দক্ষিণবঙ্গ

লকডাউনকে বাংলা বন্ধ ধরেনিয়ে পূর্ব বর্ধমানের হাটে বাজারে ঢল নামলো মানুষের

Monday, March 23, 2020

/ by krishaksetu Bangla

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- রোনা সংক্রমন রুখতে  সোমবার বিকাল ৫ টা থেকে  রাজ্যে  শুরু হয়েছে ‘লকডাউন’। আগামী ৭ দিনের জন্য এই ‘লকডাউন’  চলবে বলে ঘোষনা করেছে রাজ্য সরকার ।কিন্তু লকডাউন আদতে কি সেটাই এখনও বুঝে উঠতে পারেন নি পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রত্যান্ত গ্রামের মানুষজন। তারা অতীতে রাজনৈতিক দলের ডাকা বন্ধের সঙ্গে  গুলিয়ে ফেলেছে লকডাউন কে ।
লকডাউনের আশল উদ্দেশ্য নিয়েই অন্ধকারে রয়েগেছেন জেলার প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষজন ।  তারা লকডাউন কে বন্ধ বলে  মনেকরে নেওয়ায়  তৈরি হওয়াতেই বিপত্তি ঘটেছে। ৭ দিন ধরে রাজ্যে  বন্ধ চলবে বলে ধরে নিয়ে সোমবার  সকালথেকেই  কাতারে কাতারে মানুষ গ্রামের পৌছাতে শুরু করেন হাটে বাজারে। যাদের বেশিরভাগের মুখে মাস্কতো  ছিলই না, হ্যান্ড স্যানিটাইজারের  ব্যবহার বিধি নিয়েও  তাঁরা   ওয়াকিবহাল নন। বাজার , হাট, মুদিখানা দোকান সর্বত্র এমন  মানুষজনের  ভিড় আটকানোটাই এখন প্রশাসনের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ।  করোনা সংক্রমন থেকে বাঁচতে যারা জনতা কার্ফু  সমর্থন করলেন তারাই আবার  লকডাউন ঘোষনা হবার পর এইভাবে হাটেবাজারে ভিড় জমানোয় উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল । যদিও ৭ দিনের লকডাউনে যে সব্জি , মুদিখানা কিংবা মাছের বাজার যে বন্ধ থাকবে না তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার ।এই বিষয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষের দাবি করেছেন সচেতন মানুষজন ।

জেলা শাসক বিজয় ভারতি এদিনও স্পষ্ট জানিয়েদেন , মারণ ব্যাধি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে  বাঁচতে সবাইকে  সচেতনতনা মানতে হবে ।লকডাউনের সঙ্গে যারা বন্ধের তুলনা করছেন তারা ভুল করছেন ।জরুরী ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য  সামগ্রী দোকান খোলা রাখার ব্যাপারে কোন বিধি নিষেধ আরোপ করেনি সরকার ।খুব জরুরী প্রয়োজন ছাড়া এই কটাদিন  জেলাবাসীকে  ঘরথেকে না বেরহবার আবেদন জানিয়েছেন । পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় এদিন ফের একবার স্পষ্ট করেদিয়েছেন , লকডাউনের কটাদিন কোথাও  সাত জনের বেশী মানুষকে  জমায়েত করে থাকতে দেওয়া হবে না।যারা বিধি নিষেধ মানবেন না তাদের আইনি শাস্তি ভোগ করতে হবে । 

Follow this link to join my WhatsApp group: https://chat.whatsapp.com/FYlbLvroXai8o0PBcfdA7N

No comments

Post a Comment

loading...
Don't Miss
© all rights reserved
By SDK IT SOLUTION