Showing posts with label Bhatar. Show all posts
Showing posts with label Bhatar. Show all posts

করোনা আতঙ্কের মাঝে একাধীক কুকুর ও কাকের মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভাতারে

No comments

Sunday, March 22, 2020


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- করোনা ভাইরাস আতঙ্কের  মাঝেই একাধীক 
কাক ও কুকুরের মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছরালো পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে ।রবিবার সকালে ভাতারের  বলগোনা বাজার এলাকায় মরে পড়ে থাকে ৮-১০ টি কুকুর  ও বেশ কয়েকটি কাক ।পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকটি কুকুরও এলাকায় ঝিমিয়ে পড়ে থাকে ।  জনতা কার্ফু চলার মাঝেই এই ঘটনা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার  বাসিন্দারা। তারা  মনেকরতে শুরু করেন করোনা সংক্রমণেই হয়তো কাক ও কুকুরের মৃত্যু  হয়েছে ।তারাই ঘটনার কথা ব্লকের বিডিও অফিস ও থানায় ফোন করে জানায় । দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন প্রাণী সম্পদ দপ্তরের কর্মী ও আধিকারিকরা । 

ভাতার ব্লকের বিডিও শুভ্র চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন , ঘটনার কথা জানার পরেই তিনি  প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আধিকারিককে খবর পাঠান। পরে ভাতার ব্লক প্রাণী সম্পদ দপ্তরের কর্মীরা ওই এলাকায় গিয়ে মৃত কুকুর ও কাকের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করেছেন।  ওই নমুনা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের ল্যাবরেটরিতে  পাঠানো হয়েছে । যদিও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আধীকারিক শঙ্খ ঘোষ জানিয়েছেন , কাক ও কুকুরের মৃত্যুর সঙ্গে করোনা ভাইরাসের কোন সম্পর্ক নেই ।বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।স্থানীয়দের সাহায্য নিয়ে মরা কাক ও কুকুর গুলি এদিনই জমিতেই গর্ত করে পুঁতে দেওয়া হয়েছে । 
বলগোনা বাজার এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, শনিবার কুকুর গুলি এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল । এদিন সকালে বলগোনা বাজার এলাকায়  ওই কুকুর গুলিকেই মরে পড়ে থাকতে  দেখাযায় । আশপাশে বেশকয়েকটি কাকও মরে পড়ে থাকে । বেশ কিছু কুকুরের আবার  মুখ থেকে লালা ঝড়ছে। মনেহয় ওই কুকুর গুলোও মরে যাবে। বলগোনা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আমজাদ শেখ বলেন, ‘কুকুর ও কাক কি কারণে  মরেছে তার  তদন্ত হচ্ছে।তবে যতই যাই হোক মনেহয়না এই ঘটনার সঙ্গে করোনার কোন সম্পর্ক আছে  । এলাকার বাসিন্দাকে আতঙ্কিত না হবার আবেদন করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান । 

করোনা ভাইরাস আতঙ্কের কারণে প্রশাসনের নির্দেশে পূর্ব বর্ধমান ছাড়তে হল ইতালির তিন মহিলাকে

No comments

Thursday, March 12, 2020


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস  আতঙ্ক।  ভারতেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। সেই আতঙ্কের জেরেই পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে ভিন রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হল ইতালির তিন মহিলাকে ।ভারতে  করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই  ৭৪ ছুঁয়েছে ।এমন আতঙ্কজনক পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার তিন ইতালিয় মহিলাকে ঘিরে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম ও ভাতারবাসী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে ।সেই  খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসেন পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস  পরে প্রশাসনের কর্তারা দ্রুত পৌছে যান ইতিলি থেকে আসা ওই মহিলাদের কাছে । বিদেশীনিদের পাসপোর্ট ,ভিসা এবং করোনা আক্রান্ত না হওয়া সংক্রান্ত ডাক্তারি ছাড়পত্র দেখার পরেও প্রশাসনিক কর্তারা কোন ঝুঁকি নিতে চান নি।  প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশে  স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অনুষ্ঠান না করেই ইতালি থেকে আসা তিন মহিলাকে শেষপর্যন্ত  রাঁচি ফিরে যেতে হয় । 
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে,ভারতে আসার কারণ  সম্পর্কে  তিন ইতালিয় মহিলার 
কাছে সবিস্তার জানতে চান পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা ।পুলিশকে  তারা জানান ২৭ ফেব্রুয়ারি  রাত ২ টো নাগাদ তিন বিদেশী মহিলা দমদম বিমান বন্দরে নামেন ।
সেখানে তাদের স্বাস্থ পরীক্ষা হয় । কিন্তু  করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হবার কোন লক্ষণ ধরা না পরায় তিন বিদেশী মহিলাকে বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় । দমদম  বিমানবন্দর থেকে তিন মহিলা সোজা চলেযান 
দুমকা ।সেখানে কয়েকদিন জনজাতিদের  বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ ঘেরে দেখে রাঁচিতে পৌছান । গত বুধবার বর্ধমানে একটি চার্চে এসে ওঠেন তিন বিদেশীনি ।একই বিষয়ক কর্মসূচিতে যোগদিতে এদিন তারা প্রথমে গুসকরায় যান । পরে  পৌছান   ভাতারের জামবুনি গ্রামে ।ভাতারের বিডিও শুভ্র চট্টোপাধ্যায় ও ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সংঘমিত্রা ভৌমিকের উপস্থিতিতে তিন বিদেশীনির স্বাস্থ পরীক্ষা হয় ।তাদের  পাসপোর্ট , ভিসা সহ অন্য ছাড়পত্রও প্রশাসনিক কর্তারা খতিয়ে দেখেন ।কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ব্লক প্রশাসনিক কর্তারা কোন ঝুঁকি নিতে চাননি । বিডিও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা ইতালির তিন মহিলাকে রাঁচি পাঠানোর ব্যবস্থা করেন ।

জেলার মুখ্য স্বাস্থ আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন ,বিদেশ থেকে যারাই জেলায় ফিরছেন তাঁদের উপর নজরদারি  চালানো হচ্ছে । ইতালির তিন মহিলার স্বাস্থ পরীক্ষা করা হয় । কিন্তে করোনা আক্রান্ত হবার কোন লক্ষণ মেলেনি । অযথা আতঙ্কিত হবার কিছু নেই ।  ওনারা রাঁচি ফিরে গেছেন । স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষে শর্মিষ্ঠা সিংহরায় বলেন, ”  করোনা ভাইরাস নিয়ে জনমানসে ব্যাপক আতঙ্ক  ছড়িয়েছে ।সেই আতঙ্কের কারণেই ইতালি থেকে আসা তিন মহিলাকে বিড়ম্বনায় পড়তে হল । 

দিল্লিতে রক্তের হোলি খেলেছে বলে বিজেপি এবছর আর হোলি খেলতে চইছে না - বললেন অনুব্রত মণ্ডল

No comments

Wednesday, March 4, 2020


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- করোনা ভাইরাস আতঙ্কে এবছর প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদি সহ গোটা বিজেপি দল দোল বা হোলি খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।বিজেপির এই সিদ্ধান্তেরই কঠোর সমালোচনা করলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের উদ্ধানপুরে দলীয় সভায় যোগদিয়ে অনুব্রত মণ্ডল বলেন ,‘দিল্লিতে রক্তের হোলি খেলে নিয়েছে বিজেপি । সেকারণে বিজেপি বসন্ত উৎসব করার আর দরকার আছে বলে মনে করছেনা ।  রক্তের হোলি খেলেছে বলেই বিজেপি আর আবির মাখতে রাজি নয় । ৭৫ জন মানুষকে ওরা মেরেদিল । আগুন ধরিয়ে দেওয়া  বাড়ি থেকে ও  ড্রেন থেকে  এখনও লাস বের হচ্ছে । এত মানুষের রক্তের হোলি খেলার পর বিজেপি আর কি করতে বসন্ত উৎসবের হোলি খেলবে। অনুব্রত মন্ডল বলেন ,সেকারণেই করোনা ভাইরাস আতঙ্কের দোহাই দিয়ে এবছর বিজেপি দোল বা হোলি না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । ’ যদিও অনুব্রতর এই যুক্তি অবান্তর বলে দাবি করেছে  বিজেপি নেতৃত্ব । 
কেতুগ্রামের জনসভা মঞ্চ থেকে অনুব্রত মণ্ডল 
দলের কর্মী ও সমর্থককের উদ্দেশ্যে বলেন , মনে রাখবেন বিজেপি একটা বিশ্বাস ঘাতকের দল ।  ওরা কোন মানুষের উপকার করেনা ।  শুধু দাঙ্গা বাঁধায় । এখন ওরা সারা দেশ জুড়ে
ঝগড়া অশান্তি বাঁধাতে চাইছে । ২০২১ সালে বিজেপি পয়সার খেলা চালাবে । পয়সা নিয়ে নেবেন কিন্তু মমতাকে  ভোট দেবেন । কারণ বাংলায় একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  সরকার থাকলেই সিএএ , এনআরসি করতে পারবেনা ।  মোদির কথায় বিশ্বাস করে বিজেপিকে ভোট দিলে সবথেকে ভুল করবেন । নিজেদের  বিপদ নিজেরাই  ডেকে আনবেন । জেনে রাখুন দিল্লিতে রক্তের হোলি খেলে  ওরা ৭৫ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। রক্তের হোলি খেলেছে বলে ওদের অবির বা রঙ আরো ভালো লাগবে না । সেকারণেই করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়ে হোলি খেলবেনা বলছে । সভায় উপস্থিত সকলকে অনুব্রত মণ্ডল বলেন , বিজেপির কারুর কথা বিশ্বাস করবেন না আর ওদের কথা শুনে অহেতুক করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বলে গুজব ও ছড়াবেন না । 
জেলা বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দি বলেন ,
আশলে করোনা ভাইরাসের প্রভাব বিশ্বজুড়ে কতটা পড়েছে  সেই সব নিয়ে কিছুই জানেন না অনুব্রত বাবু ।ভারতে এখনও পর্যন্ত  ২৮ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন। এই সব বিষয়ে জ্ঞানগম্য না থাকার কারণে অনুব্রত  বাবু অবান্তর কথাবার্তা বলছেন। রাজ্যের মানুষতো দূরের কথা ওনার কথা ওনার দলের লোকও বিশ্বাস করেন না। যারা দেশের সচেতন নাগরিক তারা খুব ভালো ভাবেই  জানেন বিজেপি এবছর দোল না খেলার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা কতটা যুক্তিসংগত । 




করোনা ভাইরাসের প্রভাবে, মুরগির সেল ভাতারে

No comments

Tuesday, March 3, 2020


ভাতার ( আমিরুল ইসলাম ) :- পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার বাজারে বিগত এক মাস ধরে মুরগির মাংস সেইভাবে বিক্রি নেই। আজ হঠাৎ করে মুরগির মাংসের সেল দিতে শুরু করে ভাতার বাজারের এক ব্যবসায়ী। গোটা মুরগি 55 টাকা কিলো ও কাটা মাংস 100 টাকা কিলো।
তাতেও বিক্রি ভালো হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসাদারা।
ব্যবসায়ী সুকান্ত দাস জানিয়েছেন, আমার এই কয়েক বছরের ব্যবসায় মুরগির দাম এইভাবে নেমে যায়নি ।এলাকায় গুজব ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস এর। কিন্তু আমাদের কাছে যে মুরগি আসছে একদম সতেজ মুরগি। মুরগি বিক্রি কমে যাওয়ায় কম্পানি কম দামে বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছেন আমাদের কে ।


কারণ মুরগির উৎপন্ন বেশি হচ্ছে কিন্তু বিক্রি নেই ।তাই একটি মুরগি সারাদিনে প্রচুর পরিমাণ খাবার খেয়ে নেয় সেই জন্য মুরগির দাম কমিয়ে সেল দিচ্ছি আজ।
মাইকিং ও পোস্টার লাগিয়ে মুরগির সেলের প্রচার করা হচ্ছে জোরকদমে ভাতার বাজারে ,তবু যেন করোনাভাইরাস এরা আতঙ্কে মানুষ মুরগির মাংস খাচ্ছেনা। কারণ এত কম দামে ও দোকানে সেভাবে ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে না । 

বাবার বাড়ি থেকে পণের অতিরিক্ত টাকা আনতে না চাওয়ায় বধূকে কুপিয়ে খুন -পলাতক স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি

No comments

Monday, March 2, 2020


বর্ধমান ( প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ) :- শ্বশুর বাড়ির চাপ সত্ত্বেও বিয়ের পণের অতিরিক্ত টাকা বাবার বাড়ি থেকে আনতে যেতে চায়নি বধূ।তার বদলা নিতে বধূকে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠলো স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে।চাঞ্চল্যকর এই  ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের মাহাত্তুবাপুর গ্রামে ।খুনের ধারায়  মামলা রুজু করে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ বধূ মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে । 
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে মৃত বধূর  নাম শাহ রেজিনা বেগম (৩১)। মাহাত্তুবাপুর গ্রামে বধূর  শ্বশুর বাড়ি।রবিবার রাতে শ্বশুরবাড়ির ঘরথেকে বধূর রক্তাত ও ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  ঘটনার পরথেকেই গা ঢাকা দিয়েছে বধূর স্বামী শাহ মিরাজ হোসেন,শ্বশুর শাহ এমারুল হোসেন ও শাশুড়ি কায়েমুন্নেসা বেগম।  সোমবার কাটোয়া হাসপাতাল পুলিশ মর্গে মৃত বধূর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। বধূর বাবার অভিযোগ জামাই , শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে তাঁর মেয়েকে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে খুন করেছে। 
দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারের তৎপরতা শুরু করেছে । 
ভাতার থানার কালটিকুরি গ্রামে বধূ রেজিনা বেগমের  বাবার বাড়ি।দশ বছর আগে মঙ্গলকোটের মাহাত্তুবাপুর গ্রামের যুবক শাহ মিরাজ হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় রেজিনার। তার ৭ বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান ও ৫ বছর  বয়সী ১ টি কন্যা সন্তান রয়েছে । বধূর বাবা সেখ রেজাউল হক জানিয়েছেন , তিনি তাঁর মেয়ের বিয়ে দেবার সময়ে শ্বশুর বাড়ির দাবি মত নগদ টাকা , সোনার গহনা আসবাব পত্র সবকিছু দিয়েছিলেন।বিয়ের পর বছর  খানেক রেজিনার সংসার জীবন ভালো ভাবেই কাটে। শ্বশুর বাড়িতে রেজিনার জীবন দুর্বিষহ
হয়ে ওঠে এরপর থেকে।রেজাউল হক বলেন ,
বাবার বাড়ি থেকে বিয়েতে কম পণ দিয়েছে বলে জামাই ,শ্বশুর ও শাশুড়ি রেজিনা বলতে শুরু করে।পরে তারা বাবার বড়ি থেকে অতিরিক্ত পণের টাকা আনার জন্য রেজিনার উপর চাপ সৃষ্টি করা শুরু করে । রেজাউল হক জানান , তিনি যথ সামান্য রোজগার পাতি করে সংসার চালান । তাসত্ত্বেও মেয়ের সুখের কথা ভেবে তিনি একাধিক বার মোটা আঙ্কের  টাকা মেয়ের হাতে দিয়ে  শ্বশুর বাড়ি পাঠিয়েছেন । জামাই সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন রবিবার ফের বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য  রেজিনার উপর চাপ সৃষ্টি করেচলে।রেজাউল হকের অভিযোগ  ,সেই  দাবি না  মানায় জামাই ,শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজিনাকে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে  খুন করেছে । মঙ্গলকোট থানার পুলিশ জানিয়েছে ,তদন্ত শুরু হয়েছে । অভিযুক্তদের খোঁজ চালানো হচ্ছে । 


প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে আসা যুবকে প্রাণে মারার চেষ্টা ও মাথার চুল কেটে নেবার অভিযোগে গ্রেফতার ৬ অভিযুক্ত

No comments

Sunday, February 23, 2020


 বর্ধমান ( প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ) :- প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে আসা যুবকে মারধোর করে মাথার চুল কেটে দেবার অভিযোগে গ্রেফতার হল ছয় অভিযুক্ত । শনিবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের গ্রেফতার করেছে । পুলিশ সূত্রে জানাগেছে ধৃতদের নাম শেখ সেলিম ,আমির আলি,শেখ সাবির আলি ,ফিরোজ মোল্লা ,শেখ লালচাঁদ ও হায়দর আলি । ধৃতদের সকলেরই বাড়ি ভাতারের পাটনা গ্রামে । মারধোর ও খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে।ভারপ্রাপ্ত সিজেএম সোমনাথ দাস ধৃতদের জামিন নামাঞ্জুর করে বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন । 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে , অত্যাচারিত যুবকের নাম রজব শেখ । তার বাড়ি কাটোয়া থানার রাজুয়া গ্রামে । ভাতারের পাটনা গ্রাম নিবাসী মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী এক বালিকার সঙ্গে যুবকের ভাব ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে । কিছুদিন আগে বালিকা ওই যুবকের বাড়িতে চলে গিয়েছিল । এই বিষয়টি মেনেনিতে না পেরে বালিকার পরিবারের লোকজন ভাতার থানায় বিষয়টি জানায় । পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধারকরে পরিবারের হাতে তুলেদেয় । এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে গত শনিবার রজব তাঁর প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে পাটনা গ্রামে পৌছায় । স্থানীয় এরুয়ার হাইস্কুলের সামনে দাৎড়িয়ে তারা গল্প করছিল । অভিযোগ সেই সময়ে বাইকে চেপে অভিযুক্তরা সেখানে পৌছায় । তারা রজবকে মারধোর করে সেখান থেকে বাইকে চাপিয়ে নিয়ে নিত্যানন্দপুর পঞ্চায়েত অফিসের কাছে নিয়েযায় । সেখানে তাকে ফের মারধোর করে । গলা টিপে রজব কে মেরে ফেলারও চেষ্টা হয়। এরপর ওই জায়গাতেই অভিযুক্তরা জোরপূর্বক রজবের মাথার চুল বিশ্রি ভাবে কেটে দেয় । খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ সেখানে পৌছে রজব কে উদ্ধার করে ভাতার হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়েযায় । রজবের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শনিবার রাতে ছয় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে । 


এদিকে এই গ্রেফতারির প্রতিবাদে ওই রাতেই এলাকার উত্তেজিত জনতা বর্ধমান - কাটোয়া রোডে ভাতারের বলগোনা মোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে । পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীরা ধৃতদের ছেড়ে দেবার দাবি জানানো শুরু করে । পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছালে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলেনেয় । এই ঘটনা পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ধারায় পৃথক একটি মামলা রুজু করে অভিযুক্তদের খোঁজ চালাচ্ছে ।


প্রাতঃভ্রমনে বেরিয়ে গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হল ভাতারের বাসিন্দার

No comments

Thursday, February 20, 2020


বর্ধমান ( প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ) :- বেপরোয়া ভাবে চলা গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হল প্রাতঃভ্রমণে বের হওয়া এক ব্যক্তির ।  বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের  ভাতারের দেওরাডাঙ্গাই এলাকায় ।  মৃত ব্যক্তির  নাম  সমাপ্ত ঠাকুর (৫১)। দেওরাডাঙ্গা গ্রামেই তাঁর বাড়ি । এই ঘটনা সামনে আসার পর এদিন সকালেই এলাকায় ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে । খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে  মৃতদেহ উদ্ধার করে । এদিনই মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় বর্ধমান হাসপাতাল পুলিশ মর্গে। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ঘাতক গাড়ির খোঁজ শুরু করেছে । 
পুলিশ  ও স্থানীয় সূত্রে  জানাগেছে , অন্যান দিনের মতো এদিনও ভোরে  সমাপ্ত ঠাকুর প্রাতঃভ্রমণে  বেরিয়েছিলেন। ওই  সময়ে বলগোনা -গুসকরা  রোড ধরে  বেপরোয়া ভাবে চলা একটি গাড়ি তাঁকে সজোরে ধাক্কা মেরে পালায় । ঘটনাস্তলেই তাঁর মৃত্যু হয় । দিনের আলো ফুটতে এলাকার লোকজন রাস্তা থেকে কিছুটা দূরে সমাপ্ত ঠাকুরের  মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এই ঘটনা সামনে আসার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। তারা পুলিশের কাছে বেপরোয়া যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন  । 




ধান জমিতে থেকে মানুষের পায়ের কাটা অংশ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য আউশগ্রামে

No comments

Sunday, February 16, 2020


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ১৬ ফেব্রুয়ারি  : ফাঁকা ধান জমিতে পড়েছিল মানুষের পায়ের কাটা  অংশ । এই ঘটনা জানাজানি হতেই  রবিবার সকাল থেকে  ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে  পূর্ব বর্ধমানের  আউসগ্রামে।খবর পেয়ে  
আউশগ্রাম থানার পুলিশ জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে পৌছে  ধানজমিতে পড়ে থাকা মানুষের পায়ের কাটা অংশ উদ্ধার করে । কাটা পা কিভাবে জমিতে এল তার তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে । 


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, আউশগ্রামের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দারা এদিন সকালে তাঁদের জমি দেখতে যান। তখনই তাঁরা ফাঁকা  ধান জমিতে পড়ে থাকতে দেখেন কোন মানুষের পায়ের গোড়ালির নিচ  কাটা অংশ । এলাকার বাসিন্দা  আনাদ দফাদার   বলেন , গ্রামের একটি পুকুরের অদূরে থাকা  ধান জমিতে ওই পায়ের অংশ পড়ে ছিল। তা দেখতে পাবার পরেই স্থানীয়রা  আউশগ্রাম থানায় খবর দেয় ।  

পুলিশ  ঘটনাস্থলে পৌছে পায়ের কাটা অংশটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। আউশগ্রাম থানার এক  পুলিশ অফিসার বলেন ,প্রাথমিক তদন্তে  জানাগেছে সপ্তাহ খানেক আগে বর্ধমান রামপুরহাট লুপলাইনের ভেদিয়ার কাছে এক মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়।ট্রেনে কাটা পড়েযাওয়া ওই মহিলার  মৃতদেহ  বর্ধমান জিআরপি উদ্ধার করে । 

কিন্তু ওই দিন জিআরপি মৃত মহিলার পায়ের কাটা অংশ খুঁজে পায় নি।এদিন  রেল লাইন থেকে আনুমানিক ৫০০ মিটার দূরে মানুষের একটি  পায়ের  কাটা অংশ  পাওয়া গেছে। প্রথমিক তদন্তে মনেকরা হচ্ছে উদ্ধার হওয়া পায়ের কাটা অংশ ওই  মহিলারই  হতেপারে  । 



চলন্ত ট্রেনে ধোঁয়া ঘিরে আগুন আতঙ্ক ছড়ালো কালনায়

No comments

Saturday, February 15, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ১৫ ফেব্রুয়ারি 

চলন্ত ট্রেনের কামরা থেকে ধোঁয়া বেরহতে শুরু করায় আগুন ধরেযাবার  আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়েপড়েন যাত্রীরা ।শনিবার দুপুরে ঘটনাাটি ঘটেছে পূর্ব রেলের হাওড়া - কাটোয়া  লোকালে । ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের কালনা স্টেশানে দাঁড়াতেই আতঙ্কিত যাত্রীরা হুড়মুড়িয়ে ট্রেন থেকে নেমে ছুটোছুটি শুরু করেদেন। এই পরিস্থিতি দেখেই ট্রেনের সামনে ছুটেযান আরপিএফ আধিকারিকরা। 

খবর পেয়ে স্টেশান আধিকারিকরাও সেখানে পৌছান । ট্রেন দাঁড় করিয়ে রেখে শুরু হয় ধোঁয়ার উৎস খোঁজা । কিছু সময় পরেই জানাযায় ট্রেনের কামরায়  আগুন লাগেনি ।  কালনা জিআরপি ওসি সুজিত হালদার জানিয়েছেন , ব্রেক বাইন্ডিং এর কারনে ধোঁয়া বেরহচ্ছিল । সেই ধোঁয়া  দেখেই যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন । যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ট্রেনটি ফের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় । 


শিকলের বাঁধনে থেকেই শৈশব কাটছে কেতুগ্রামের নাবালিকা মাম্পির

No comments

Tuesday, February 4, 2020




প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ৪ ফেব্রুয়ারি 

“আমি আর কাউকে কামড়াবোনা। কাউকে  খামচাবোনা ।খুলে দাও  আমার পায়ে বেঁধে রাখা শিকল । আমি স্কুলে যাবো। “এই  আকুতি  শিকলের বাঁধনে শৈশব জীবন কাটানো পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের কেউগুড়ি গ্রামের  নাবালিকা মাম্পি খাতুনের । মেয়ে ফের যাদি কাউকে খামচে দেয় কিংবা কামড়ে দেয় তাহলে  গ্রামবাসীরা আর ছেড়ে কথা বলবেনা।তাই নাবালিকা মেয়ের শত আকুতি উপেক্ষা করেই গ্রামবাসীদের নিদান মেনে তাঁর পায়ে শিকল জড়িয়ে তালা চাবির বাঁধন দিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছেন বাবা -মা। শিকলে বাঁধা শৈশব জীবন থেকে  আদৌ মুক্তি মিলবেকিনা তার উত্তর অবশ্য নাবালিকার কাছে অজানাই রয়েগেছে । 


কেতুগ্রাম ২  ব্লকের শিতাহাটি পঞ্চায়েতের কেউগুড়ি গ্রামে বসবাস নাবালিকার পরিবাবের । বাবা মিরাজ সেখ দিন মজুরের কাজ করেন। মা সাবিনা বিবি সংসার সামলানোর পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজও করেন। অ্যাজবেস্টার্স চালার দু’কুটুরি ঘরে মেয়ে মাম্পিকে  নিয়ে তাঁরা  থাকেন। মঙ্গলবার  
মিরাজ সেখের বাড়িতে পৌছে দেখাগেল বাড়ির একটি ঘরে পায়ে শিকল ও  তালাচাবি বাঁধা অবস্থায় বসে রয়েছে  মাম্পি খাতুন । কেন মাপ্পিকে  শিকলের বাঁধনে বেঁধে রাখা হয়েছে ? এই প্রশ্ন শুনে মাপ্পি নিজেই  বলেওঠে 
 “আমি দুষ্টমি করিবলে  রেগেগিয়ে গ্রামের সবাই বাড়িতে এসে বলে গেছে আমাকে বেঁধে রাখতে । তাই মা আমার পায়ে শিকলের বাঁধন দিয়ে রাখে । এর জন্য আমার কষ্ট হয় । মাম্পি আরো বলে , আমার  স্কুল যেতে ইচ্ছা করে। আমি আর  কাউকে খামচাবোনা, কামড়াবোনা । আমার পায়ের শিকল খুলে দিলে আমিও  স্কুল যাব। ”


মেয়ে মাম্পি  এমন আকুতির কথা শোনালেও  মা সাবিনা বিবি ও বাবা মিরাজ সেখ অবশ্য তাঁদের  অসহায়তার কথাই শোনালেন  ।তাঁরা  বলেন ,“মাম্পি আমাদের একমাত্র সন্তান ।  কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আমাদের একমাত্র মেয়ে মানসিক  ভাবে সুস্থ নয় । বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল  এবং  কলকাতার হাসপাতালে মেয়ের চিকিৎসা করিয়ে ছিলেন ।পরে  বহরমপুরে  মেয়েকে নিয়েগিয়েও এক চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করান ।কিন্তু  টাকা পয়সা আর জোগাড় করতে না পারায় পরবর্তি সময়ে মাম্পির আর চিকিৎসা করাতে পারেননি । তবুও মেয়েকে  গ্রামের প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি করিয়েছিলেন । সেখানে শিক্ষকরা মাপ্পিকে  আগলে রাখতেন । প্রাথমিকের পাঠ সম্পূর্ণ করার পর ভয়ে মাম্পিকে আর হাই স্কুলে ভর্তি করেন নি ।  কারণ  মানসিক ভাবে অসুস্থ মাম্পি কখনও  কারুর বাচ্চাকে খামচে দিয়ে আবার কারুর বাচ্চাকে কামড়ে দিয়ে আহত করত । কোন কোন সময়ে আবার ঘরথেকে বেরিয়ে  মাম্পি দূরগামী বাসে চড়ে বসছিল । এই সবের কারণে গ্রামের সবাই রেগে খাপ্পা হয়েযায় । তারা স্পষ্ট জানিয়েদেই মাম্পির এই আচরণ তাঁরা আর বরদাস্ত করবেনা ।  গ্রামবাসীদের নিদান মেনেই প্রায় দু’বছর ধরে ঘরেতেই পায়ে শিকল তালাচাবি দিয়ে মাম্পিকে বেঁধে রাখতে হচ্ছে ।”


মাত্র ১২ বছর বয়সী নাবালিকা মাম্পির এই করুণ পরিণতি প্রসঙ্গে প্রতিবেশী মোমিনা বিবি বলেন, ‘দুঃখ জনক ঘটনা । কোন মা-ই চান না তাঁর একমাত্র সন্তানকে শিকলের বাঁধনে বেঁধে রাখতে । কিন্তু অন্যের সন্তানকে কামড়ে , খামচে দেয় বলে সবাই মাম্পির প্রতি রেগে খাপ্পা হয়েগেছে । তাই ওর  বাবা- মা নিরুপায় হয়েই ওর পায়ে শিকলের বাঁধন পরিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছে ।  মোমিনা খাতুন বলেন সরকার কিংবা প্রশাসন মাম্পির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেদিলে হয়তো মাম্পি সুস্থ হয়ে আবার  স্কুল যেতে পারবে ।  মোমিনা বিবির মতোই গ্রামের অন্য মহিলারাও চাইছেন প্রশাসন অসহায় নাবালিকার পাশে দাঁড়াক । ’


কেতুগ্রাম ২ ব্লকের বিডিও অরিজিত দাস জানিয়েছেন ,’বুধবার আমি নাবালিকার বাড়িতে যাব । নাবালিকা ও তাঁর বাবা মায়ের  সঙ্গে কাছথেকে  সবিস্তার জেনে কাটোয়ার মহকুমা শাসকের সঙ্গে কথা বলেন । মহকুমা শাসকের পরামর্শ মেনে নাবালিকাকে বাঁধন মুক্ত করে তাঁর  চিকিৎসার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে । ’



    

হোটেলের স্টোর রুম থেকে উদ্ধার আটদিন নিখোঁজ থাকা নাবালকের পচা গলা দেহ

No comments

Thursday, January 23, 2020




প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ২৩ জানুয়ারি 


হোটেলের  স্টোর রুম থেকে উদ্ধার হল আট দিন নিখোঁজ থাকা নাবালকের পচাগলা মৃতদেহ।  এই ঘটনা জানাজানি হতেই বৃহস্পতিবার  ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের  নাদনঘাট থানার তুলসীডাঙ্গা গ্রামে । মৃতর নাম রাকেশ মোদক  (১৬)।  তাঁর বাড়ি 

নাদনঘাটের ভাতশালা গ্রামে । হোটেলের লোকজনই রাকেশকে খুন করেছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন মৃতর পরিবার ।  তদন্তে নেমে নাদনঘাট থানার পুলিশ হোটেল মালিক পবন দেবনাথ ও তাঁর সহযোগী নিতাই রায়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে । 

 পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানাগেছে , দিন দরিদ্র পরিবারের নাবালক ছেলে রাকেশ গত কুড়ি দিন আগে হোটেলে কাজে যোগ দেয় । 

গত ১৪ জানুয়ারি থেকে রাকেশ আর বাড়ি ফেরেনি ।  পরিবারের লোকজন  কোথাও তার   খোঁজ না পেয়ে নাদনঘাট ও পূর্বস্থলী থানার দ্বারস্থ হয় । মৃতর অত্মীয়রা  বলেন,


পুলিশ রাকেশ কে উদ্ধারের বিষয়ে কোন হেলদোল দেখায়নি । তারই মধ্যে এদিন দুপুরে  ওই হোটেল থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরহলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয় । নাদনঘাট থানার পুলিশ  ওই হেটেলের বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি চালানো শুরু করে ।  তল্লাশি চালানোর  সময়ে হোটেলের স্টোররুম  থেকে উদ্ধার হয়  নাবালকের পচাগলা মৃতদেহ । মৃতর মা রিঙ্কু মোদক ও বাবা বিকাশ মোদক তাঁদের ছেলের  মৃত্যুর জন্য হোটেল মালিক ও তাঁর সহযোগীদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তোলেন । হোটেল মালিক ও তার সহযোগীরা  মিলে রাকেশকে খুন করে হোটেলের ঘরে দেহ লুকিয়ে রেখেছিল  বলে মৃতর বাবা পুলিশের 

কাছে অভিযোগ করেন  । 

এই অভিযোগ পেয়েই পুলিশ হোটেল মালিক পবন দেবনাথ ও তার সহযোগী নিতাই রায়কে আটক করে । এলাকাবাসী পুলিশকে অভিযোগে  বলেন , রাতে এই হোটেল কাম রেস্টুরেন্টে  অসাধু 

ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে ।

 ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে নাবালকের মৃত্যুর কারন জানাযাবে । হোটেলের  দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে । 

 



আন্তরাজ্য একটি গ্যাংএর দুই পান্ডাকে গ্রেপ্তার করল বর্ধমান জেলা পুলিশ

No comments

Tuesday, January 21, 2020




পূর্ব বর্ধমান:- বর্ধমান শহর জুড়ে একের পর এক সোনার গহনা চুরি এবং কেপমারীর ঘটনায় আন্তরাজ্য  একটি গ্যাংএর দুই পান্ডাকে গ্রেপ্তার করল বর্ধমান জেলা পুলিশ। মংগলবার বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, গত ডিসেম্বর থেকে পরপর বেশ কয়েকটি সোনার গহনা কেপমারীর ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধীরা ভুয়ো পুলিশের পরিচয় দিয়ে এই কাজ করে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্তে নেমে বর্ধমান জেলা পুলিশ মধ্য প্রদেশের বুরহানপুর থেকে দুই যুবককে গ্রেপ্তার  করে।




 ধৃতদের নাম মহসিন খান ওরফে বাকড় এবং রজনীকান্ত জয়সওয়াল। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, অপরাধীরা একটি গাড়িতে মধ্যপ্রদেশ থেকে এখানে আসত। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে তারা পশ্চিম বর্ধমানের রাণীগঞ্জ এলাকায় কোনো হোটেল ভাড়া নিয়ে থাকত এবং সেখান থেকে মোটর বাইক নিয়ে তারা অপরাধ সংঘটিত করে আবার ফিরে যেত। তিনি জানিয়েছেন, পরপর এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে।


 বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ধৃতদের ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটিও। মোটর বাইকের সন্ধান সহ চুরি যাওয়া মাল উদ্ধার এবং এই ঘটনায় আর কারা জড়িত তা জানতে ধৃতদের পুলিশী হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে বর্ধমান আদালতে।এদিনই ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।



মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ভাতারে

No comments

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের মাহাচান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুরুম্বা গ্রামে আজ সকালে প্রাইমারি বিদ্যালয় এর কাছে একটি 65 বছরের বৃদ্ধার মৃতদেহ দেখতে পাই গ্রামবাসী।
এরপর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।

স্থানীয় মানুষজন ভাতা থানায় খবর দিলে ভাতার থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ওই মহিলা পরিচয় জানা যায়নি। কিভাবে ,কোথা থেকে ওই মহিলা ওই গ্রামে গিয়ে মরণ সে বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

গ্রামবাসী জানিয়েছেন ওই মহিলা বেশ কয়েকদিন ধরে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। দেখে মনে হচ্ছিল মানসিক ভারসাম্যহীন। কোথায় বাড়ি তা জানা যায়নি।


বিজেপির ভাতার 34 নম্বর মণ্ডলের সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো

No comments

Monday, December 30, 2019



আমিরুল ইসলামের (ভাতার)


ভাতারে যে বিজেপির তিনটি মন্ডল রয়েছে সেই তিনটি মন্ডলের নতুন মন্ডল সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।34 নম্বর মণ্ডলের নতুন সভাপতি হলো সুচিস্মিতা হাটি,আজ তিনি মন্ডলের সমস্ত সদস্যদের নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করলেন ভাতার বাজারের উৎসব বিয়ে বাড়িতে।উদ্দেশ্য বিজেপির সংগঠনকে আরো জোরদার করা।

34 নম্বর এর নতুন মন্ডল সভাপতি সুচিস্মিতা হাটি জানান আমি নতুন সভাপতি নির্বাচন হওয়ার পর এই প্রথম সাংগঠনিক বৈঠক হলো। উদ্দেশ্য আমাদের কর্মীদেরকে আরো উজ্জীবিত করা। কারণ আমাদের কর্মীদের ওপর মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেয়া হচ্ছে, তাতে করে কর্মীরা ভেঙে পড়ছে ।কর্মীদের মনে সাহস যোগাতে এই সাংগঠনিক বৈঠক।এই সাংগঠনিক বৈঠকে উপস্থিত আছেন ভাতারের বিজেপির অন্যতম নেতা মহেন্দ্রনাথ কোঁয়ার,
34 নম্বর মন্ডলের সভাপতি সুচিস্মিতা হাটি ,33 নম্বর মণ্ডলের সভাপতি রাজকুমার হাজরা ,32 নম্বর মণ্ডলের সভাপতি প্রশান্ত মাঝি ,ও 34 মন্ডলের প্রাক্তন সভাপতি সঞ্চিত ঘোষ।আজকের এই বৈঠকের পর কর্মীরা আরও সাহস পাবে বলে দাবি বিজেপির। থেকে রিপোর্ট।


loading...
Don't Miss
© all rights reserved
By SDK IT SOLUTION