই গুজব জেলার সর্বত্র  দাবানলের  মত ছড়িয়ে পড়ে । সর্বত্র জয়ধ্বনি  দিয়ে পোড়া কাঠকয়লার  তিলক কপালে পরার হিড়িক পড়েযায়। করোনার দাওয়াই হিসাবে গ্রামে গঞ্জের মানুষজন কপালে পোড়া কাঠকয়লার তিলক পরতে অতি  উৎসাহী হয়েপড়ায় দুশ্চিন্ত বেড়েছে স্বাস্থ কর্তাদের । 
শিক্ষারত্ন পুরস্কার পাওয়া পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্য তাপস কুমার কার্ফা এদিন বলেন সবটাই বুজরুকি কাণ্ড ঘটছে ।পোড়া কাঠকয়লার তিলক পরে করোনা সংক্রমণ থেকে রেহাই মিলতে পারে না । বরং করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে সবাইকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার এবং চিকিৎসকদের দেওয়া   পরামর্শকে গুরুত্ব দিতে । চিকিৎসকদের পরামর্শই  সবাইকে মেনে চলতে হবে । মুখে মাস্ক ব্যবহার করা , এক জায়গায় ভিড়ভাট্টা না করা এবং নিজের হাত সহ গোটা শরীর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখাই  করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচার একমাত্র পথ বলে তাপস কার্ফা জানিয়েছেন । বিগত কয়েকদিন ধরে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে এই একই উপদেশ দিয়ে চলেছেন রাজ্যের বিশিষ্ঠ  চিকিৎসক ও স্বাস্থ দপ্তরের কর্তারা ।কোন গুজবে কান না দিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার এবং চিকিৎসকদের পরামর্শকে গুরুত্ব দিতে হবে এই অনুরোধ নাগরিকদের কাছে রেখেছেন চিকিৎসকরা ।  ।

২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হলো সেহারাবাজার রহমানিয়া আল আমিন মিশনে

No comments

Friday, February 21, 2020


সেহারাবাজার ( সেখ সফি কামাল ) :- শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হলো সেহারাবাজার রহমানিয়া আল আমিন মিশনে।জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর কেরাতপাঠ ও কবিতা আবৃত্তি করেন মিশনের ছাত্ররা।এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান ছন্দমের প্রিন্সিপাল মেহবুব হাসান, বাংলা দেশ থেকে আগত  বর্ধমান ইউনিভার্সিটির ইন্টার নাশানাল  স্টুডেন্ট আসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সেহারাবাজার রহমানিয়া আল আমিন মিশনের সভাপতি বদরুল আলম,মি‌শনের সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, সেহারবাজার রহমানিয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সহ সম্পাদক আশরফ আলি,প্রধান শিক্ষক মহঃ সেলিম সহ মিশনের সকল শিক্ষক এবং ছাত্ররা। 
মিশনে আগত অতিথি ও মিশনের শিক্ষকগন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে মিশনের ছাত্রদের কাছে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মিশনে আগত অতিথিদের সংবর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি দুই সাংবাদিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় মিশনের পক্ষ থেকে।
loading...
Don't Miss
© all rights reserved
By SDK IT SOLUTION