Showing posts with label Abroad. Show all posts
Showing posts with label Abroad. Show all posts

হোটেলের স্টোর রুম থেকে উদ্ধার আটদিন নিখোঁজ থাকা নাবালকের পচা গলা দেহ

No comments

Thursday, January 23, 2020




প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ২৩ জানুয়ারি 


হোটেলের  স্টোর রুম থেকে উদ্ধার হল আট দিন নিখোঁজ থাকা নাবালকের পচাগলা মৃতদেহ।  এই ঘটনা জানাজানি হতেই বৃহস্পতিবার  ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের  নাদনঘাট থানার তুলসীডাঙ্গা গ্রামে । মৃতর নাম রাকেশ মোদক  (১৬)।  তাঁর বাড়ি 

নাদনঘাটের ভাতশালা গ্রামে । হোটেলের লোকজনই রাকেশকে খুন করেছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন মৃতর পরিবার ।  তদন্তে নেমে নাদনঘাট থানার পুলিশ হোটেল মালিক পবন দেবনাথ ও তাঁর সহযোগী নিতাই রায়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে । 

 পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানাগেছে , দিন দরিদ্র পরিবারের নাবালক ছেলে রাকেশ গত কুড়ি দিন আগে হোটেলে কাজে যোগ দেয় । 

গত ১৪ জানুয়ারি থেকে রাকেশ আর বাড়ি ফেরেনি ।  পরিবারের লোকজন  কোথাও তার   খোঁজ না পেয়ে নাদনঘাট ও পূর্বস্থলী থানার দ্বারস্থ হয় । মৃতর অত্মীয়রা  বলেন,


পুলিশ রাকেশ কে উদ্ধারের বিষয়ে কোন হেলদোল দেখায়নি । তারই মধ্যে এদিন দুপুরে  ওই হোটেল থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরহলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয় । নাদনঘাট থানার পুলিশ  ওই হেটেলের বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি চালানো শুরু করে ।  তল্লাশি চালানোর  সময়ে হোটেলের স্টোররুম  থেকে উদ্ধার হয়  নাবালকের পচাগলা মৃতদেহ । মৃতর মা রিঙ্কু মোদক ও বাবা বিকাশ মোদক তাঁদের ছেলের  মৃত্যুর জন্য হোটেল মালিক ও তাঁর সহযোগীদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তোলেন । হোটেল মালিক ও তার সহযোগীরা  মিলে রাকেশকে খুন করে হোটেলের ঘরে দেহ লুকিয়ে রেখেছিল  বলে মৃতর বাবা পুলিশের 

কাছে অভিযোগ করেন  । 

এই অভিযোগ পেয়েই পুলিশ হোটেল মালিক পবন দেবনাথ ও তার সহযোগী নিতাই রায়কে আটক করে । এলাকাবাসী পুলিশকে অভিযোগে  বলেন , রাতে এই হোটেল কাম রেস্টুরেন্টে  অসাধু 

ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে ।

 ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে নাবালকের মৃত্যুর কারন জানাযাবে । হোটেলের  দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে । 

 



বর্ধমানের কালনায় দেবদাস স্মৃতি মেলায় ক্রেতা আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দুতে ২০০০ ও ১০০০ টাকা পিসের মস্ত রসগোল্লা

No comments

Saturday, January 18, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ১৭ জানুয়ারি

তিন প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ , মিহিদানা ও ল্যাংচা নিয়ে পূর্ব বর্ধমান  জেলাবাসীর গর্বের অন্ত নেই। ইদানিং আবার  রসগোল্লা নিয়েও  চমক দেখাচ্ছেন এই জেলার মিষ্টান্ন কারিগরেরা । যানিয়ে রীতিমতো  হইচই  পড়েগেছে  কালনার হাতিপোতায় চলা  দেবদাস স্মৃতি মেলায় । 


রসগোল্লা বাংলার’এই স্বীকৃতি  মেলার  পর থকে রসগোল্লার কদর বাংলায়  বহুগুন  বেড়েগেছে।দেবদাস স্মৃতি মেলায় এখন সব আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে সেই রসগোল্লা । এই রসগোল্লা অবশ্য  যেসে রসগোল্লা নয় । মস্ত সাইজের সেই রসগোল্লার  কোনটির ১ পিসের  দাম ২০০০ টাকা আবার কোনটির  ১০০০ টাকা ।  যার কোনটির  ওজন  ৬ কেজি আবার কোনটির  ওজন  ৪ কেজি । মেলার স্টলে পৌছে এমন  দর্শনধারি  রসগোল্লা স্বচোক্ষে দেখার  ভিড় যেমন বেড়েছে । তেমনি  মেলা  প্রাঙ্গনে একসঙ্গে বসে মস্ত রসগোল্লার  স্বাদ  নেবার সূযোগও কেউ হাতছাড়া করতে চাইছেন না । দেবদাস স্মৃতি মেলায় তাই দেদার বিক্রি হচ্ছে ২০০০ ও ১০০০টাকা পিসের পেল্লাই রসগোল্লা । স্টলে ক্রেতা ভিড় উপচে পড়ায় মুখের হাসিও চওড়া হয়েছে  মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের  ।


মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী হবিরুল মন্ডল ও লালন সেখ প্রমুখরা বলেন , ‘রসগোল্লা বাংলার’ এই স্বীকৃতি মেলার পরথেকেই সারা বাংলায় রসগোল্লা নিয়ে আলাদা উন্মাদন তৈরি হয়েছে । সেই বিষটি মাধায় রেখে তাঁরা রসগোল্লা নিয়ে বিশেষ অভিনব কিছু করার জন্য  মাথা ঘামানো শুরু করেন । ঠিক করেন ছোট সাইজের পরিবর্তে তাঁরা প্রকাণ্ড সাইজের একএকটি রসগোল্লা তৈরি করে চমক দেবেন । হাবিরুল বলেন প্রথমে তাঁদের মনেহয়েছিল  রসগোল্লার  সাইজ দেখে  ও দাম শুনে হয়তো ক্রেতারা মুখ ঘুরিয়ে নেবেন । কিন্তু শুক্রবার মেলার স্টলে  রসগোল্লা তৈরি হয়েযেতেই তা মেলায় আগত দর্শক ও ক্রেতা মহলের কাছে  সুপারহিট মিষ্টি বনে যায় । হাবিরুল বলেন, এখন তাঁদের  দু জনের  মিষ্টির স্টলেই   ক্রেতা ভিড় উপচে পড়চে ।



কিভাবে তৈরি করলেন প্রকাণ্ড সাইজের অথছ    সুস্বাদু এমন রসগোল্লা ? এর উত্তরে  কারিগর হবিরুল মন্ডল বলেন,‘ আড়াই কিলো ছানার সঙ্গে চিনি মিসিয়ে রসগোল্লা তৈরি করেছেন । যারা নলেন গুড়ের রসগোল্লা খেতে চাইছেন তাদের জন্য একই পরিমান ছানার সঙ্গে নলেন গুড় মিশিয়ে রসগোল্লা   তৈরি করে দিচ্ছেন । এই কারিগররা জানালেন আড়াই কেজি  ওজনের ছানার প্রতি রসগোল্লার দাম ২০০০ টাকা  । আর ১ কেজি৩০০ গ্রাম ওজনের   ছানা দিয়ে তৈরী  রসগোলার দাম রেখেছেন ১০০০ টাকা । এছাড়াও ৫০০ ও ১০০ টাকা পিস দামের রসগোল্লাও তৈরি করেছেন বলে দুই  বিক্রেতা  জানিয়েছেন । হাবিরুল ও  লালন দুজনেই দাবি করেন এদিন তাঁদের তৈরি  মস্ত রসগোল্লা ভালই বিক্রি হয়েছে ।  মেলার বাকি কটাদিনও একই রকম বিক্রিবাটা হবে বলে তাঁরা মনে করছেন । 


মেলার আয়োজকদের তরফে রেজাউল মোল্লা বলেন ,“গ্রামের মেলায় এমন রসগোল্লার বিক্রিবাটা এতকাল কোথাও তাদের নজরে আসেনি । রসগোল্লার আকার বিশাল হলেও খেতে যথেষ্টই   সুস্বাদু হয়েছে । এককথায় বলাচলে দেবদাস উপন্যাসের  মতোই সুপারহিট হয়েগেছে  দু-হাজার ও এক হাজার টাকা পিসের রসগোল্লা । মেলায় আগত সকল মানুষজন এখন তাই রসগোল্লায় মজেগেছেন । ”


কথাশিল্পির দেবদাস উপন্যাস কে আঁকড়ে ধরে বর্ধমানের হাতিপোতা গ্রামে শুরু হল দেবদাস স্মৃতি মেলা ।

No comments

Thursday, January 16, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ১৬ জানুয়ারি

বাংলা সাহিত্যে চির অমর হয়েরয়েছে কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা  ‘দেবদাস’ উপন্যাস“ । কথিত আছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার নান্দাই পঞ্চায়েতের হাতিপোতা গ্রাম থেকেই এই উপন্যাস লেখার রসদ খুঁজে পেয়েছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়  । সেই বিশ্বাসে  ভরকরেই  “দেবদাস” কে চিরস্মরণীয়  করে রাখতে হাতিপোতা গ্রামের মানুষজন প্রতিবছরই ‘দেবদাস স্মৃতি মেলার ’ আয়োজন করে আসছেন ।  বৃহস্পতিবার ২০ তম বর্ষের  দেবদাস স্মৃতি মেলা ও উৎসবের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের  মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ,অভিনেত্রী সুদীপ্তা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখরা ।  উৎসব  আগামী সোমবার  পর্যন্ত চলবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন । 
                        

আয়োজকদের তরফে রেজাউল  মোল্লা এদিন জানালেন , কথাসাহিত্যিকের ‘দেবদাস’ উপন্যাসে অন্তিম অনুরোধে ছিল-“তাহার জন্য একটু প্রার্থনা করিও ”সেই প্রার্থনাতে সাড়া দিয়েই  জাঁকজমক  পূর্ণভাবে প্রতিবছর  উৎসবের আয়োজন করা হয় ।  হাতিপোতা  গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা এদিন জানান , হাতিপোতা গ্রামের প্রাক্তন জমিদার  ছিলেন  ভুবনমোহন চৌধুরীর।  তাঁর  দ্বিতীয় স্ত্রী তালসোনাপুরের ‘পার্বতী-ই’ দেবদাস উপন্যাসের নায়িকা। প্রবীনরা আরো   বলেন উপন্যাসের একাংশে উল্লেখ রয়েছে  , “পার্বতীর পিতা কাল বাটি ফিরিয়াছেন।এই কয় দিন তিনি পাত্র স্থির করিতে বাহিরে গিয়াছিলেন।প্রায় কুড়ি-পঁচিশ ক্রোশ দূরে বর্ধমান জেলার হাতিপোতা গ্রামের জমিদারই সেই পাত্র”।উপন্যাসের কাহিনীর এই অংশে  প্রকাশ পেয়েছে  বাস্তবের হাতিপোতা গ্রামের  নাম ।  এমনটাই  দাবি করছেন  এলাকার প্রবীন বাসিন্দারা  । হাতিপোতা গ্রামের  বাসিন্দারা আজও মনেকরেন  ১৮৯৫-১৯০০ সালের মধ্যে শরৎচন্দ্র নিজেই নদীপথে এসেছিলেন তাঁদের  গ্রামে।


উৎসব কমিটির অন্যতম সদস্য আবজেদ সেখ  বলেন,কথাশিল্পির দেবদাস উপন্যাসের দৌলতেই ধন্য হয়েছে হাতিপোতা গ্রাম । একই সঙ্গে বেড়েছে  হাতিপোতা গ্রামের  গুরুত্ব।  তাই এই উপন্যাসকে পাথেয় করেই প্রতিবছর হাতিপোতা গ্রামে দেবদাস স্মৃতি মেলার আয়োজন করা হয়ে আসছে ।





নতুন বছরের(2020) প্রথম দিনের আবহাওয়া কেমন থাকবে , জেনে নিন ?

No comments

Tuesday, December 31, 2019



প্রতিনিধি - পিয়ালী নস্কর
আজ পরিষ্কার আকাশ থাকবে দুই বঙ্গে । রাতের তাপমাত্রা আজ থেকে বাড়বেও শীতের আমেজ বজায় থাকবে। আগামী কাল কলকাতার তাপমাত্রা 12 ডিগ্রি ও পরে 13 থেকে 14 ডিগ্রি  হতে পারে । 1 তারিক শুধু বীরভূম,পুরুলিয়া,বাঁকুড়া,পশ্চিম বর্ধমানে বৃষ্টি পাত হবে । 2 তারিখ দক্ষিণ বঙ্গের সবজায়গায় বৃষ্টি হবে। 3 তারিখেও বৃষ্টি হবে,পরিমাণ কমে যাবে ।
4 তারিখ বিকেল থেকে বৃষ্টি কমবে । উত্তরবঙ্গে 4 তারিখ সব জায়গায় বৃষ্টি হবে। দক্ষিণ বঙ্গে পশ্চিমের জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া,পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম,ঝাড়গ্রাম এ বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি পাত  হবে। কলকাতাতে 2 তারিক বিকেল  ও 3 তারিখ বৃষ্টি হবে। 4 তারিখ কমবে। উত্তর বঙ্গে বছরের প্রথম তুষার পাত এর সভাবনা কম পশ্চিমি ঝঞ্জার কারণে। 5 তারিখের পর থেকে আবার তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা। রাজ্য জুড়ে।

দিল্লী থেকে প্রায় সতেরো শো কিলোমিটার সাইকেলে আট যুবক সম্বর্ধনা দিলেন মেমারি মামুন ন্যাশানাল স্কুল ট্রাস্ট

No comments

Thursday, November 14, 2019



সেখ সামসুদ্দিন

ভারত আমার দেশ, আমাদের পরম আদরের জন্মভূমি।বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যই হলো আমাদের দেশের অন্যতম শক্তি। শান্তি ও সংহতি রক্ষা করাটাই হলো আমাদের পবিত্র কর্তব্য। এই মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ধর্মমত নির্বিশেষে কয়েকজন যুবক সাইকেল র‍্যালি নিয়ে দিল্লী থেকে ১৯ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে। কলকাতা পৌঁছাবে ১৪ নভেম্বর। তারা বিভিন্ন রাজ্যের   শহর-গ্রাম ঘুরে গতকাল সন্ধ্যায় মেমারিতে পৌঁছায়। খাঁড়ো যুবক সংঘ ও মেমারি মামুন ন্যাশানাল স্কুল ট্রাস্ট যৌথ উদ্যোগে মেমারি কলেজ অডিটোরিয়াম হলে সর্বধর্ম সভায় তাদের সম্বর্ধনা দেওয়া হয়।

সাইকেল র‍্যালিতে অংশ নেওয়া আট সদস্য হলেন নরেশ চন্দ্র সিং, ফয়জল খাঁ, মণীশ বনশাল, মহঃ জাভেদ মল্লিক, মহঃ চাঁদ, কার্তিক অরোরা, আরমান আক্তার খান ও মহঃ সোয়েব। মেমারি বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক অধ্যাপক ডঃ আবুল হাসেম মন্ডলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিধায়িকা নার্গিস বেগম, বিজেপি নেতা শঙ্করলাল সাউ,
জাতীয় কংগ্রেস নেতা শ্যামল সরকার ও জাকির হোসেন, মেমারি ১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি  মধুসূদন ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি সেখ মোয়াজ্জেম, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বসন্ত রুইদাস, পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রিয় সামন্ত, সমাজসেবী এম এম মুন্সী, শিক্ষক বসিরুদ্দিন, ক্লারেট স্কুলের সভাপতি জন সোরেন, মামুন স্কুলের সম্পাদক কাজী মহঃ তহসিন, খাঁড়ো যুবক সংঘের সেখ সবুরউদ্দিন সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এদিন সাইকেল র‍্যালির সদস্যরা ঐক্য ও সম্প্রীতি রক্ষার্থে জোড়ালো বার্তা দেন।
                      আরও পড়ুনঃ- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং- সম্পর্কে জেনে নিন

আরবে কাজে গিয়ে আটকা পড়েছেন পূর্ব বর্ধমানের তিন শ্রমিক । উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছে তাঁদের পরিবার

No comments

Friday, November 1, 2019


রোজগারের আশায়  সৌদি আরবে কাজে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন এই রাজ্যের বেশ কয়েকজন শ্রমীক । তাদের মধ্যে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার তিন জন ।তারা হলেন    
গিয়াসউদ্দিন সেখ ,হিল্লাল সেখ ও নূরুল ইসলাম । গিয়াসউদ্দিনের বাড়ি পূর্বস্থলীর খড়দত্তপাড়ায় ।  হিল্লাল পূর্ব ন-পাড়া এবং নুরুল মন্তেশ্বরের রুইগড়িয়ার বাসিন্দা । এজেন্টের মাধ্যমে সৌদি আরবের জেড্ডায় কাজে গিয়ে সন্তানরা  বিপাকে পড়ায় চরম উৎকন্ঠায় এখন দিন কাটাচ্ছেন তাঁদের পরিবার সদস্যরা ।এরই মধ্যে  কাশ্মীরে কাজেযাওয়া মুর্শিদাবাদের পাঁচ শ্রমিককে নৃশংস ভাবে হত্যা করার ঘটনা সামনে এসেছে । এর পরথেকে উদবেগ উৎকন্ঠা বহুগুন বেড়েগিয়েছে আরবে কাজে গিয়ে আটকে পড়া পূর্ব বর্ধমানের শ্রমিকদের পরিবারে ।
 বিষয়টি  বিদেশ মন্ত্রক ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের  নজরে এনেছে ন্যাশানাল অ্যান্টি ট্র্যাফিকিং কমিটি । আরব থেকে সন্তানদের ফিরিয়ে আনা নিয়ে মুখমন্ত্রীর  মুকাপেক্ষী হয়ে রয়েছে তাঁদের বাবা মায়েরা ।
সৌদি আরবের জেড্ডায় আটকে পড়াদের মধ্যে পূর্ব বর্ধমানের তিন শ্রমিক সহ বাংলার  মোট ২০  জন শ্রমিক রয়েছে  । এছাড়াও মুম্বাইয়ের থানের এক বাসিন্দা রয়েছেন । আরবে কাজে যাওয়া এরা  সকলেই সোনার কারিগর ।প্রায় দু-বছর আগে  মুম্বাইয়ের এক এজেন্টের  মাধ্যমে  এই সোনার কারিগররা জেড্ডার একটি অলংকার তৈরির প্রতিষ্ঠানে কাজে যোগদেয় । এই কারিগররা সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমে তাঁদের দুরাবস্থার কথা শুনিয়েছে ।  তাথেকে জানাগেছে , “সেখানকার বিমানবন্দরে নামার পর সংস্থার লোকজন তাঁদের পাসপোর্ট ভিসা নিজেদের কব্জায় নিয়েনেয়।  প্রথম দিকে সংস্থাটি শ্রমিকদের বেতন ও আনুসঙ্গিক খরচ সবই সঠিক সময়ে   দিয়েছিল ।কিন্তু  ভিসার মেয়াদ শেষ হবার কয়েকমাস আগে থেকে  সংস্থার লোকজন  টিকঠাক পারিশ্রমিক দেবার ব্যাপারে টালবাহানা  করতে শুরু করে । 
পাওনা মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাসের পর আশ্বাস দিয়ে শ্রমিকদের সেখানে থাকা করায় সংস্থার কর্তৃপক্ষ ।  তারই মধ্যে  সকল শ্রমীকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাঁরা সবাই বিপাকে পড়েন । এই পরিস্থিতিতে  ২১ জন শ্রমিক এখন কার্যত জেড্ডায় গৃহবন্দি হয়ে থাকছেন । তাঁদের খাবার দাবারও ঠিকঠাক জুটছে না । ভারতে ফেরার  ব্যাবস্থা করেদেবার আর্জি সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে রেখেছে জেড্ডায় আটকে পড়া বাংলার শ্রমিকরা ।
মন্তেশ্বরের রুইগড়িয়া গ্রামে নূরুল ইসলামের বাড়িতে রয়েছেন তাঁর বৃদ্ধ বাবা ও মা । এদিন 
নূরুলের বাবা নূর আলম ও মা চান্দেহারা বিবি বলেন,‘সংসারে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনাতে পারবে এই ভেবে  ছেলে এজেন্ট মাধ্যমে বছর দুয়েক আগে সৌদি আরবের জেড্ডায়  অলংকার তৈরির প্রতিষ্ঠানে কাজে যোগদেয় । মালিক প্রথমদিকে ঠিকঠাক পারিশ্রমিক দিলেও পরে টালবাহানা শুরু করে ।তিন মাস হল  ছেলের ভিসার মেয়াদ  শেষ হয়েগেছে ।

 সেই থেকে তাঁর ছেলে সহ ২০-২১ জন সেখানকার  একটা ঘরে কার্যত বন্দি হয়ে থাকছে । রোজগারের টাকা পয়সা শেষহতে বসায়  তাঁদের খাবার দাবার যথাযথ মিলছে না ।নূর আলম বলেন, কাশ্মীরে কাজে যাওয়া মুর্শিদাবাদের পাঁচ শ্রমিককে নৃশংস ভাবে প্রাণে মারা হয়েছে।  এই খবর জানার  পরথেকে  তিনি তাঁর সন্তানের জন্য  যথেষ্ট উৎকন্ঠায় রয়েছেন ।  ছেলেদের নিরাপদে দ্রুত ভারতে ফিরে আসার ব্যবস্থা করেদেবার জন্য ভারত সরকার ও রাজ্য সরকারের কাছে আর্জি রেখেছেন বলে নূর আলন জানিয়েছেন  । একই রকম উদবেগের কথা শুনিয়েছে গিয়াসউদ্দিন ও হিল্লালের পরিবার ।

 এই বিষয়ে কালনার  মহকুমাশাসক নীতেশ ঢালি কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে এখনো কেউ কিছু  জানায়নি।মহকুমা শাসক জানান  ,পরিবার যোগাযোগ করলে  বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে  দেখবেন ।  উর্ধতন কতৃপক্ষের ও দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন ।

loading...
Don't Miss
© all rights reserved
By SDK IT SOLUTION