Showing posts with label galsi. Show all posts
Showing posts with label galsi. Show all posts

অসুস্থ দিনদরিদ্র হিন্দু বৃদ্ধার চিকিৎসার দায়ভার নিল একদল মুসলিম যুবক

No comments

Tuesday, March 3, 2020


বর্ধমান ( প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ) :- দিল্লির দাঙ্গার ঘটনা নিয়ে এখনও সমালোচনার ঝড় বইছে দেশ জুড়ে।ঠিক এমনই সময়েই সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তৈরি করলেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির মুসলিম যুবকরা । হিন্দু বিধবা বৃদ্ধা নেবি কর্মকারের চিকিৎসার  জন্য তারাই সর্বতভাবে সাহায্যে জন্য এগিয়ে গেলেন । অসুস্থ হিন্দু বৃদ্ধার চিকিৎসা করিয়ে তাকে সুস্থ করে তোলার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মুসলিম যুবকরা । সন্তানসম একদল মুসলিম যুবকই এখন বৃদ্ধার শেষ জীবনের ভরসা । 
গলসির পুরসা গ্রামটি মুসলিম অধ্যুসিত । এই গ্রামে হাতে গোনা দু'চার ঘর হিন্দু পরিবারের বসবাস রয়েছে। গ্রামেরই বৃদ্ধা নেবি কর্মকারের নিজের বাড়িঘর না থাকায় তিনি গ্রামের এক মুসলিম ব্যক্তির বাড়ির একপাশে বসাবস করেন। তাঁর একমাত্র ছেলে রাজু কর্মকার নব্বই শতাংশ প্রতিবন্ধী । বৌমা লক্ষী পরের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে কোনরকমে দিন গুজরান করে । প্রায় সত্তর উর্ধ্ব বৃদ্ধা নেবি কর্মকার  দীর্ঘদিন ধরে পেটের যন্ত্রনায় ভুগছেন। তিনি  নিজে কয়েকবার  চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে গিয়েছিলেন।কিন্তু অর্থের অভাব ও পাশে দাঁড়ানোর মত  কেউ  না থাকায় তিনি সঠিক ভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। পেটের অস্ত্রোপচারের খরচের ভয়েই দীর্ঘদিন তিনি   বাড়িতে পড়ে থেকে  অসহ্য পেটের যন্ত্র‌নায় কাতরাতেন । মঙ্গলবার  সকালে পেটের যন্ত্রনায় বৃদ্ধাকে চোখের জল ফেলে কাতরাতে দেখে  ব্যাথিত হন  গ্রামের যুবক সেখ লালন  ।এরপরেই লালন তাঁর বন্ধু সেখ কমল সহ কয়েকজনকে  সঙ্গে নিয়ে হিন্দু বৃদ্ধাকে হাসপাতালে নিয়েযান । চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশান  নিয়ে মুসলিম যুবকরাই সমস্ত ওষুধ কিনেদেন । লালন জানিয়েছেন , অসহায় বৃদ্ধা হিন্দু কি মুসলিম সেটা বড় কথা নয় । ধর্ম যার যাই হোক মানবতাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম ।আগামী দিনেও তারা মাতৃসম হিন্দু  বৃদ্ধার পাশে  থেকে সর্বত ভাবে সাহায্য সহযোগীতা করবেন । 

সরকারী সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে না পেরে ধর্নায় বসেছে গলসির গলিগ্রামের চাষীরা

No comments

Saturday, February 22, 2020


বর্ধমান ( প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ) :- প্রতিটি চাষী যাতে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে পারে সেই বিষয়টি সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।খবরের কাগজে,টেলিভিসনে বিজ্ঞাপন দিয়ে তার প্রচারও চালানো হয়েছিল।এতসব কিছুর পরেও সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির সূযোগ না মেলার অভিযোগ তুলেছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসি ১ ব্লকের গলিগ্রামের চাষীরা। সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রীর  ব্যবস্থা করেদেবার দাবিতে  শনিবার সকাল থেকে এলাকার রাইসমিলে গেটের সামনে ধর্নায় বসেছেন গলিগ্রামের কয়েক শো চাষী। আর চাষীরা ধর্নায় বসতেই বেকায়দায় পড়ে যাওয়া প্রশাসনের কর্তারা দ্রুত সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজার  চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন।যদিও চাষীদের সাফ জবাব মৌখিক আশ্বাসে আর চিড়ে ভিজবেনা। সরকারী সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে না পারা পর্যন্ত তারা ধর্না তুলবেন না  । 
ধর্নায় বসা গলিগ্রামের চাষী পুষ্পেন রায়, লবকুমার হুই, প্রসেনজিৎ ঘোষ প্রমুখরা বলেন , প্রতিটি চাষী যাতে সরকারী সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে পারে তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ প্রশাসনকে দিয়েছিলেন   মুখ্যমন্ত্রী।  কিন্তু তার পরেও  গলিগ্রামের অধিকাংশ  চাষী এলাকার তিনটি রাইসমিলের কোনটিতেও  সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করার সূযোগ  পাননি ।তাঁদের   বঞ্চিত করা হয়েছেন । ধান বিক্রীর জন্য সমবায় সমিতিতে নাম রেজিস্ট্রেশন করিয়ে  রেখেও  লাভ হয়নি । অপর চাষী রহিম মল্লিক,মইদুল চৌধুরী প্রমুখ বলেন,সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রী করতে না পেরে তারা গলসি ১ ব্লকের বিডিও এবং জেলা খাদ্য দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষন করেছিলেন । কিন্তু কোন তরফে  সুরাহার ব্যবস্থা করা হয়নি । প্রশাসনের কর্তারা নিশ্চুপ থেকে গেছেন । চাষীরা বলেন , এই পরিস্থিতিতে একান্ত নিরুপায় হয়েই তাঁরা ধর্নায় বসতে বাধ্য হয়েছেন।  সরকার কিংবা প্রশাসন তাঁদের ধান সরকারী সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রীর ব্যবস্থা করে নাদেওয়া পর্যন্ত তাঁরা ধর্না চালিয়ে যাবেন । 
গলসি ১ নম্বর ব্লকের  সমবায় পরিদর্শক অনির্বান হাজরা জানান, চাষিদের সমস্যার কথা তিনি জানতে পেরেছেন কয়েকদিন আগে। চাষিদের সুরাহা দিতে তিনি উচ্চ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। অনির্বান বাবু জানান, চাষিদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের  চেষ্টা তিনি  করবেন।



পুজোপাঠ ও হরিনাম সংকীর্তনের মধ্যদিয়ে মৃত হনুমানের শেষকৃত্য সম্পন্ন করলেন গোহগ্রামের বাসিন্দারা

No comments

বর্ধমান ( প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ) :- পামোর  হিন্দু কুল সংকট মোচনজী নামেই  তাঁর পুজোপাঠ করেন ।তিনি হলেন পবন পুত্র  হুনুমান ।শিব চতুর্দশী তিথি থাকা কালিন শনিবার সাত সকালে  পূর্ব বর্ধমানের গলসির গোহগ্রামে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে পূর্ণ বয়স্ক একটি হনুমান ।এই ঘটনা চাক্ষুষ করার পর যারপরনাই ব্যাথিত হয়েপড়েন গোহগ্রামের আপামোর  বাসিন্দা। মৃত  জেনেও তাঁরা হনুমানটির প্রতি ভক্তিভাবের কোন খামতি রাখলেন না। তাঁরাই ধর্মীয় উপাচার মেনে এদিন ফুল মালায়  সাজানো হনুমানটির  শবদেহ কাঁধেনিয়ে গোটা গ্রাম প্রদক্ষিণ করেন। এরপরে  হনুমানটির  শবদেহ নিয়েযাওয়া হয়   গ্রামের হরিনাম তলায় । সেখানে হনুমানটির দেহ শায়িত রেখে দীর্ঘ সময় ধরে হয়  পুজো পাঠ । 
একই সঙ্গে চলে  হরিনাম সংকীর্তন । গ্রামের মহিলা পুরুষ সকলেই সেই পুজোপাঠে  অংশ নেন । শেষে হরিনাম তালাতেই সমাধিস্থ করা হল  হনুমানটিকে। গ্রামবাসী মদন ঘোষ,সুজিত রায় প্রমুখ বলেন,শিব চতুর্দশীর তিথি থাকা কালীন সময়ে  গ্রামে পবন পুত্রের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কেউ মেনেনিতে পারেননি। সেকারণেই পুজোপাঠ ও হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে  হনুমানের পরলৌকিক কৃয়াকর্ম সম্পাদন শেষে তার  দেহ সমাধিস্থ করা হয়েছে।গ্রামবাসীদের ইচ্ছানুসারে আগামীদিনে হরিনাম তলাতেই সংকট মোচনজীর একটি সুন্দর মন্দির গড়েতোলা হবে । 



অবৈধ বালির কারবার রুখতে বালি বোঝাই লরি আটকেরেখে বিক্ষোভ দেখালো গলসির বাসিন্দারা

No comments

Friday, January 10, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান 

প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে রাতের  অন্ধকারে চলছে দামোদরে খাদান থেকে বালি লোড করে পাচার । বালি কারবারীদের এই দৌরাত্ব রুখতে বুধবার সকালে  পথে নামে  গলসির বাসিন্দারা । এদিন  ভোরে চার পাঁচটি  গ্রামের মানুষ শিল্লা পারাজ রোডের মসজিদ তলা মোড়ে বালি বোঝাই ৮টি লরির পথ আটকায় । “ বাসিন্দাদের অভিযোগ তোলেন ,“জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে অসাধু  বালি কারবারীরা গভীর রাতে  অবৈধ খাদানে  লরি নামিয়ে বালি লোড করাচ্ছে । সেই সব  বালি বোঝাই লরি ভোরের আলো ফোটার আগেই  বালিঘাট থেকে বার করেদেওয়া হচ্ছে । ” এমন  অভিযোগ এনে  গ্রামবাসীরা  বালি বোঝাই লরি গুলি আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে । দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে বিক্ষোভ দেখানো । পরে  অনেক বেলায়  গলসি ১ ব্লক  প্রসাসনের হস্তক্ষেপে  বিক্ষোভ মেটে । 


এদিনের বিক্ষোভে সামিল জাহাঙ্গীর সেখ , সেখ রবিউল প্রমুখরা  বলেন , গত ৩১ ডিসেম্বর গলসির শিকারপুরে গৃহস্থের  কুটিরে উপর  উল্টে পড়ে ওভারলোড বালি বোঝাই লরি। ঘুমন্ত অবস্থায়  বালি  চাপাপড়ে  দমবন্ধ হয়ে  মারাযান একই পরিবারের দুই শিশু সহ পাঁচ জন । এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর গলসির একাধীক অবৈধ বালিখাদান বন্ধের কড়া দেয়  জেলা প্রশাসন । তার পরেও দৌরাত্ব দেখিয়ে চলেছে অবৈধ বালি কারবারীরা । তারা রাতের অন্ধকারে  গলসির শিল্লাঘাটের অবৈধ খাদানে লরি নামিয়ে বালি লোড করাচ্ছে বালি কারবারীরা ।তাঁরা  ভোরের আলো ফোটার আগেই  সেই সব লরিগুলিকে খাদান থেকে পালানোর  পথ করে দিচ্ছে ।
জাহাঙ্গীর সেখ বলেন , ‘এমনটা চলতে থাকলে ফের গলসির শিকারপুরের মতো ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে ? এর উত্তর কেউ দিতে না পারাতেই রাতের অন্ধকারে চলা অবৈধ বালি কারবার  রুখতে তাঁরাই একযোগে পথে নেমেছেন । ’প্রশাসন অবৈধ বালির  কারবার রুখতে কড়া ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারী দিয়েছেন গলসির বাসিন্দারা । 

গলসি ১ ব্লকের ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক মিন্টু বালা  জানিয়েছেন , এদিন ৮ টি বালি বোঝাই  লরি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ।  জেলা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে অবৈধ বালি কারবার বন্ধে নজরদারি চালান হচ্ছে । কোনভাবেই অবৈধ বালি কারবার চলতে দেওয়া হবে না ।

গলসিতে গৃহস্তের বাড়িতে উল্টে পড়লো ওভারলোড বালি বোঝাই লরি । মৃত একই পরিবারের পাঁচ সদস্য।

No comments

Thursday, January 2, 2020

Overloaded-sand-lorri-accident-fuul-house-Galsi


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ,বর্ধমান 

ওভার লোড বালি বোঝাই লরি গৃহস্থের  বাড়িতে উল্টেপড়ায় মৃত্যু হল ঘুমন্ত অবস্থায় থাকি একই  পরিবারের পাঁচ সদস্যের। জখম হয়েছেন  ওই পরিবারের আরও এক সদস্য।  মঙ্গলবার  গভীর রাতে ভয়াবহ  এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির শিকারপুরে ।  মর্মান্তিক এই মৃত্যুর ঘটনার জরে বর্ষ শুরুর দিনে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গলসির  শিকারপুর এলাকা । বুধবার সকালে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করতে  গেলে পুলিশকে ঘিরেও শুরে হয় তুমুল বিক্ষোভ । পুলিশকে মৃতদেহ তুলতে না দিয়ে  উত্তেজিত জনতা এলাকার একাধিক বালিঘাটে চড়াও হয় । জনরোষ বালিঘাটে আছরেপড়ে । উত্তেজিত এলাকাবাসী  বালি ঘাটে থাকা  একাধীক ডাম্পার ,লরি ,ট্র্যাক্টার ,জেসিবি ও মোটর বাইকে আগুন ধরিয়েদেয় ।
Overloaded-sand-lorri-accident-fuul-house-Galsi
আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বালিঘাটের অফিসেও। উত্তেজনার কারণে আশান্তি  এদিন  দুপুর পর্যন্ত পুরোমাত্রায় অব্যাহত থাকে । জনরোষ নিয়ন্ত্রণে আনতে  বিকাল ৪টে নাগাদ  বিশাল পুলিশ ও র‍্যাফ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছায় । লাঠিচার্য করে পুলিশ উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করেদিয়ে  মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে । মৃতদেহ উদ্ধারে  বাধাদেবার ঘটনায়  জড়িত বেশ কয়েকজনকে পুলিশ আটক করেছে । এদিনই মৃতদেহ গুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়  বর্ধমান  হাসপাতাল পুলিশ মর্গে । উত্তেজনা থাকায় এলাকায়  জারি রয়েছে পুলিশ টহল । ঘাতক লরি ও তার চালককে আটক  করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ।
Overloaded-sand-lorri-accident-fuul-house-Galsi
 পুলিশ ও স্থানীয়  সূত্রে  জানাগেছে  মৃতদের নাম  বাপি মন্ডল (৩৬), দোলন মন্ডল(২৭),  নন্দিনি মন্ডল(৮),  আবির মন্ডল (২) ও  সুচিত্রা মালিক (৫০)।বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জখম  ব্যক্তির নাম  শ্রীকান্ত মালিক । স্থানীয়রা জানিয়েছেন , মৃত ও জখমরা সকলেই একই পরিবারের  সদস্য । দোলন ও বাপি সম্পর্কে  সুচিত্রার  মেয়ে জামাই । এই দম্পতিরই মেয়ে নন্দিনি ও ছেলে আবির । জখম শ্রীকান্ত হলেন সুচিত্রাদেবীর ছেলে ।
Overloaded-sand-lorri-accident-fuul-house-Galsi
 শিকারপুর এলাকার বাসিন্দা মিলন মণ্ডল, তারক চট্টোপাধ্যায় ,নিমাইচন্দ্র ঘোষ প্রমুখরা জানিয়েছেন ,প্রতিনিয়ত  ওভারলোড বালির লরি যাতায়াতের কারণে  শিকারপুর থেকে গলসি যাবার রাস্তাটি যাতায়াতের অযোগ্য  হয়ে পড়েছে । শিকারপুরের ওই রাস্তার ধারে  ছিটেবেড়ার  ঘরে দিনদরিদ্র  সুচিত্রাদেবী ও তার পরিবার সদস্যরা থাকতেন ।মঙ্গলবার  মধ্যরাতে ওই ঘরে পরিবারে সদস্যরা অঘোরে ঘুমাচ্ছিলেন । আকন্ঠ মদপান করে মধ্যরাতে ওই বেহাল  রাস্তাদিয়ে ওভারলোভ বালি বোঝাই  লরি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল চালক । তিনি লরির নিয়ন্ত্রন সামলাতে ব্যর্থ হন । বালি বোঝাই লরি রাস্তাথেকে সজোরে গিয়ে উল্টেপড়ে ওই গৃহস্থের বাড়িতে । 

লরিতে মজুত থাকা বালির নিচে  চাপা পড়েযান ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা পরিবার সদস্যরা । খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বালি চাপা পড়াথাকা পরিবার সদস্যদের উদ্ধার কাজ শুরু করে ।তারইমধ্যে  দমবন্ধ হয়েগিয়ে  মৃত্যু  হয় পরিবারের পাঁচ সদস্যের । কোনরকমে পুলিশ  জখম অবস্থায় পরিবারের   একজনকে উদ্ধার করে বর্ধমান হাসপাতালে পাঠায় । মর্মান্তিক এই মৃত্যুর ঘটনা জানাজানি হতেই  বুধবার সকালথেকে শিকারপুর এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়েওঠে । অবৈধ বালিখাদান বন্ধ করার পাশাপাশি ওভারলোড  বালি বোঝাই লরি ও ডাম্পার চলাচল  নিয়ন্ত্রণের দাবিতে সরব হন এলাকাবাসী । এই অবস্থার মধ্যে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে  বিজেপির লোকজনও ঘটনাস্থলে পৌছে বিক্ষোভ অবরোধ শুরু করেদেয় ।  পাল্টা আশরে নামে শাসক দলের লোকজন ।

তানিয়ে দুপক্ষের মধ্যে  তুমুল গোলযোগ অশান্তি বেঁধেযায় ।  রমন শর্মা নামে  এক বিজেপি নেতাকে  রাস্তায় ফেলে  শুরু হয়েযায়  মারধোর । পুলিশ কোন রকমে পরিস্থিতি সামালদিয়ে দুপক্ষকে সরিয়েদেয় । উত্তেজনা থাকায় পুলিশ এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছে।  স্থানীয় নিমাইচন্দ্র ঘোষ বলেন , ৩১ডিসেম্বর  থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত বালিঘাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ । বালি বোঝাই  লরিগুলি বালি ঘাটেই আটকে  ছিল ।  সেই সব বালি বোঝাই লরি কার নির্দেশে  বালিঘাট থেকে ছাড়া হল সেই প্রশ্ন তুলেছেন নিমাই বাবু। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগে  বলেন , গলসির  বালিঘাট গুলিতে এখন অবাধে মদ বিক্রী চলছে । ঘাতক লরির চালক সেখানেই আকন্ঠ মদ্যপান করেন । চালক মদ্যপ থাকি  সত্ত্বেও তাঁকে লরিনিয়ে  বের হতে দেওয়াতেই ঘটেছে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা । অবৈধ বালিখাদান বন্ধ ও ওভারলোড বালি পরিবহন বন্ধে পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নানিলে বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হবে বলে এলকাবাসী হুঁশিয়ারী দিয়েছেন । 


জেলার পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় বলেন,পুলিশ এদিন  অনেক ধৈর্য দেখিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে ।আট জনকে আটক করা হয়েছে জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানিয়েছেন,গলসির ঘটনার সবিস্তার  মুখ্যসচিবকে জানানো হয়েছে ।পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে ।ওই বালিখাদান থেকে বালি তোলা সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করেদেওয়া হবে ।

মাতৃসম দিন দুঃখীনি হিন্দু মহিলার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সম্পাদন করালেন দুই মুসলিম যুবক

No comments

Sunday, December 29, 2019

Two-Muslim-youths-perform-Hindu-woman-tribute-galsi

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ,বর্ধমান

দিন দুঃখিনী  হিন্দু মহিলা সরস্বতী দাসের  মৃতদেহ সৎকারের সব দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে  তুলেনিয়েছিল দুই মুসলিম যুবক। শনিবার সেই হিন্দু মহিলার পরলৌকিক কৃয়াকর্ম সম্পাদনের দায়িত্বও  আজিজুর রহমান ও লালন সেখ যথাযথ ভাবে পালন করলেন । এই মহতি কাজে  দুই যুবক পাশে পান তাঁদের পাতানো দিদি রুবি ঘোষকে । এদিন দুই মুসলিম যুবকের এমন নজিরবিহীন মানবিক কর্মকাণ্ডের  স্বাক্ষী থাকলেন পূর্ব  বর্ধমানের গলসির গলিগ্রামের সর্ব্বধর্ম সম্প্রদায়ের আপামোর বাসিন্দা ।
 গলসির গলিগ্রামের অত্যন্ত দিন দরিদ্র পরিবারের  বধূ ছিলেন সরস্বতী দাস । তাঁর প্রৌঢ় স্বামী ভৈরব দাস একসয়ে ঢেঁড়া পিটিয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েতের  প্রচারের কাজ করতেন।  বেশ কয়েক বছর আগে তাঁর সেই কাজ চলেযায় । এরপর থেকে ভৈরব বাবু কখনও মাঠের ঘাসকেটে বিক্রী করতেন।আবার কখনো ভিক্ষা করতেন । এই ভাবে  সারাদিনে যে ২০-৩০ টাকা রোজগার হত তা দিয়েই ভৈরব বাবু ও সরস্বতীদেবীর দিন গুজরান হত । গত ছয় মাস আগে মারণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হন সরস্বতী দেবী । চিকিৎসা করাতে নাপেরে  বাড়িতে শুয়ে যন্ত্রনায় আর্ত চিৎকার করে কাঁদতেন সরস্বতী দেবী । এই বিষয়টি জানতে পেরে  গ্রামেরই দুই মুসলিম  যুবক আজিজুর ও লালন নিজেদের সাধ্যমতো সরস্বতীদেবীর   চিকিৎসা ও অন্ন সংস্থানের ব্যবস্থা করেন।২৫ শে ডিসেম্বর সরস্বতীদেবী মারা যাবার পর তাঁর সৎকার্য সারার মতো আর্থিক সামর্থও পরিবারের ছিলনা ।
ওই দিনও হিন্দু মহিলার পরিবারের পাশে দাঁড়ান আজিজুর ও লালন।  হিন্দু মহিলার মৃতদেহ  নিজেদের  কাঁধে তুলে শ্বশানে নিয়েগিয়ে তাঁরা দুজনে সৎকার্য সম্পন্ন করান । এদিন হিন্দু রীতি মেনে  হওয়া  সরস্বতীদেবীর পরলৌকিক  কাজের  যাবতীয়  দায়িত্ব ও  ব্যায়ভার আজিজুর ও লালন নিজেদের কাঁধে তুলে নেয় ।  শ্রাদ্ধানুষ্ঠান  সহ মৃতার দেড় শতাধীক আত্মীয় পরিজনকে খায়ানো তাাঁরা   দুজনে দায়িত্ব  নিয়ে করালেন । মৃতার স্বামী ভৈরব দাস জানিয়েছেন , আজিজুর , লালন এবং তাঁদের পাতানো দিদি রুবি ঘোষ মিলে সমস্ত খরচ জুগিয়েছেন । শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে আসা সবাইকে তারা লুচি, মিষ্টি, ঘুগনী, সব্জি , চাটনি, পাপড়  খাইয়েছে । ভৈরব বাবু বলেন দেবতুল এই দুই মুসলিম যুবকের কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে ।  ওরা দুজন আবারও  প্রমান করেদিল  মানবতাই সবথেকে বড় ধর্ম । 

আরো পড়ুন - হিন্দু মহিলার মৃতদেহ কাঁধে তুলে শ্মশানে নিয়েগিয়ে সৎকার কার্য সারলেন, দুই মুসলিম যুবক

আজিজুর ও লালন এদিন বলেন ,আমরা এক অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে ।  কারণ  ধর্ম যার যাই হোক  মানবিকতাই সব থেকে বড় ধর্ম  । রুবি ঘোষ  বলেন ,আজিজের ও লালন ভাইয়ের সঙ্গে এই মহতি কাজে  অংশ নিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনেকরছি । এদিন সকালেই   কলকাতার বাড়িথেকে গলসির চলে এসে সরস্বতীদেবীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান কাজে রুবি ঘোহ হাত লাগান ।  আজিজুর জানিয়েছে , নিজের জন্মদিনের অনুষ্ঠান বাতিল করেদিয়ে তাঁর রুবি দিদি  জন্মদিন অনুষ্ঠান খরচ বাবাদ ধরা সমস্ত টাকা সরস্বতীদেবীর  শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে খরচ করেদিয়েছেন । গলসির গলিগ্রামের বাসিন্দারা বলেন , সরস্বতীদেবীকে অাঁকড়ে সত্যি এই বাংলায় সম্প্রতির এক নতুন দিগন্ত  উন্মোচিত হল । ছবি শ্রাদ্ধানেষ্ঠানে আসা অতিথিদের খাওয়াচ্ছে আজিজুর ও লালন ।

আগামী ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টির পূর্বাভাস গোটা রাজ্যে

No comments

Friday, December 27, 2019


In the next 24 hours, rain is forecast for the entire state .

দিনভর বৃষ্টিতে ভিজল দক্ষিণবঙ্গ সহ গোটা 
রাজ্যে । অঙ্কের হিসাবে তা ছিটেফোঁটা থেকে মিলিমিটারে না পৌঁছলেও কখনও টিপটিপ কখনও ঝিম ধরা বৃষ্টি হয়েছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আগামিকাল শুক্রবার দুই ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়বে কলকাতাতেও। তবে কোথাও ভারী বৃষ্টি হবে না। ছিটেফোঁটা বৃষ্টি চলবে। আগামী ২৪ ঘণ্টা এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে।

পশ্চিমি ঝঞ্ঝা এবং একটি উচ্চচাপ বলয়ের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার ছিল। আজ আবার সূর্যগ্রহণ ছিল। কলকাতা থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ বা সূর্যের খণ্ডগ্রাস দেখার সম্ভাবনা থাকলেও মেঘলা আবহাওয়ার তা স্পষ্ট ছিল না। বিকেল থেকে শহর কলকাতায় শুরু হয় ঝিরঝিরে বৃষ্টি। তার জেরে রাতের তাপমাত্রা নামবে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আলিপুরের আধিকারিকরা জানিয়েছন, যে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা এবং উচ্চচাপ বলয়ের জন্য উত্তুরে হাওয়া প্রবেশে বাধা পাচ্ছে।

In the next 24 hours, rain is forecast for the entire state .
এই পরিস্থিতি কেটে গিয়ে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করলেই আবার কড়া শীতের পরিস্থিতি তৈরি হবে। পারদ নামতে পারে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি। আগামী দু’-এক দিন সকালের দিকে কুয়াশা থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মহানগরের পাশাপাশি দিনের বিভিন্ন সময়ে হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, দুই ২৪ পরগনাতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝিরঝিরে বৃষ্টি হয়েছে। হাওয়া অফিসের রেকর্ড অনুযায়ী আসানসোলে ৯.৮, বাঁকুড়ায় ৫.৬, পানাগড়ে ২.০, পুরুলিয়ায় ২.০, শ্রীনিকেতনে ৩.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।


হিন্দু মহিলার মৃতদেহ কাঁধে তুলে শ্মশানে নিয়েগিয়ে সৎকার কার্য সারলেন, দুই মুসলিম যুবক

No comments

Wednesday, December 25, 2019




ধর্ম যার যাই  হোক ।সবথেকে বড়কথা মানুষ মানুষের জন্য , জীবন জীবনেরই জন্য।প্রভু  যীশুখ্রীষ্টের জন্মদিবসের দিনে সেই বাস্তবেরই স্বাক্ষী থাকলেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির গলিগ্রামের  বাসিন্দারা ।আর্থিক  সামর্থ  না থাকায় এদিন এলাকার এক হিন্দু মহিলার মৃতদেহ সৎকারে  নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছিল পরিবার । এই কথা কানে যেতেই ত্রাতা রুপে এগিয়ে আসেন গ্রামের দুই মুসলিম যুবক আজিজুর রহমান ও লালন সেখ। হিন্দু রীতি রেওয়াজকে মান্যতা দিয়ে তাঁরাই  সরস্বতী দাসের মৃতদেহ নিজেদের কাঁধে তুলে শ্মশানে গেলেন । সৎকারের সমস্ত খরচ বহন করার পাশাপাশি এই দুই মুসলিম সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে সরস্বতীদেবীর মৃতদেহ দাহকার্য সম্পূর্ণ করালেন  । দুই মুসলিম যুবকের এই মহানুভবতার প্রশংসা করেছেন আপামোর গলসিবাসী । 

গলসির গলিগ্রামের  এক হতদরিদ্র পরিবারের বধূ ছিলেন  সরস্বতীদেবী। তাঁর প্রৌঢ় স্বামী  ভৈরব দাস একসময়ে পঞ্চায়েতের হয়ে ঢেঁড়া পেটানোর কাজ করতেন । সেই কাজ অনেকদিন আগেই বন্ধ হয়েযায়।  এরপর  থেকে কোনদিন  তিন মাঠে ঘাষ কেটে বিক্রি করেন । আরার কখনো ভিক্ষা করেন  । এই ভাবে সারাদিনে যে দশ কুড়ি টাকা  উপার্জন হয়  তাদিয়েই ওই দম্পতির   দিনগুজরান হত । মাসছয় আগে  মারণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হন সরস্বতীদেবী । চিকিৎসা করাতে না পেরে রোগযন্ত্রনায় বাড়িতেই আর্ত চিৎকার করে কাঁদতে থাকতেন সরস্বতীদেবী ।
galsi-two-Muslim-youths-carry-dead-body-of-Hindu-woman-crematorium
মৃতার আত্মীয় অরুপ দাস বলেন , তাঁর জেঠিমার এই দুরাবস্থার কথা  জানার পরে আন্তরিক ভাবে  পাশে দাঁড়িয়েছিলেন গ্রামের মুসলিম যুবক আজিজুর।  অসুস্থ হিন্দু মহিলাকে সাহায্যের জন্য সে তাঁর পাতানো দিদি রুবি ঘোষ ও পুরসা গ্রাম নিবাসী  লালন শেখকেও পাশে পায় । তাঁরা সবাইমিলে দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে নিজেদের  সাধ্যমতো অসুস্থ সরস্বতীদেবীর জন্য খাবার , পোষাক ও ওষুধ  যুগিয়ে গিয়েছিলেন । এদিন সরস্বতীদেবীর মৃত্যুর পর আজিজুর ও লালন সেখ সৎকার কাজেও একই ভাবে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন । মৃতার স্বামী ভৈরব বাবু এদিন বলেন, আজিজুর ও লালন পাশে না দাঁড়ালে তিনি তাঁর স্ত্রীর মৃতদেহ সৎকার করতে পারাতনা । ওরা দুজনে সত্যি দেবতুল্য মানুষ । 

আজিজুর ও লালন এদিন বলেন , কোন তারিফ বা বাহবা কুড়ানোর জন্য নয় । নিজেদের উপলব্ধি থেকে বুঝেছি ধর্ম যার যাইহোক । আশল সতটা হল মানুষ মানুষের জন্য, জীবন  জীবনেরই জন্য ।এই বাস্তব সত্যকে মান্যতা দিয়েই  আমি আর লালন ওই  দিনদরিদ্র হিন্দু মহিলার পাশে থেকে সন্তানের মত দায়িত্ব পালন করেছি ।  গ্রামবাসীরা বলেন ,সরস্বতী দাসের ছেলে নেই। আজিজুর আর লালন দুইজন ছেলের মতো তাঁর  পাশে দাড়িয়েছিল । এদিন তাঁরা সরস্বতীদেবীর সৎকার কার্যের দায়িত্ব  নিজেধের কাঁধে তুলে নিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে  ভারতবর্ষে  হিন্দু ও  মুসলিমের  সম্প্রীতির ঐক্য আজও  অটুট রয়েছে । 
loading...
Don't Miss
© all rights reserved
By SDK IT SOLUTION