Showing posts with label Memari. Show all posts
Showing posts with label Memari. Show all posts

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধের বিশেষ মাস্ক আবিস্কার করে দেশজুড়ে সাড়া ফেলেদিল বাংলার এক কন্যাশ্রী কন্যা

No comments

Tuesday, March 31, 2020


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- ভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধক বিশেষ মাস্ক আবিস্কার করে দেশজুড়ে সাড়া ফেলেদিল এই বাংলার এক কন্যাশ্রী কন্যা। ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের কোভিড-১৯ সলিউশান চ্যালেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত  হয়েছে কন্যাশ্রী কন্যা দিগন্তিকা বোসের তৈরি মাস্ক।এছাড়াও ভারত সরকারের
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় অধীন স্বশাসিত সংস্থা ন্যাশনাল ইনোভেশন ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়ার বিজ্ঞানীরা দিগন্তিকার আবিস্কৃত মাস্কের  কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা শুরুকরে দিয়েছেন।  দিগন্তিকা আশাবাদী  তাঁর আবিস্কৃত মাস্ক আগামী দিনে ভারতকে  মারণ ভাইরাস করোনা সংক্রমন রোধের দিশা  দেখাবে ।


পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পৌর এলাকায় বাড়ি ছাত্রি দিগন্তিকার ।সে মেমারি বিদ্যাসাগর স্মৃতি বিদ্যামন্দিররের(শাখা ২)একাদশ  শ্রেণীর ছাত্রি। দিগন্তিকা জানিয়েছে , করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধক  যে মাস্ক সে তৈরি করেছে তার পোষাকি  নাম সে দিয়েছে ‘পিয়োর এয়ার প্রোভাইডার এ্যন্ড ভাইরাস ডেসট্রয়ার মাস্ক ’। কোরোনা ভাইরাস রোধে এই মাস্ক কিভাবে কাজ করবে ? এই প্রশ্নের উত্তরে দিগন্তিকা জানায় ,তাঁর আবিস্কৃত মাস্ক পরে কেউ প্রশ্বাস নিলে ধূলিকণা ও ভাইরাস মুক্ত বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করবে ।আর নভেল করোনা পজেটিভ ধরা পড়া ব্যক্তির মুখে থাকা তার তৈরি মাস্ক নিঃশ্বাস ,হাঁচি , কাশি থেকে নির্গত ড্রপলেট বা অন্য কোন ভাইরাস কে প্রতিনিয়ত নষ্ট করে যাবে। ফলে ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা একেবারেই কমে যাবে।কিভাবে তাঁর আবিস্কৃত  মাস্ক এই কাজ করবে ? উত্তরে দিগন্তিকা জানায় ,তাঁর তৈরি মাস্ক দুটি অংশ নিয়ে তৈরি। প্রথম অংশে রয়েছে দুটি একমুখী ভাল্প এবং দ্বিতীয় অংশে রয়েছে দুটি আধার । প্রথমে অংশ প্রশ্বাস গ্ৰহনের বাতাস থেকে নির্গত ধূলিকণা ও জল কনা মাস্কের এক অংশ  আটকে দেবে । পরের অংশ ভাইরাস এর লিপিড প্রটিনকে ধ্বংস করে বিশুদ্ধ বাতাস একমুখী ভাল্পের মধ্য দিয়ে মাস্কের ভিতর থেকে  ফুসফুসে যেতে সাহায্য করবে । এছাড়াও নিঃশ্বাস ত্যাগ করার সময় মাস্কে থাকা অন্য একটি এক মুখি ভাল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে । ত্যাগ করা নিশ্বাস  ওই ভাল্পের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আর একটি আধারের  ভিতরে প্রবেশ করবে ।সেখানে যে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে তার মাধ্যমে  মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ভাইরাসের লিপিড প্রটিনের  স্তরটি  ভেঙে যাবে । এর ফলেই ভাইরাস নষ্ট হয়ে যাবে  । ভাইরাস আর সংক্রমণই ঘটাতে পারবে না।  নভেল করোনা পজেটিভ ধরাপড়া  কোন ব্যক্তি তার আবিস্কৃত মাস্ক পরে থাকলে আর ভাইরাসের কোন অস্তিত্বই থাাকবে না।’মাত্র ২০০ টাকা খরচ করেই এই মাস্ক তৈরি করাযাবে বলে দিগন্তিকা  জানিয়েছে ।


দিগন্তিকার বাবা সুদীপ্ত বোস জানিয়েছেন,
 তাঁর মেয়ের আবিষ্কৃত মাস্ক ইতিমধ্যেই ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক কোভিড-১৯ সলিউশন চ্যালেঞ্জের  অন্তর্ভুক্ত করেছে।মন্ত্রকের  ভাইরোলজিস্টরা দিগন্তিকার এই আবিষ্কার নিয়ে খুবই আশাবাদী।এছাড়াও ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন  স্বশাসিত সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেশন ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়ার বিজ্ঞানীরাও এখন এই মাস্কের কার্যকারীতা  খতিয়ে দেখছেন। উড়িষ্যার বীরসুন্দর সাই ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির আইডিয়া ইনভেশন শাখা 'হ্যাক ফর কোভিড - ১৯ 'এর তালিকা ভুক্ত হয়েছে দিগন্তিকার  আবিস্কৃত মাস্ক ।সুদীপ্তবাবু বলেন ,ইতিপূর্বেই প্রযুক্তি বিজ্ঞানের সহায়তা নিয়ে বেশ কয়েকটি যন্ত্র আবিস্কারের কৃতিত্ব স্বরুপ  দিগন্তিকা জাতীয় পুরস্কার লাভকরেছে ।দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সন্মানিত করেছেন দিগন্তিকাকে ।সুদীপ্ত বাবুর  প্রত্যাশা তাঁর মেয়ে দিগন্তিকার আবিস্কৃত মাস্ক এবার দেশবাসীকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবে । 



উড়িষ্যা থেকে রেললাইন ধরে হেঁটে পূর্ব বর্ধমানের মসাগ্রাম ও জৌগ্রামে পৌঁছালেন শয়ে শয়ে পরিযায়ী শ্রমীক - পাশে দাঁড়ালো প্রশাসন

No comments

Monday, March 30, 2020




প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- কডাউনের জেরে চরম দুর্বিপাকে পড়েগিয়েছেন  ভিন রাজ্য  ও ভিন জেলায় কাজ করতে যাওয়া  শ্রমিকরা। করোনা নিয়ে  কেন্দ্র নতুন নির্দেশিকা জারি করায় তাদের ভোগান্তি আরো বেড়ে গেছে। নিজের নিজের বাড়ি ফেরার জন্য হেঁটো  মাইলের পর মাইল পথ পেরিয়ে এসেও ওই সব শ্রমিকদের বাড়ি ফেরা আর হলনা ।পথই এখন তাঁদের জীবন, পথই এখন তাঁদের  মরণের  স্থান হয়ে উঠেছে।
শুনতে অবাক লাগলেও সোমবার বেলা পর্যন্ত  ২ নম্বর জাতীয় সড়কে পূর্ব বর্ধানের দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের আঝাপুর ও জৌগ্রামে  শুধুই শোনা যায়  বাড়ি ফিরতে চাওয়া শয়ে শয়ে  মানুষের আকুল আর্তি ।খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ও ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা সেখানে পৌছেযান ।ক্লান্ত পরিশ্রান্ত সকল পরিযায়ী শ্রমীদের জন্য পানীয়  জল ও খবারদাবারের ব্যবস্থ্যা করেন প্রশাসনের কর্তারা।আপাতত বাড়ি ফেরার চিন্তা ভাবনা ত্যাগ করে প্রায় ৫ শতাধীক পরিযায়ী শ্রমিকেকের ঠাঁই হয়েছে জৌগ্রামের একটি স্কুলে ।


রুটি রুজি যোগাড়ের জন্য পূর্ব বর্ধমানের প্রতিবেশী জেলার প্রায় ৫ শতাধীক  শ্রমিকের কেউ ভিন রাজ্যে  আবার কেউ ভিন  জেলায় কাজ করতে গিয়েছিলেন । করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষনা হবার পরেই এইসকল পরিযায়ী শ্রমিক  ও তাঁদের পরিবার সদস্যরা চরম দুর্বিপাকে পড়েযান । তাঁদের কাজকর্মও  বন্ধ হয়েযায়।  খাবার দাবার জোগড় করাও  দায় হয়েওঠে।  এমন পরিস্থিতি তৈরি হবার পরেই  তারা  যে যার নিজের বাড়ি ফেরার পথ খোঁজা শুরু করেদেন।উড়িষ্যার কটকে কাজ করতে যাওয়া পরিযায়ী  শ্রমিকরা নিজেদের বাড়ি ফেরার জন্য তিন দিন আগে রেলপথ ধরে  হাঁটা শুরু করেন । আর যে পরিযায়ী শ্রমিকরা ভিন জেলায় কাজে গিয়েছিলেন  তারা বাড়ি ফেরার জন্য সড়ক পথ ধরে হাঁটা শুরু করেদেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের স্ত্রী ও শিশু সন্তানরাও হাঁটা পথে রওনা হতে বাধ্য হন । এইসব শ্রমিকদের বেশির ভাগজনই বিহার ও ঝাড়খন্ড রাজ্যের  বাসিন্দা। বাকিরা মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও  আসানসোলের বাসিন্দা। দীর্ঘ পথ হাঁটতে হাঁটতে  ক্লান্ত হয়ে পড়ে এই সকল পরিযায়ী  শ্রমিকদের  বড় একটি দল এদিন সকালে জৌগ্রামে জাতীয় সড়কের ধারে বসেপড়েন । অপর একটি দল মসাগ্রামে জাতীয় সড়কের আন্ডার পাসের নিচে বসে পড়েন ।


এই খবর পাবার পরেই ত্রাতার ভুমিকায় তাদের কাছে পৌছেযান জামালপুর থানার ওসি পুষ্পেন্দু জানা ও পঞ্চায়েত সমিতির  সভাপতি মেহেমুদ খান । ওসি পুষ্পেন্দু জানা ও মেহেমুদ খান দ্রুত ওই সকল শ্রমিকদের জন্য খাবার ও পানীয়  জলের ব্যবস্থা করেন ।
পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে সহযোগীতার হাত বাড়িযে দেয় জৌগ্রামের  শাসক দলের কর্মিরাও ।


উড়িষ্যায় কাজ করতে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকরা  এদিন জামালপুরের প্রশাসনিক কর্তাদের বলেন ,বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করেদেবার জন্য তারা উড়িষ্যা পুলিশের কাছে আবেদন করেছিলেন ।  কিন্তু উড়িষ্যা পুলিশ  তাঁদের সঙ্গে অত্যন্ত নির্মম ও খারাপ ব্যবহার করেছে। সামান্য খাবার দেওয়া তো দূরের কথা উল্টে  হুমকি ও হুঁশিয়ার দিয়ে তাঁদের দ্রুত উড়িষ্যা ছাড়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হয় । সেকারণে বাধ্য হয়ে বাড়ি ফেরার জন্য রেলপথ ধরেই হাঁটা শুরু করতে বাধ্য হন ।
জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির  সভাপতি  মেহেমুদ খান বলেন , ‘উচ্চ কর্তৃপক্ষের  নির্দেশ না আসাপর্যন্ত সকল পরিযায়ী শ্রমিককে জৌগ্রামের  গোপালপুরের স্কুলে থাকতে বলা হয়েছে । তাঁদের খাবারদাবার, পানীয়  জল সবকিছুর ব্যবস্থা করা হয়েছে ।’  সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানাগেছে এদিনই একই রকম ভোগান্তির  শিকার হয়ে  বীরভূমের রামপুরহাটের  মোরগ্রামের ১৪ জন শ্রমিক  পৌছান মেমারিতে । মেমারি ১ ব্লক প্রশাসনও একই ভাবে ওই সকল পরিযায়ী  শ্রমিকদের জন্য সাহায্যের  হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ।
আপতক মেমারির বাগিলার একটি স্কুলে ঠাঁই হয়েছে ১৪ জন পরিযায়ী শ্রমিকের ।

করোনা আক্রান্ত নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভূয়ো পোস্ট করার দায়ে মেমারিতে গ্রেফতার যুবক

No comments

Sunday, March 29, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- সোশ্যাল মিডিয়ায় করোনা সংক্রমণ  বিষয়ক ভুয়ো পোস্ট করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ । পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ওই যুবকের  নাম সৈকত সিংহ ।মেমারির বোহার গ্রামের বাসিন্দা  পার্থসারথী মজুমদারের অভিযোগের পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে । রবিবার ধৃতকে  পুলিশ পেশ করে বর্ধমান আদালতে । মেমারি নিবাসী তৃণমূলের জেলা যুবনেতা আশিস ঘোষদস্তিদার একই ধরনের মিথ্যা পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় করায় তার বিরুদ্ধেও পার্থসারথী বাবুর স্ত্রী মৈত্রেয়ী সিংহরায় অভিযোগ দারের করেছেন । করোনা সংক্রমণ  সংক্রান্ত ভূয়ো পোস্ট ঘিরে এখন রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে মেমারিতে ।

পুলিশ সূত্রে জানাগেছে , মৈত্রেয়ী  সিংহরায় মেমারির বোহার হাইস্কুলের শিক্ষিকা। মেমারির সিপিএম নেতা সনৎ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের পরিবারের  আত্মীয়। অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভূয়ো পোস্ট ছেড়ে বলা হচ্ছে,‘ সিপিএম নেতা সনৎ বন্দ্যোপাধ্যায়েয় আত্মীয়  পার্থসারথী বাবুর ছেলে কিছুদিন আগে লন্ডন থেকে বাড়িতে ফিরে ‘ঘাপটি’ মেরে বসে থাকে ।পরে  আশাকর্মীর চাপে সে  ডাক্তারের কাছে যায়। আর তার পরিবার থানার ভয়ে পালিয়েছে। শিক্ষিত মানুষের এই আচরণ লজ্জাজনক’। এই  পোস্ট নজরে আসার পরেই  শনিবার সকালে পার্থসারথিবাবু পুলিশকে বিষয়টি জানান ।তিনি পুলিশকে বলেন ,তাঁর ছেলে ব্রিটেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাচতে  তাঁর ছেলে সেখানেই ঘরবন্দি রয়েছে । অথচ এরকম ভুল পোস্ট করার  হচ্ছে । তার জন্যে তিনি ও তাঁর পরিবার বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছেন। এমন ভূয়ো পোস্ট ছড়ানোর ঘটনায় জড়িত চারজনের নামে তিনি ও তাঁর স্ত্রী থানায় অভিযোগ জানান। দায়ের হওয়া সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ এক যুবকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে  ।


করোনা আতঙ্কে পূর্ব বর্ধমান জেলার বাস্তব অবস্থা নিয়ে বৈঠক করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি

No comments

Saturday, March 28, 2020


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :-  গডাউন চললেও এই রাজ্যের গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক।  এই অবস্থায় শনিবার পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা ভাইরাস সংক্রমন  সংক্রান্ত  বাস্তব অবস্থা  খতিয়ে দেখে গেলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র । এদিন বিকালে তিনি পৌছান মেমারি থানায় । সেখানে জেলার পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য আধিকারিকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন ডিজি । পাশাপাশি তিনি মেমারির বিধায়ক নার্গিস বেগম ও মেমারি পুরসভার  পুরপ্রধান স্বপন বিষয়ীর সঙ্গে কথা বলে  কোথায় কোনও ঘাটতি আছে কি না তা  জানার চেষ্টা করেন। ডিজি বীরেন্দ্র মেমারির ব্যবসায়ী সমিতির  প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করে জানতে চান পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে  কোথাও কোন  ঘাটতি হচ্ছে কি না ।
লগডাউনের সূযোগ নিয়ে  কালোবাজারি কিংবা খাদ্য দ্রব্য মজুত করে রাখার প্রবণতা বেড়েছে কি সেবিষয়েও  ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিদের কাছে ডিজি জানতে  চান । বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় মেমারির  ব্যবসায়ী কল্যাণ কমিটির সম্পাদক রামকৃষ্ণ হাজরা বলেন ,ওষুধের  ঘাটতি ও  পরিবহণ সঙ্কট নিয়ে ডিজির সঙ্গে কথা হয়েছে। এই সমস্যা মেটানোর জন্য ডিজি থানা থেকে ‘পাস’ নেওয়ার কথা  বলেছেন। এ ছাড়াও যে কোনও প্রয়োজনে পুলিশ সাহায্য করবে বলে ডিজি  আশ্বাস দিয়ে গেছেন। যাবার সময়ে ডিজি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “কী অবস্থা চলছে, সেটা জানার জন্যে এসেছিলাম । পুলিশকে নিয়ে বৈঠক করেছি। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার জন্যে বলা হয়েছে। কালোবাজির বা মজুত করার প্রবণতা দেখাগেলে তা নির্মূল করার কথাও বলা  হয়েছে।

গান গেয়ে গেয়ে সবাইকে লকডাউনে সামিল করাচ্ছেন ওষুধের দোকানের কর্মচারী সুকান্ত

No comments

Tuesday, March 24, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- পুলিশকে বল প্রয়োগের পথে হাঁটতে হলেও নিজের স্বরচিত গানের মধ্যমেই নাগরিকদের  লগডাউনে সামিল করাচ্ছেন সামান্য একজন ওষুধের দোকানের  কর্মচারী। শুনতে অবাক লাগলেও পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার আঝাপুর গ্রাম নিবাসী সুকান্ত ঘোষের এমন  কর্মকাণ্ডের তারিফ নাকরে পারেন নি প্রশাসনিক কর্তারা ।

করোনা ভাইরাস আতঙ্কে জেরবার হয়েরয়েছে  ভারত সহ গোটা  বিশ্ব ।প্রতিদিন ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা যেমন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তেমনই বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যা । ভাইরাস সংক্রমন  প্রতিহত করতে দেশের অন্যান রাজ্যের মত পশ্চিমবঙ্গ সরকারও ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যে  লকডাউন ঘোষনা করেছে।প্রাধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদি এবং এই রাজ্যের  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারে বারে নাগরিকদের কাছে লকডাউন কার্যকর করার আবেদন জানিয়ে চলেছেন । কিন্তু তা সত্ত্বেও একাংশ নাগরিক  লগডাউন কার্যকর করার ব্যাপারে চরম উদাসীনতা দেখিয়ে চলেছেন।

লকডাউনের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার এবং তৃতীয় দিন বুধবার  বেলা পর্যন্ত জেলার বহু জায়গায় খোলা থাকে দোকান বাজার । মঙ্গলবার বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার  ভান্ডারডিহি বাজার , বর্ধমানের বড়নীলপুর সব্জিবাজার , জামালপুরের হাট ও বেশকিছু  দোকান বাজারে বহু মানুষ ভিড জমান ।লোকে লোকারন্য থাকে এই সব এলাকার বাজার হাট । একইভাবে  নাগরিকরা বর্ধমান শহর সহ জেলার অন্যান এলাকার সড়কপথেও স্বাভাবিক যাতায়াত শুরু করেদেন । জমায়েত না করার জন্য  প্রশাসনের তরফে  মাইকিং করে প্রচার চালানো হয় । কিন্তু তার পরেও  পরিস্থিতির বদল না হওয়ায় পুলিশ বাধ্য হয়ে  লাঠি উঁচিয়ে পথে নেমে বলপ্রয়োগ করে লকডাউন কার্যকর করার পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করতে বাধ্য হয়।

অপ্রত্যাশিত এমন পরিস্থিতিতে কিছু একটা  করে দেখানোর জন্য উদগ্রিব হয়ে পড়েন মসাগ্রাম স্টেশান বাজারে ওষুধের দোকানের কর্মচারী  সুকান্ত ঘোষ । করোনা ভাইরাসের  ভয়াবহতা ও লগডাউন নিয়ে  জনসাধারনকে সচেতন করতে তিনি অনবদ্য ভূমিকা পালনে সামিল হন । মারণ ভাইরাস করোনা সংক্রমন মোকাবিলায় জারিকরা  লকডাউন নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা জাগাতে তিনি নিজেই গান লিখে গানের শুর দিয়ে গাওয়া শুরু করে দিয়েছেন ।মঙ্গলবার  সকাল থেকে মসাগ্রাম স্টেশান বাজারে থাকা অমিত কুমার মল্লিকের ওষুধের দোকানে  যারাই ওষুধ কিনতে আসছেন তাদের সামনে সেই গান গেয়ে সুকান্ত ঘোষ  করোনা ভাইরার সংক্রমণ নিয়ে সচেতনতা জাগিয়ে  চলেন। পাশাপাশি পথ চলতি  সকল মানুষজনকে তিনি  লকডাউনে সামিল হবার  বার্তাও দিয়ে চলেন।
এদিনও এই কাজ চালিয়ে যান সুকান্ত ঘোষ ।

কী গান গাইলো সুকান্ত , দেখতে ক্লিক করুন লেখার উপর

সুকান্ত ঘোষের এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর  মজুমদার। তিনি বলেন ,করোনা সংক্রমণ এখন বিশ্ব  মহামারির আকার নিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে  করোনা সংক্রমণ রোখার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার যা কিছু গাইড লাইন বেঁধে দিয়েছে এবং সতর্কতা বার্তা দিয়েছে  তার সবটাই গানের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন সুকান্ত বাবু । ওনার গান শুনে নাগরিকরা সতর্কতা অবলম্বনে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। লগডাউনে যারা অংশ নিচ্ছেন  আখেরে তারাই উপকৃত হবেন । কঠিন এই পরিস্থিতিতে প্রকৃত অর্থেই সমাজের স্বার্থে সুকান্ত বাবু অনবদ্য ভূমিকা নিয়েছেন বলে বিডিও এদিন মন্তব্য করেছেন। মসাগ্রাম এলাকার বাসিন্দারা বাসিন্দারাও জানালেন তাঁরা সুকান্ত ঘোষের গান শুনে উপলব্ধি করেছেন লগডাউন অমান্য করা যাবে না । তাই তারা অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে আর না বের হবার  সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ।


দোলের দিন সাতসকালে মন্দির থেকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বাবা মহাদেবকে পাঁচ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার করলো পুলিশ ও র‍্যাফ বাহিনী।

No comments

Monday, March 9, 2020


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- দোলের দিন সাতসকালেই সুপ্রাচীন মন্দির থেকে নিখোঁজ হয়েযান বাবা মহাদেব। এই ঘটনা জানাজানি হতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের সাতগেছিয়ার রুঘুনাথবাটি গ্রামে। বাবা মহাদেবের খোঁজ পেতে পুজারী অরুন বন্দ্যোপাধ্যায় ও মন্দিরের মালিক হারাধন ঘোষ মেমারি থানার দ্বারস্থ হন। দ্রুত নিখোঁজ মহাদেবক উদ্ধারের জন্য তৎপর হয়ে ওঠেন এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান , সিআই শামল চক্রবর্তি ও  মেমারি থানার ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় । বাবা মহাদেবের  খোঁজে বিশাল পুলিশ ও  র‍্যাফ বাহিনী সঙ্গেনিয়ে  পুলিশ কর্তারা সমগ্র রঘুনাথবাটি এলাকা জুড়ে শুরু করেদেন খানা তল্লাশী চালানো । তল্লাশী  চালাতেই দেখা মেলে বাবা মহাদেবের । 
এদিন তল্লাশী চালাতে চালাতে মন্দির থেকে প্রায় হাফ কিমি দূরে একটি খড়ের গাদার কাছে ।ওই খড়ের গাদার ফাঁক দিয়ে পথরের বস্তুর মত কিছু একটা চোখে পড়তেই   থমকে দাঁড়িয়ে পড়েন পুলিশ কর্তারা । খড়ের গাদায়  ঘেঁটে তল্লাশী চালাতেই সেখানেই  বাবা মহাদেবের হদিশ পান পুলিশ কর্তারা ।ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়  সেইখান থেকে বাবা মাহাদেবের পাথর মূর্তিটি নিজের কাঁধে  তুলেনেন। এরপর অন্য পুলিশ কর্তাদের সঙ্গেই  ওসি বাবা মহাদেবকে নিয়ে ঘোষ বাড়ির মন্দিরের উদ্দেশ্যে হাঁটা শুরু করেন । বাবা মহাদেবকে উদ্ধার করতে পেরে আনন্দে আত্মহারা হয়েপড়েন ওসি সুদীপ্ত বাবু। তিনি ঘোষ পরিবারের কর্তা  হারাধন ঘোষকে বলেন, ‘নতুন মন্দির গড়ে তুলে ঘটাকরে বাবা মহাদেবকে প্রিতিষ্ঠা করুন। গ্রামের সব লোককে  ভোগঅন্ন  খওয়াবেন। সব খরচ আমি দেব । ’ পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ হয়েযাবার পাঁচ ঘন্টার মধ্যে  বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বাবা মহাদেব  নিজের ঘরে ফেরার পর বাঁধ ভাঙা উচ্ছাসে ফেটে পড়েন রঘুনাথবাটি গ্রামের  বাসিন্দারা।খুশিতে  সবাইকে মুষ্টি মুখ করিয়ে এরপরেই দোল উৎসবে মাতোয়ারা হলেন রুঘুনাথবাটি গ্রামের বাসিন্দারা। 
হারাধন ঘোষ এদিন  বলেন ,এদিন সকাল ৬ টা নাগাদ পুজারী  অরুন বন্দ্যোপাধ্যায় মন্দিরে পুজো করতো যান । তখনই পুজারী দেখেন মন্দিরে  ৫০০ বছরের প্রাচীন  শিবলিঙ্গটি নেই । এরপরেই তিনি ও পুজারি সবিস্তার মেমারি থানায় জানান ।পুলিশের তৎপতায় দ্রুত বাবা  মহাদেবকে ফিরে পাওয়া  সম্ভব হল । হারাধন বাবু জানান ,তাঁরা বংশের সবাই মিলে পুরানো মন্দিরটি  সংস্কার করে নতুন মন্দির তৈরি করবেন । বাবা মহাদেবকে উদ্ধারকারী সকল পুলিশ কর্তাদের  সঙ্গে নিয়েই  নতুন মন্দিরে  ঘটাকরে ফের প্রতিষ্ঠা করবেন ৫০০ বছরের প্রাচীন শিবলঙ্গের প্রস্তর মূর্তিটি । 


মেমারিতে বিদ্যালয়ের জতুগৃহে বসেই পঠন পাঠন চালিয়ে যেতে হচ্ছে পড়ুয়া ও শিক্ষককে

No comments

Friday, March 6, 2020


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- বিদ্যালয় তৈরি হলেও পরিকাঠামোর কোন উন্নতি না হওয়ায় জতুগৃহে পরিণত হয়েছে শ্রেণীকক্ষ। গোটা বিদ্যালয় চালান একজন মাত্র অতিথি শিক্ষক । আতঙ্ক বুকে নিয়ে জতুগৃহে  বসেই নিত্যদিন  ক্লাস করতে হয় পড়ুয়াদের । তাও আবার এমনই শ্রেণীকক্ষ যার ব্ল্যাক বোর্ডের নিচে রাখা থাকে গ্যাস  সিলিন্ডার । আর শ্রেণীকক্ষের বাইরে দরজার মুখে  চলে গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে মিডডে মিলের  রান্না। কোন সরকারি বিদ্যালয় এমন হতে  পারে তা শুনে সবার  অবাক লাগাটাই স্বাভাবিক ।কিন্তু  বাস্তবেই এমন করুণ দশা তৈরি হয়েছে পূর্ব বর্ধমানের  মেমারির জনতা হিন্দি জুনিয়ার হাই স্কুলের। কবে জতুগৃহ দশা কাটিয়ে এই বিদ্যালয়টি স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে তার উত্তর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আজানাই রয়ে গিয়েছে । 


মেমারি পুরসভার কৃষ্ণবাজার এলাকায়  রয়েছে জনতা হিন্দি জুনিয়ার হাই স্কুল। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি । সেই থেকে এখনো পর্যন্ত  অনেক শ্রেণীকক্ষে জানালা থাকলেও নেই  কাঠের দরজা । ইটের দেওয়ালে পালেস্তারা বলেও কিছু নেই ।নেই  মিডডে মিল রান্নার নির্দিষ্ট ঘরও । বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র ষষ্ঠ থেকে অষ্টম পর্যন্ত পঠন পাঠন হয় । ৭০ জন পড়ুয়ার পঠন পাঠন এবং বিদ্যালয় পরিচালনার যাবতীয় দায়িত্ব সবকিছুই সামলান  একজন মাত্র শিক্ষক। তাও আবার অতিথি শিক্ষক । অভিযোগ ২০১৬  সাল থেকে  বিদ্যালয়ের এমনই অবস্থা হয়ে রয়েছে । পড়ুয়াদের  স্বার্থে এই অবস্থার পরিবর্তন চেয়ে   প্রশাসনের নানা মহলে দরবার করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও অবিভাবকরা। কিন্তু আজ অবধি কোন সুরাহার ব্যবস্থা  হয়নি । 
বিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক বালচাঁদ রাম জানিয়েছে , শিক্ষক ঘাটতির জন্য  পড়ুয়াদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ।তিনি ষষ্ঠ শ্রেণীতে ক্লাস  নিতে গেলে ঠায় বসে থাকতে হয় সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়াদের। দিনের পর দিন এমন অবস্থাই মেনেনিতে হচ্ছে । অতিথি শিক্ষক আরো বলেন ,তিনি একা  তিনটি শ্রেণীর  ৭০ জন পড়ুয়াকে  যথাযোগ্য ভাবে পাঠদান করে উঠতে পারছেন না। তাও যতটা সম্ভব  হিন্দিভাষী পড়ুয়াদের যথাযথ শিক্ষাদানের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অবিভাবকরা বলেন ,  ছেলে মেয়েদের  বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয় । এই অবস্থার কথা  এস.আই ছাড়াও  ডি.আই স্কুল এবং জেলাশাসক কে বহুবার জানানো হয়েছে  কিন্তু  সুরাহার কোন ব্যবস্থা  হয়নি ।এদিন বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণীকক্ষে  গিয়ে দেখাগেল শ্রেণিকক্ষের এক দিকে মুখকরে বসে রয়েছে সপ্তম শ্রেণীর পড়ুয়ারা ।

 
একই শ্রেণীকক্ষের অপর দিকে  মুখ করে  আবার বসে  রয়েছে অষ্টম  শ্রেণীর পড়ুয়ারা । অতিথি শিক্ষক একবার একদিকে গিয়ে সপ্তম শ্রেণীর ছেলে মেয়েদের পড়াচ্ছেন । তখন বসে থাকছে অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়ারা। এরপর আবার অন্য মুখে গিয়ে ওই  শিক্ষকই যখন অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়াদের পড়ানো শুরু করলেন তখন ঠাস  বসে থাকলো সপ্তম  শ্রেণীর পড়ুয়ারা । আরো দেখাযায় শ্রেণীকক্ষের  ব্ল্যাকবোর্ডের ঠিক নিচে রাখা রয়েছে গ্যাস  ভর্তি সিলিন্ডার । আর সেই সিলিন্ডারের উপরে ব্ল্যাকবোর্ডটি দাঁড় করিয়ে দেওয়ালে ঠেস দিয়ে রাখা হয়েছে । শ্রেণীক্ষের দরজার ফুটখানেক দূরত্বে গ্যাসের ওভেন জ্বালিয়ে রান্না করা হচ্ছে মিড ডে মিল ।শ্রেণীকক্ষের ভিতরেই ডাঁই  করে রাখা হয়েছে  মিড ডে মিলের যাবতীয় সামগ্রী । বছরের পর বছর  পরিকাঠামোর কোন উন্নতি না হওয়ায় কার্যত এমন জতুগৃহে বসেই পঠন পাঠন চালিয়ে যেতে বাধ্য হতেহচ্ছে  পড়ুয়াদের । তারা জানিয়েছে বিদ্যালয়ে এসে তাদের আতঙ্কের মধ্যেই থাকতে হয় । অন্যদিকে  মিডডে মিলের রাঁধুনিরাও এদিন স্বীকার করেনেন ,‘অঘটন যেকোন সময়েই ঘটেযেতে পারে । তবে যদি অঘটন ঘটে তবে তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে । 
বিদ্যালয়ের এমন অবস্থা প্রসঙ্গে মহকুমাশাসক (দক্ষিণ)সুদীপ ঘোষ জানিয়েছেন , বিদ্যালয়ের এমন অবস্থা কোনভাবেই প্রত্যাশিত নয় । স্কুল পরিদর্শকের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সামগ্রিক অবস্থার রিপোর্ট  নিয়ে  সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা  হবে । মেমারর বিধায়ক নার্গিস বেগম জানিয়েছেন , বিদ্যালয়ের  সমস্যা সমাধানের বিষটি নিয়ে  তিনি শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন । দ্রুত যাতে এই অবস্থার বদল ঘটানো যায় তার চেষ্টাও চালাবেন । 


মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর শ্লীলতাহানি - গ্রেফতার যুবক

No comments

Tuesday, February 25, 2020


বর্ধমান ( প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ) :- মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর শ্লীলতাহানি করার  অভিযোগে গ্রেপ্তার  হল এক যুবক। ধৃতের নাম প্রকাশ সিং।  পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার ঘোষগ্রামে তার বাড়ি। সোমবার রাতে মেমারি থানার পুলিশ  বাড়ি থেক তাকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমানের পকসো আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ৭ মার্চ ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন পকসো আদালতের বিচারক সৈয়দ নিয়াজউদ্দিন আজাদ।
পুলিস জানিয়েছে, ঘোষগ্রামেই ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর বাড়ি। সোমবার বিকাল ৪টে নাগাদ রাধাকান্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে সে বাড়ি ফিরছিল। পশ্চিমপাড়ায় একটি পুকুরের কাছে প্রকাশ তার শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। যুবক  মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে টানতে টানতে তার বাড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করে  মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী চিৎকার করলে যুবক  পালিয়ে যায়। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর মা ওইদিনই  যুবকের  বিরুদ্ধে ঘটনার কথা জানিয়ে মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ।শ্লীলতাহানি  ও পকসো অ্যাক্টের ৪ ধারায় মামলা রুজু করে পুলিস যুবককে গ্রেফতার করে ।



মেমারি হাসপাতালে সাফাই অভিযান

No comments

মেমারি ( সেখ সামসুদ্দিন ):- মেমারি ১ পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে সাফাই অভিযান চালানো হয়। এই কাজে সহযোগিতা করেন স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মী, ভিআরপি ও ভিসিডি কর্মীবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন মেমারি ১ বিডিও বিপুল কুমার মন্ডল, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বসন্ত রুইদাস, সহসভাপতি সেখ মোয়াজ্জেম, স্বাস্থ্য কর্মাধ‍্যক্ষ মৌসুমী মন্ডল, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ‍্যক্ষ রেনুকা মহন্ত, খাদ‍্য কর্মাধ‍্যক্ষ নমিতা কর, সদস‍্য তথা প্রাক্তন সহ সভাপতি মধুসূদন ভট্টাচার্য, সহ অন‍্যান‍্য সদস্য, ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মীবৃন্দ, হাসপাতালের বিএমওএইচ, সিস্টার সহ স্বাস্থ্যকর্মীবৃন্দ।
এদিন সকলেই হাতে গ্লাভস ও মুখে মাস্ক পড়ে ঝাঁটা, কাস্তে হাতে নিয়ে রীতিমত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করেন। প্লাস্টিক সহ সমস্ত বর্জ‍্য বস্তাবন্দী করে এক জায়গাই স্তুপ করে রাখা হয় এবং ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে ও স্প্রে করে এলাকার সুস্থ পরিবেশ অনেকটাই ফিরিয়ে আনা হয়। সভাপতি জানান ওগুলো  এক জায়গায় গর্ত করে মাটি চাপা দেওয়া হবে। এই কর্মসূচি মাঝে মধ‍্যেই নেয়া হবে।




অনলাইনে কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রতাড়কদের খপ্পরে পড়ে লক্ষ টাকা খোয়ালেন শিক্ষক

No comments

Wednesday, February 19, 2020


বর্ধমান ( প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ) :- নলাইনে কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক প্রাইভেট শিক্ষক। ঘটনাটি  ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের  মেমারিতে ।ঘটনার সবিস্তার উল্লেখ করে প্রতাড়িত শিক্ষক পল্লব শর্মা  মেমারি থানা ও ব্যাঙ্কে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন । পুলিশ অভিনব এই প্রতাড়নার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে । 
মেমারি পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নাগাপাড়ায়  বাড়ি পল্লব শর্মার। তিনি  জানিয়েছেন ,সপ্তাহ তিনেক আগে তাঁর বন্ধু অনলাইন শপিং সংস্থায় একটি ব্লুটুথ হেডফোনের অর্ডার দেন। ক্যাস অন ডেলিভারিতে ব্লুটুথ হেডফোন নেওয়ার পর সেটি  তাঁর পছন্দ হয়না ।
এরপর  অনলাইনের নিয়ম অনুযায়ী তিনি ব্লুটুথ হেডফোনটি ফেরত দেন।ওই অনলাইন সংস্থার লোক পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি  গত ১৩ ফেব্রুয়ারি তাঁর মোবাইল ফোন নম্বারে ফোন করেন। তিনি জানান, আমায়  অনলাইনে ৭৯৮ টাকা ফেরত দেওয়া হবে । তারজন্য ওই ব্যক্তি  তাঁর পেটিএমের একাউন্ট নম্বর ও ব্যাঙ্কের ডিটেইলস জানাতে বলেন । পল্লব বাবু বলেন ,পেটিএমের  তথ্য জানানোর  সময়েই  মুখ ফসকে তিনি ওটিপি নম্বর ওই ব্যক্তিকে বলে বসেন। পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি ফের ওই ব্যক্তি তাঁকে ফোন করে তাঁর মোবাইল ফোনো আসা এসএমএসটি তাঁকে ফরোয়ার্ড করার কথা বলেন ।
পল্লব বাবু জানান এরপরেই তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে তিন ধাপে মোট এক লক্ষ টাকা তুলে নেওয়া হয়।টাকা ফেরতের বদলে প্রতাড়করা পল্লব শর্মার লক্ষ টাকা হাতিয়ে  নেওয়ায় তিনি এখন যথেষ্ট বিপাকে পড়েগেছেন । মেমারি থানার পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে ।  প্রতাড়না কাণ্ডে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে । 




loading...
Don't Miss
© all rights reserved
By SDK IT SOLUTION