Showing posts with label Kolkata. Show all posts
Showing posts with label Kolkata. Show all posts

করোনা ভাইরাস নিয়ে লেখা এক কবিতা দেখেনিন এক ক্লিকে

No comments

Thursday, March 26, 2020


করোনা ভাইরাসের কবলে সারা বিশ্ব।মুক্তি পায়নি ভারতবাসীও।এই কঠিন পরিস্থিতির স্বীকার সধারণ মানুষ।প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে লকডাউনও জারি রয়েছে।নচিকেতা চক্রবর্তীর কথায় "পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে,স্যাটেলাইট আর কেবলের হাতে ড্রয়িং রুমে রাখা বোকা বাক্সতে বন্দী।" হ্যাঁ ঠিক এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সারা পৃথিবী জুড়ে।যদি সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে হয় তবে ঘরবন্দী হয়েই থাকতে হবে।এই উদ্দেশ্যকে কার্যকরী করার লক্ষ্যে কলকাতা ৩৩ এর ৫৪/১০A দেশপ্রান শাসমল রোডের শিক্ষাভিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিপ্রা মন্ডল লিখলেন একটি কবিতা।


      একতাই   বল

    ভয়  পেয়ো  না  বঙ্গবাসী 
           সাহস  রাখো  মনে ,  
  একজোটে  আজ  লড়ব  মোরা 
        করোনা  ভাইরাসের  সনে । 
   ছাড়ব  নাতো  কাউকে  মোরা 
                  ধরব   কষে   হাল, 
   কেমন  করে  টলায়  দেখি ..
               করে  বেসামাল ? 
   বেরোবোনা  বাইরে   কেউ
            থাকব  সবাই  ঘরে ,
  সদাই  মোরা  সচেতন  থেকে 
        হাত  ধোবো  বারে  বারে ..
  বাড়িতে  কাউকে  ডাকব না আর 
                 যাব  না  কারো  ঘরে  , 
  লড়াই   করে  ভাইরাস   দেখি 
                জেতে   কেমন   করে ! 
  একটি   কথা   সবার  তরে 
                 শোন   দিয়ে   মন ..
  নিজের   মতো  চোলোনা  কেউ 
                বেরিয়ো না   এখন । 
   এই   কথাটি  মনে    রেখো  
                      একতাই    বল , 
  ভাঙতে  বাধ্য   হবেই   শত্রু 
                 যতই   হোক   অটল !  
   যদি    থাকো   এ   সঙ্কটে  
                    একসাথে  সকলে..
দেখবে  শান্ত  হবে  ধরা
              ভরবে ফুলে - ফলে।।

চাল ও আলু বিতরণের ক্ষেত্রে নজির গড়লো কলকাতার দেশপ্রান রোডের শিক্ষাভিত প্রাথমিক বিদ্যালয়

No comments

Monday, March 23, 2020



কৃষ্ণ সাহা ( কলকাতা ) :-  চাল ও আলু বিতরণের ক্ষেত্রে এইবার নজির গড়লো কলকাতা ৩৩ এর ৫৪/১০A দেশপ্রান শাসমল রোডের শিক্ষাভিত প্রাথমিক বিদ্যালয়।
প্রধানমন্ত্রীর কারফিউ জারির পর লকডাউন ঘোষণা।কি খাবে সাধারণ মানুষ? বারংবার উঠেছে এই প্রশ্ন।তার জন্যই মুদিখান,মাছ মাংস সহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান  খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাড়ীর বাইরে বেরোনো নিষিদ্ধ।জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত রাস্তায় বেরোলে জেল জরিমানার  মুখে পড়তে হবে। তবু বাঁচাতে হবেই এই মারণ ভাইরাসের কবল থেকে। তাই এমন উদ্যোগ।
রাজ্য সরকারের নির্দেশে প্রাইমারি এবং উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের চাল বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাভিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সংযুক্তা রায়।প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রী পিছু দু কেজি চাল ও দু কেজি করে আলু বিতরণ করার কথায় ধার্য করা হয়েছে।প্রথম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত ছাত্রছাত্রী পাবে এই পরিষেবা।চাল ও আলু বিতরনকালে উপস্থিত ছিলেন উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সহ শিক্ষক শিক্ষিকারা। হাতে হাত মিলিয়েছেন তারাও।


ভারতে COVID 19 এ আক্রান্তের সংখ্যা চারশো ছাড়িয়েছে।মৃত্যুও হয়েছে বেশ কিছু জনের।অন্যান্য দেশগুলিতে এর প্রভাব আরও বেশি।হসপিটাল নার্সিংহোম গুলিতে বেশি সংখ্যায় ডাক্তার নার্স নিয়োগ করা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের নির্দেশানুসারে,বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।গৃহবন্দী থেকেও যাতে তাদের সুস্থ জীবনযাপনে কোনো বিঘ্ন না ঘটে তার জন্যই এমন ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগেও সতর্কতামূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন রাজ্য সরকার সহ কেন্দ্রীয় সরকার।তারই মধ্যে বিনামূল্যে রেশন ও ছাত্রছাত্রীদের  চাল আলু বিতরনের বিষয়টি বিশেষ ভাবে নজর কাড়ে।

তাপস পালের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মহিষাদল রাজপরিবার

No comments

Wednesday, February 19, 2020


তুহিন শুভ্র আগুয়ান; মহিষাদলঃ- মঙ্গলবার ভোররাতে প্রয়াত হয়েছেন প্রখ্যাত অভিনেতা তাপস পাল। তার এই মৃত্যুতে এখন শোকস্তব্ধ সকল সিনেমা প্রেমী মানুষজন। আর এর মাঝেই তাপস পালের মৃত্যুর খবর মহিষাদল রাজবাড়িতে পৌঁছতেই নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে তাপস পালের একাধিক মুহূর্তের সাক্ষী রয়েছে মহিষাদল রাজবাড়ি। তিনি বেশ কয়েকটি সিনেমার শুটিংও করেছেন এখান থেকে। আর তাই সামনে থেকে দেখা প্রিয় এই অভিনেতার মৃত্যুর খবর মহিষাদলে পৌঁছাতেই স্তব্ধ সকলে।

উল্লেখ, ২০১২ সালে রাজীব কুমার বিশ্বাস পরিচালিত বাংলা সিনেমা খোকা ৪২০ এর বেশ কিছু অংশ শুটিং হয়েছিল মহিষাদল রাজবাড়িতে। যে সিনেমায় বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন বিখ্যাত এই অভিনেতা তাপস পাল। আর তাই তিনি শ্যুটিং করতে এসেছিলেন মহিষাদল রাজবাড়িতে। শুটিং চলাকালীন বেশ কয়েকদিন তিনি স্থানীয় মহিষাদলের বহু মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। যার ফলে রয়ে গেছে স্মৃতি। ২০১২ সালের শেষের দিকে তাপস পাল অভিনীত এই বাংলা ছবির বেশ কিছু অংশের শুটিং হয় মহিষাদলে।
সেই সময় তিনি প্রায় এক সপ্তাহ এখানে এসে থেকে ছিলেন। মহিষাদলের বহু মানুষের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন। তাপসবাবুর সরল সাদাসিধে মনোভাবের জন্য এখন মুগ্ধ সেইসব মানুষও। শুটিংয়ের সময় বহু দূর-দূরান্ত থেকে রাজবাড়ী চত্বরে অভিনেতাদের দেখার জন্য ভিড় জমতো। তবে এই ভিড়ে বিরক্ত না হয়েও শুটিংয়ের ফাঁকে কিছু সময় ওইসব মানুষদের সঙ্গে সময় কাটাতেন তাপসবাবু। এমনকি মহিষাদলের বেশকয়েকজন মানুষ এখানে তাপসবাবুর সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগও পেয়েছেন। তারা আজ সকালে তাপসবাবুর এইরূপ অকাল প্রয়াণের কথা জানতে পেরে শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন।
মহিষাদল রাজবাড়ি দেখভাল করেন স্থানীয় স্বপন চক্রবর্তী। তিনিও শুটিংয়ের সময় একাধিকবার তাপসবাবুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে এদিন সকালে এরূপ শোক সংবাদ শুনে তিনি জানান, "উনি খুব ভালো মনের মানুষ ছিলেন। আমি নিজে উনাকে সামনাসামনি প্রত‍্যক্ষ করেছি। কিছুতেই মনে হচ্ছে না যে উনি আর নেই।"
তাপসবাবুর এই সিনেমার মহিষাদলে শুটিং হওয়ার সময় একটি চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলেন মহিষাদলের বাসিন্দা পাপিয়া গুমট‍্যা। তিনি জানান, "উনি যখন মহিষাদলে এসেছিলেন তখন একবার আমি উনার সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলাম। আজ সকালে উনার মৃত্যুর খবর আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারছিনা।" 





রেল লাইনের ধারথেকে উদ্ধার নিখোঁজ ব্যক্তির রক্তাত মৃতদেহ

No comments

Sunday, February 16, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ১৬ ফেব্রুয়ারি 

নিখোঁজ  ব্যক্তির রক্তাত মৃতদেহ উদ্ধার হল রেল লাইনের ধার থেকে। এই ঘটনা ঘিরে রবিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে  পূর্ব বর্ধমানের  মেমারির  বাগিলা এলাকায় । হাওড়া-বর্ধমান মেইন শাখার বাগিলা স্টেশানের অদূরে রেল লাইনের একপাশে পড়ে ছিল  মৃত ব্যক্তির রক্তাত দেহ ।  
অপর পাশে পড়েছিল একটি ব্যাগ এবং তেল সাবান সহ অন্য সামগ্রী । এমনটা দেখেই স্থানীয়রা খবর দেয়  মেমারি থানায় । খবর পেয়ে  মেমারি থানার পুলিশ প্রথম ঘটনাস্থলে পৌছায় । পরে দুপুরে ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়  আরপিএফ । মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর পাশাপাশি শুরু হয়েছে মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত । 


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, মৃত ব্যক্তির নাম মনোরঞ্জন মণ্ডল । আনুমানিক বছর ৫৫ বয়সী এই ব্যক্তির বাড়ি বাগিলার ডিভিসি পড়ায় । তিনি হুগলীর সিমলাগড়ে একটি প্লাস্টিক কারখানায়  কাজ করতেন । মৃতর ছেলে শ্রীনিবাস মণ্ডল  জানিয়েছে,তিনিও কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। বাগিলার  বাড়িতে তাঁর মা ও বাবা থাকতেন । শ্রীনিবাস জানান ,প্রতিদিন  সকালে বাগিলি থেকে ট্রেনে চড়ে তাঁর বাবা সিমলাগড়ে কাজে যেতেন । কর্মস্থলে যাবার যান্য শনিবারও একই সময়ে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ।  কিন্তু রাতে তাঁর বাবা আর বাড়ি ফেরেনি । সেই কথা তাঁর মা এদিন বেলায়  তাকে  ফোনকরে জানান । 

 শ্রীনিবাস বলেন , এই খবর পেয়েই বেলায় তিনি বাগিলার বাড়িতে ফিরে আসেন ।  তার পরেই তিনি জানতে পারেন গরু চরাতে বেরিয়ে স্থানীয় কয়েকজন  বাগিলা রেল স্টেশানের অদূরে দেখতে পায়  রেল লাইনের ধারে একটি মৃতদেহ পড়ে রয়েছে  । সেই খবর পেয়ে তিনি সেখানে পৌছে  দেখেন রেল লাইনের ধারে তাঁর বাবারই মৃতদেহ পড়েরয়েছে । রক্তাত ছিল তাঁর বাবার মাথার অংশ । এই মৃত্যু প্রসঙ্গে  শ্রীনিবাস বলেন , তাঁর এবং তঁদের পরিবারের সঙ্গে কারুর শত্রুতা নেই । বাবার মৃত্যু দুর্ঘটনার কারণে হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন । মৃতর প্রতিবেশী তরুণ সরকারূ বলেন , হয়তো কোন ভাবে চলন্ত  ট্রেন থেকে পড়ে গিয়েছিলেন  মনোরঞ্জন মণ্ডল । তখন  মথায় গুরুতর আঘাত লাগার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে ।  পুলিশি তদন্তে মৃত্যুর সঠিক কারণ সামনে আসবে বলে মৃতর পরিবার পরিজন ও প্রতিবেশিরা মনেকরছেন । মেমারি থানার পুলিশ জানিয়েছে , দুর্ঘটনার কারণেই এই মৃত্যু বলে প্রাথমিক ভাবে মনেকরা হচ্ছে ।  ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে  মৃত্যুর পরিস্কার হয়ে যাবে । 






সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষকে মানবিক কর্মকাণ্ডে সামিল হবার বার্তা দিতে রক্তদান শিবির

No comments


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ১৬ ফেব্রুয়ারি 

ধর্ম যার যাই হোক শ্রেষ্ঠ ধর্ম  মানবতা।এই বার্তাকে পাথেয় করে অনুষ্ঠিত হল রক্তদান শিবির ।  পূর্ব বর্ধমানের  জামালপুরের  পর্বতপুর অগ্রদূত ক্লাব রবিবার এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে । 
রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন  জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির  সভাপতি মেহেমুদ খান। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল  ব্ল্যাড ব্যাঙ্কের চিকিৎসক ও স্বাস্থ কর্মীরা রক্ত সংগ্রহ করেন । ক্লাব সভাপতি প্রণবেশ ঘোষ বলেন, মানবিক কর্মকাণ্ডে সামিল হতেই তাঁদের  ক্লাবের তরফে  এদিন রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয় ।  
সেই রক্তদান শিবিরে ৪০ জন স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেছেন । পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন , সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষ মানবিক কর্মকাণ্ডে সমিল হবেন এটাই কাম্য হওয়া উচিৎ । সেই বার্তাকে সামনে রেখে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে দৃষ্টান্ত গড়েছে  অগ্রদূত ক্লাবের সদস্যরা। 




মন্তেশ্বরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত ১০ - গ্রেফতার ৭

No comments

Saturday, February 15, 2020




প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ১৫ ফেব্রুয়ারি 

টেন্ডার পাস করানিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে শুক্রবার বিকালথেকে উত্তপ্ত হয়েওঠে পূর্ব বর্ধমানের  মন্তেশ্বর ।এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের দশ জন আহত হন। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনার পরেই মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ওই রাতেই শুরু করে ধরপাকড়  অভিযান । পুলিশ  সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত  ৭ জনকে গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায়  মামলা রুজু করে 
পুলিশ শনিবার সকল ধৃতকে কালনা মহকুমা আদালতে পেশ করে হেপাজতে নেবার আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের তিনদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন । 


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে ,,মন্তেশ্বরের পানবড়েয়া এলাকায় রয়েছে শুশুনীয়া পঞ্চায়েত অফিস ।এলাকায়  নতুন ঢালাই রাস্তা ও বেশ কিছু উন্নয়ন  কাজ করার   পরিকল্পনা নেয় পঞ্চায়েত । শুক্রবার পঞ্চায়েত অফিসে  সেইসব কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া  শুরু হয় ।টেন্ডার বক্স খোলার আগে এলাকার দুই তৃণমূল নেতা নাসিরুদ্দিন খান ও তন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর  লোকজন  জড়ো হয়  পঞ্চায়েতের অফিসের বাইরে । টেন্ডার বক্স ওপেন হতেই কাজ পাওয়া ও না পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লোকজন বিবাদে জড়িয়ে পড়ে । অনিয়ম করে টেন্ডার পাস করানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে দু-পক্ষের  মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি ও পরে ব্যাপক সংঘর্ষ বেঁধেযায় । সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনার পর পুলিশ পঞ্চায়েতের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে । রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করে ।   



বাড়ি কিনে বিপাকে এক মহিলা

No comments

Thursday, February 13, 2020

পর্ণশ্রী থানার রামকৃষ্ণ সরণীতে বাড়ি কিনে বিপাকে এক মহিলা। পঞ্চাশোর্ধ ওই মহিলার নাম গীতা বৈরাগী। গত নভেম্বর মাসে তিনি বাড়িওয়ালা কৃষ্ণকান্ত হাজরার কাছ থেকে প্রায় 5 লক্ষ টাকার বিনিময় বাড়ির একাংশের দুটি ঘর কিনে নেন। এর কিছুদিন পর বাড়িওয়ালা কৃষ্ণকান্ত হাজরা মারা যান। উপযুক্ত নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও পাড়ার স্থানীয়  রামকৃষ্ণ পল্লী ক্লাব এর বেশ কয়েকজন বল পূর্বক ওই ঘরে তালা মেরে দেন। অভিযোগ অভিযুক্তরা স্থানীয় 129 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সংহিতা দাস এর স্বামী স্থানীয় তৃণমূল নেতা অঞ্জন দাসের অনুগামী বলে পরিচিত। এই ঘটনায় ওই মহিলা অঞ্জন দাস এবং  পুলিশের কাছে বারবার অভিযোগ জানালেও কোন সুরাহা হয়নি, উপরন্তু দিনের পর দিন তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ, হেনস্থা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। অথচ বাড়ির মালিকের অন্যান্য ওয়ারিশরা জানান যে বাড়ির মালিক কৃষ্ণকান্ত হাজরা গীতা দেবী কেই বাড়ির ওই দুটি ঘর উপযুক্ত নথিসহ হস্তান্তর করেন তা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা জোর করে তালা বন্ধ করে দিয়েছে ওই ঘর দুটিতে। সমগ্র ঘটনা আজ পর্ণশ্রী থানায় জানানো হলে পুলিশ গীতা বৈরাগীকে সব রকমের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি অঞ্জন দাস এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আজ তিনি বাইরে আছেন আগামীকাল সকালে জমির উপযুক্ত নথিপত্র দেখে ওই ঘর দুটি খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।

উন্নয়নের ছিঁটে ফোটাও জোটেনি ।পানীয় জল , বিদ্যুৎ ও রাস্তার দাবিতে বিডিওর সরনাপন্ন রায়নার বনগ্রামের বাসিন্দারা

No comments

Monday, February 3, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ৩ ফেব্রুয়ারি 

শহর এলাকার পাশাপাশি রাজ্যের গ্রাম গঞ্জের  উন্নয়ন ঘটাতে সরকারী  ভাবে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও  অনুন্নয়নের অন্ধকারে ঢাকা পড়ে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের  রায়না ১ ব্লকের নতু পঞ্চায়েতের বনগ্রাম । বছরের পর বছর ধরে  বিদ্যুৎ ,পাকা রাস্তা ও পরিষুদ্ধ পানীয়  জলের পরিষেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত রয়েগেছেন  এই গ্রামের বাসিন্দারা ।এমন  পরিস্থিতি  আর মেনেনিতে না পেরে উন্নয়নের  দাবিতে  সোমবার রায়না ১ ব্লকের  বিডিও দফতরে স্মারকলিপি প্রদান করলেন বনগ্রামের বাসিন্দারা। প্রশাসন গ্রামের উন্নয়নের ব্যবস্থা না করলে বৃহত্তর আন্দোলে  নামারও  হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গ্রামবাসীরা ।     


গ্রামবাসী সেখ  পিন্টু ইসলাম বলেন,  বিগত ৩৪ বছর রাজ্যে  বাম সরকার  ক্ষমতায় থাকলেও বনগ্রামে কোন উন্নয়ন কাজ হয়নি।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  মুখ্যমন্ত্রী হবার পরথেকে রাজ্যের সর্বত্র  উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ চললেও বনগ্রাম এলাকা অনুন্নয়নের অন্ধকারেই ঢাকা পড়ে রয়েছে । চারপাশের গ্রামে নানা উন্নয়ন কাজ হলেও বনগ্রামে নেই  কোন পাকা রাস্তা,বিদ্যুৎ ও পরিষুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা । 
অনুন্নয়নের কারনে গ্রামের বাসিন্দাদের  দুর্বিসহ পরিস্থিতির মধ্যেই দিন কাটাতে হচ্ছে । পানীয় জলের সুব্যবস্থা না থাকায় সারা বছর  গ্রামবাসীদের জলকষ্টে ভুগতে হয় । এছাড়াও গ্রামে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কোন উন্নতি না হওয়ার সন্ধ্যা নামলেই গোটা গ্রাম অন্ধকারে ঢাকা পড়ে ।  তারফলে গ্রামের ছেলে মেয়েদের পড়াশুনার ক্ষতি হচ্ছে । এছাড়াও  এখনও  কাঁচা রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয় গ্রামের বাসিন্দাদের  । পিন্টু ইসলাম  বলেন, গ্রীষ্ম ও শীত কালে ওই সব কাঁচা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা গেলেও বর্ষাকালে হাঁটু সমান কাদা পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয় । খারাপ রাস্তার কারণে গ্রামে অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত ঢুকতে  পারেনা । তারফলে কোন প্রশুতি বা অসুস্থ রোগীকে হাসপাতাল নিয়েযাওয়াও  দুরহ হয়েওঠে । গ্রামবাসীরা বলেন ,রাজ্যের সর্বত্র গ্রাম গঞ্জের উন্নয়ন  ঘটে চললেও বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো    বনগ্রাম এলাকাই একমাত্র  অনুন্নয়নের অন্ধকারে ঢাকা পড়ে রয়েছে।নানা মহলে দরবার করেও কোন কাজ না হওয়ায় গ্রামের  উন্নয়নের দাবিতে এদিন বিডিওকে স্মারক লিপি জমা দিয়েছেন।  গ্রামবাসীরা বলেন , এর পরেও কোন কাজ না হলে তাঁরা  বৃহত্তর আন্দোলনে  নামবেন । 


বিডিও সৌমেন বণিক এদিন  বনগ্রাম এলাকার  বাসিন্দাদের দাবির বিষয়টি মেনে নিয়েছেন ।  তিনি বলেন বনগ্রামে  পাকা রাস্তা , বিদ্যুৎ ও জলের সমস্যা রয়েছে । আগামী সপ্তাহে আমরা ওই গ্রামে পরিদর্ষনে যাব । গ্রামের রাস্তার উন্নতির জন্য অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে । গ্রামে বিদ্যুৎতের ট্রান্সফরমার বসানোর জন্য বিদ্যুৎ দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে । গ্রামবাসীদের পানীয় জলের সমস্যাও দ্রুত মেটানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতদিন  বনগ্রাম এলাকার উন্নয়নে ব্লক প্রশাসন কেন উদ্যোগ নেয়নি ? এই প্রশ্নের উত্তরে বিডিও সৌমেন বণিক বলেন  বনগ্রামের বাসিন্দারা আগে আমাকে কিছুই জানান নি । এদিন গ্রামবাসীরা লিখিত ভাবে তাঁদের দাবির বিয়টি জানিয়েছেন । সেই দাবি  মতো বনগ্রামে রাস্তা , পানীয় জন ও বিদ্যুৎতের সমস্যা দ্রুত  মেটানোর জন্য পদক্ষেপ  । ”


বালির গাড়ি চেকিংয়ে বের হওয়া ভূমি দফতরের কর্মীদের মারধোর । গ্রেফতার ১০ অভিযুক্ত ।

No comments

Tuesday, January 28, 2020



প্রদীপ  চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ২৮  জানুয়ারি

বালির গাড়ি চেকিংয়ে বেরহওয়া ভূমি দফতরের আধিকারিকদের মারধোরের  ঘটনায় জড়িত ১০ জনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ । সোমবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম থানার পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে । পুলিশ জানিয়েছে ধৃতদের নাম আবসার মোল্লা,নুর হোসেন সেখ ,সবুর মল্লিক ,সেখ পাপ্পু , হাসিবুর মোল্লা ,সামাদ মোল্লা,আয়ূব সেখ , সেখ মনসুর, সেখ মামুদ মনোয়ার ও সেখ মণিরুল । ধৃতদের প্রত্যেকের বাড়ি আউশগ্রাম থানার গেঁরাই গ্রামে ।  মঙ্গলবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে ।  বিচারক ধৃতদের  সকলকে জেল সেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন । 




পুলিশ সূত্রে জানাগেছে , সোমবার সন্ধ্যায়  ভূমি দফতরের আধিকারিকরা সড়কপথে  বালির গাড়ি চেকিংয়ে  বেরহন । চেকিং করতে  করতে ভূমি দফতরের আধিকারিকরা সন্ধ্যার কিছুটা পর আউশগ্রাম ২ ব্লকের অমরপুর অঞ্চলের গেঁরাই বাস স্ট্যান্ডের কাছে পৌছান ।  তখনই অভিযুক্তরা ভূমি দফতরের কর্মীদের উপর হামলা চালায় । জেলা ভূমি আধিকারিক শশীকুমার  চৌধুরী  বলেন  , পুলিশকে সঙ্গে নিয়েই  ভূমি দফতরের আধিকারিক দল  গেঁরাই এলাকায়  যখন  যাচ্ছিলেন তখন একদল লোক ভূমি দফতরের গাড়ির পথ  আটকায় । তারা  ভূমি দফতরের আধিকারিকদের জোরজবস্তী গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধোর শুরু করে । দফতরের দুটি গাড়িতেও ভাঙচুর চালায় । বাধা দিতে গিয়ে পুলিশ হামলাকারীদের হাতে  আক্রান্ত হয় । পরে ছোড়া ফাঁড়ি থেকে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে আধিকারিকদের উদ্ধার করেন । এই ঘ টনা বিষয়ে রাতেই আউশগ্রাম  থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয় । পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে হামলার ঘটনায় জড়িত  ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে ।  জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন , ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১০ জনকে  ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে । বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে । তাদেরও  গ্রেফতার করা হবে । 

  


গভীর পুকুরের জলে লোহার রড বোঝাই লরি উল্টে পড়ায় মৃত্যু চালক ও খালাসীর

No comments

Wednesday, January 22, 2020




প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ২২ জানুয়ারি 

গভীর পুকুরের জলে লোহার রড বোঝাই লরি  উল্টে পড়ায় মৃত্যু হল চালক ও খালাসীর ।  বুধবার ভোরে  এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে  পূর্ব বর্ধমানের  মন্তেশ্বর থানার মামুদপুর  এলাকায় । খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষজন ঘটনাস্থলে পৌছে  উদ্ধার কাজে হাতলাগায়।  পাম্প চালিয়ে পুকুরের  জলের গভীরতা  কমানোর পর ক্রেনের সাহায্যে পাড়ে তোলা হয় লরিটি। এরপর পুলিশ ও স্থানীয় মানুষজন মিলে পুকুরের পাঁক সরিয়ে বেলায়  চালক ও খালাসীর মৃতদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হন ।
দুর্ঘটনার এমন ভয়াবহতা ঘিরে এদিন মামুদপুর  এলাকায়  ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে । 


পুলিশ জানিয়েছে ,মৃতরা হলেন চালক সিকান্দার আনসারি (২৮)এবং খালাসী মুকাদ্দার আনসারি (১৯)।মৃতরা  সম্পর্কে দুই ভাই । তাঁরা ঝাড়খন্ড রাজ্যের  বাসিন্দা । কাজের তাগিদে  তাঁরা দুর্গাপুরে থাকতো । এদিনই  মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য  পাঠানো  হয়  কালনা মহকুমা হাসপাতাল পুলিশ মর্গে । মন্তেশ্বর থানার পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে । প্রাথমিক অনুমানে পুলিশ  কর্তারা মনে করছেন ,ভোররাতে  বর্ধমান- নবদ্বীপ  রোড ধরে যাবার সময়ে চালক ঘুমিয়ে যাওয়ার কারণেই ঘটেগেছে এই দুর্ঘটনা ।  


দুর্ঘটনার খবর পেয়েই এদিন দুপুরে মন্তেশ্বর থানায় পৌছান  মৃতদের আত্মীয় পিয়ারউদ্দিন আনসারি ও আসরাফ আনসারি । তারা জানান , মঙ্গলবার দুর্গাপুর থেকে লরিতে  লোহার রড়  লোড হয় । সেই রড  নবদ্বীপে আনলোড হবার কথা ছিল । সেই মতো মঙ্গলবার বেলাতেই  সিকান্দার  আনসারি দুর্গাপুর থেকে লরি চালিয়ে রওনা হয় । খালাসী ছিল তার  ভাই মুকাদ্দার । পথে মন্তেশ্বরের মামুদপুরে   ঘটেযাওয়া  ভয়াবহ  পথ দুর্ঘটনায় দু’জনেরই মৃত্যু হয়েছে । স্থানীয় বাসিন্দা ফরিয়াদ মল্লিক ,আব্বাস উদ্দিন মল্লিক  প্রমুখরা বলেন,এদিন ভোর ৪ টে নাগাদ  বিকট একটা শব্দ হয় । এরপরেই তাঁরা এবং এলাকার লোকজন ঘরথেকে বেরিয়ে কিছুটা এগিয়ে যেতেই দেখেন রড বোঝাই লরিটি পুকুরের জলে পড়ে রয়েছে । চালক ও খালাসীকে তাঁরা দেখতে না পেয়ে থানায় খবর দেন ।পরে পুলিশ ও স্থানীয়  মানুষজন নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে লরিটি  পাড়ে তোলার পর পুকুরের পাঁক সরিয়ে চালক ও খালাসীর মৃতদেহ উদ্ধার । 


আন্তরাজ্য একটি গ্যাংএর দুই পান্ডাকে গ্রেপ্তার করল বর্ধমান জেলা পুলিশ

No comments

Tuesday, January 21, 2020




পূর্ব বর্ধমান:- বর্ধমান শহর জুড়ে একের পর এক সোনার গহনা চুরি এবং কেপমারীর ঘটনায় আন্তরাজ্য  একটি গ্যাংএর দুই পান্ডাকে গ্রেপ্তার করল বর্ধমান জেলা পুলিশ। মংগলবার বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, গত ডিসেম্বর থেকে পরপর বেশ কয়েকটি সোনার গহনা কেপমারীর ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরাধীরা ভুয়ো পুলিশের পরিচয় দিয়ে এই কাজ করে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্তে নেমে বর্ধমান জেলা পুলিশ মধ্য প্রদেশের বুরহানপুর থেকে দুই যুবককে গ্রেপ্তার  করে।




 ধৃতদের নাম মহসিন খান ওরফে বাকড় এবং রজনীকান্ত জয়সওয়াল। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, অপরাধীরা একটি গাড়িতে মধ্যপ্রদেশ থেকে এখানে আসত। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে তারা পশ্চিম বর্ধমানের রাণীগঞ্জ এলাকায় কোনো হোটেল ভাড়া নিয়ে থাকত এবং সেখান থেকে মোটর বাইক নিয়ে তারা অপরাধ সংঘটিত করে আবার ফিরে যেত। তিনি জানিয়েছেন, পরপর এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে।


 বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ধৃতদের ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটিও। মোটর বাইকের সন্ধান সহ চুরি যাওয়া মাল উদ্ধার এবং এই ঘটনায় আর কারা জড়িত তা জানতে ধৃতদের পুলিশী হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে বর্ধমান আদালতে।এদিনই ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।



মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ভাতারে

No comments

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের মাহাচান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুরুম্বা গ্রামে আজ সকালে প্রাইমারি বিদ্যালয় এর কাছে একটি 65 বছরের বৃদ্ধার মৃতদেহ দেখতে পাই গ্রামবাসী।
এরপর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।

স্থানীয় মানুষজন ভাতা থানায় খবর দিলে ভাতার থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ওই মহিলা পরিচয় জানা যায়নি। কিভাবে ,কোথা থেকে ওই মহিলা ওই গ্রামে গিয়ে মরণ সে বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

গ্রামবাসী জানিয়েছেন ওই মহিলা বেশ কয়েকদিন ধরে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। দেখে মনে হচ্ছিল মানসিক ভারসাম্যহীন। কোথায় বাড়ি তা জানা যায়নি।


মেঝিয়ারী সতীশ চন্দ্র স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হল ফুটবল প্রতিযোগিতা

No comments

Monday, January 20, 2020



রাহুল রায়,কাটোয়াঃ কাটোয়া ২নং ব্লক তৃনমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে ঁতুহিন সামন্ত স্মৃতি বিজয়ী ট্রফি এবং ঁঅন্নপূর্ণা গড়াই স্মৃতি বিজিত ট্রফি ফুটবল প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে খেলা অনুষ্ঠিত হল মেঝিয়ারী সতীশ চন্দ্র স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আজ। ফুটবল খেলা উপলক্ষে ঢাকের বাজনা সহযোগে মাঠ পরিক্রমা করা হয়। চুরান্ত পর্বের খেলায় মুখোমুখি হয় ন'নগর অম্বুজা স্পটিং ক্লাব ও দাঁইহাট ফুটবল একাডেমি। এই খেলায় ন'নগর অম্বুজা স্পটিং ক্লাব ৩-০ গোলে দাঁইহাট ফুটবল একাডেমিকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হল। ন'নগর স্পটিং ক্লাব ঁতুহিন সামন্ত স্মৃতি বিজয়ী ট্রফি ও ১০হাজার টাকা জয়লাভ করে। দাঁইহাট ফুটবল একাডেমি ঁঅন্নপূর্ণা গড়াই স্মৃতি বিজিত ট্রফি ও ৭হাজার টাকা প্রাইজ মানি পাই। উদ্বোধক রূপে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা,মন্তেশ্বরের বিধায়ক সৈকত পাঁজা,কাটোয়া ২নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিষাদ সামন্ত,কাটোয়া ২নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত মজুমদার,দাঁইহাট পৌরসভার পৌরপ্রধান শিশির মন্ডল,জেলা পরিষদের সদস্য তুষার সামন্ত,কাটোয়া মহকুমা ক্রিড়া সংস্থার সম্পাদক রঞ্জিৎ চ্যাটার্জী,করুই গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রধান মমতা মালিক,বিশিষ্ট সমাজসেবী পিন্টু মন্ডল,কাটোয়া ২নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অচিন্ত্য মন্ডল। এই খেলা দেখার জন্য উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া ২নংব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ববৃন্দ ও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ববৃন্দ।ফুটবল খেলাকে ঘিরে উন্মাদনা চোখে পড়ার মত। অসংখ্য ক্রীড়ামোদী দর্শক মাঠে উপস্থিত হয়ে খেলার আনন্দ উপভোগ করেন।

জামালপুরে ২০০০ দুঃস্থকে দেওয়া হল শীতের কম্বল

No comments

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ২০ জানুয়ারি  : বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে একইদিনে দুই সহস্রাধিক  দুঃস্থের হাতে তুলে দেওয়া হল  শীতের কম্বল । সোমবার বিকালে এই অনুষ্ঠানটি হয় পূর্ব বর্ধমানের  জামালপুরে । 

অনুষ্ঠানের আয়োজক জামলপুর জনকল্যাণ সোসাইটি। জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান , কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক, বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার , ওসি  পুষ্পেন্দু জানা সহ ব্লকের অন্যান বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ এদিন কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ।

 মেহেমুদ খান জানিয়েছেন , এদিন জামালপুর  বিধানসভার ১৪ পঞ্চায়েত এলাকার ২০০০ জন দুঃস্থকে  শীতের কম্বল দেওয়া হয়েছে । সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই জামালপুর জনকল্যাণ সোসাইটি এমন নানা  অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে । মেহেমুদ খান আরো  বলেন,বাই -খাতার অভাবে অনেক দুঃস্থ পরিবারের পড়ুয়া পড়াশুনা বন্ধ করেদেয় । এটা সমাজের পক্ষে ভালো নয় । ওইসব  পড়ুয়াদের স্কুল ছুট হওয়া আটকাতে  সোসাইটির তরফে  পুস্তক ও খাতা  প্রদান করার চিন্তা ভাবনাও নেওয়া হয়েছে । চেষ্টা করা হচ্ছে যত তাড়াতাড়ি পারাযায় ওইসব দুঃস্থ পরিবারের পড়ুয়াদের চিহ্নিত করে তাঁদের হাতে বাই খাতা তুলে দেবার । 


পূর্ব বর্ধমান জেলাপুলিশের বড়সড় সাফল্য, ধরা পরলো বাইক চুরির বড় চক্র

No comments

Saturday, January 18, 2020



কৃষ্ণ কুমার সাহা

পূর্ব বর্ধমান জেলাপুলিশের বড়সড় সাফল্য, ধরা পরলো বাইক চুরির বড় চক্র। এই চুরির ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং উদ্ধার হয়েছে ২৮টি মোটরবাইক। জেলাপুলিশ সুপার ভাষ্কর মুখার্জী সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, মাধবডিহি থানা পুলিশ একটি বাইক চুরির ঘটনায় তদন্ত করতে নেমে জানতে একটা বড় চক্র বাইক চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে। 


প্রথমে এই ঘটনায় যুক্ত শেখ গিয়াসুদ্দিন ওরফে ফটিক কে গ্রেপ্তার করে মাধবডিহি থানার পুলিশ। তার কাছ থেকে সূত্র ধরে আরো পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে ২৮টি বাইক। এই বাইক গুলি বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তার ইঞ্জিন ও চেচিস নম্বর গুলি বিভিন্ন থানায় পাঠানো হয়েছে এর মালিকের খোঁজের উদ্দেশ্যে। 


তিনি আরো বলেন, এতো গুলি বাইক সহ ছয় জনকে গ্রেপ্তারের ঘটনা জেলা পুলিশের  বড়সড় সাফল্য বলে মনে করছেন। ধৃতদের জিঞ্জসাবাদ করে জানার চেষ্টা চলছে যে, এই চুরির ঘটনায় আরো কেউ জরিত আছে কি না বা এরা আন্তরাজ্যে বাইক চুরির গ্যাঙ গুলির সাথে জরিত আছে কি না।


মকর সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে কামালপুরে দামোদরের চরে আয়োজিত হয় মোরগ লড়াই

No comments

কৃষ্ণ কুমার সাহা

প্রতি বছরই নিয়ম করে বসে মোরগ লড়ায়ের আসর। বিজয়ীদের জন্য থাকে নানান রকমের পুরস্কারের ব্যবস্থা। চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে চলে আসছে এই মোরগ লড়ায়ের আসর। মোরগ লড়াই দেখতে ভিড় জমান স্থানীয় বহু উৎসাহী।

মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে বর্ধমানে পালিত হচ্ছে ঘুড়ির মেলা, যা এই শহরের একটি ঐতিহ্য । বিগত কয়েক দশক ধরে প্রতি বছরের মতো এবছরেও ১লা মাঘ বর্ধমান শহর সংলগ্ন দামোদরের তীরে সদর ঘাটে বসেছে ঘুড়ির মেলা ।

কত বছর আগে এই মেলার প্রচলন হয় তা সঠিক ভাবে বলা সম্ভব নয় ।

মাঝখান্ডা যুব কমিটির উদ্যোগে এই ঘুড়ির মেলা তথা মাঘী উত্‍সব চলে । দামোদরের তীরে এক দিকে থাকে ঘুড়ি ওড়ানোর ব্যবস্থা, অন্যদিকে মাঠে জমে মেলার জমজমাট আসর । এই মেলা একদিকে যেমন ঘুড়ি ওড়ানোর রীতি টিকিয়ে রেখেছে, তেমনি এই মেলায় থাকে গ্রাম বাংলার খেটেখাওয়া মানুষের নিত্য ব্যবহারের কাস্তে-কুড়ুল, কুটীরশিল্পের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি । সঙ্গে থাকে খাব্র ও খেলানার দোকান । হাজাএ জাহার মানুষের ভিড়ে তিল ধারণের জায়গা থাকে না । তাই ব্যবস্থা করা হয় পুলিশ পাহারার ।

নদীর বালু চরে পোলেমপুর মাঘ উত্‍সব কমিটির আয়োজিত ঘুড়ির মেলা ও মোরগ লড়াই । মুলত: এই মেলার বিশেষ আকর্ষণ ঘুড়ি ওড়ানো ও মোরগ লড়াই প্রতিযোগিতা । এই মোরগ লড়াইয়ে কোনো এন্ট্রি ফি লাগেনা, কার্যতঃএই প্রতিযোগিতায় মোরগ লড়াইয়ের সময় যে মোরগ আত্মসমর্থন করে বা পরাজিত হয় ওই মোরগটি জয়ীর হাতে তুলে দেন ।

বর্ধমানের কালনায় দেবদাস স্মৃতি মেলায় ক্রেতা আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দুতে ২০০০ ও ১০০০ টাকা পিসের মস্ত রসগোল্লা

No comments


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ১৭ জানুয়ারি

তিন প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ , মিহিদানা ও ল্যাংচা নিয়ে পূর্ব বর্ধমান  জেলাবাসীর গর্বের অন্ত নেই। ইদানিং আবার  রসগোল্লা নিয়েও  চমক দেখাচ্ছেন এই জেলার মিষ্টান্ন কারিগরেরা । যানিয়ে রীতিমতো  হইচই  পড়েগেছে  কালনার হাতিপোতায় চলা  দেবদাস স্মৃতি মেলায় । 


‘রসগোল্লা বাংলার’এই স্বীকৃতি  মেলার  পর থকে রসগোল্লার কদর বাংলায়  বহুগুন  বেড়েগেছে।দেবদাস স্মৃতি মেলায় এখন সব আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে সেই রসগোল্লা । এই রসগোল্লা অবশ্য  যেসে রসগোল্লা নয় । মস্ত সাইজের সেই রসগোল্লার  কোনটির ১ পিসের  দাম ২০০০ টাকা আবার কোনটির  ১০০০ টাকা ।  যার কোনটির  ওজন  ৬ কেজি আবার কোনটির  ওজন  ৪ কেজি । মেলার স্টলে পৌছে এমন  দর্শনধারি  রসগোল্লা স্বচোক্ষে দেখার  ভিড় যেমন বেড়েছে । তেমনি  মেলা  প্রাঙ্গনে একসঙ্গে বসে মস্ত রসগোল্লার  স্বাদ  নেবার সূযোগও কেউ হাতছাড়া করতে চাইছেন না । দেবদাস স্মৃতি মেলায় তাই দেদার বিক্রি হচ্ছে ২০০০ ও ১০০০টাকা পিসের পেল্লাই রসগোল্লা । স্টলে ক্রেতা ভিড় উপচে পড়ায় মুখের হাসিও চওড়া হয়েছে  মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের  ।


মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী হবিরুল মন্ডল ও লালন সেখ প্রমুখরা বলেন , ‘রসগোল্লা বাংলার’ এই স্বীকৃতি মেলার পরথেকেই সারা বাংলায় রসগোল্লা নিয়ে আলাদা উন্মাদন তৈরি হয়েছে । সেই বিষটি মাধায় রেখে তাঁরা রসগোল্লা নিয়ে বিশেষ অভিনব কিছু করার জন্য  মাথা ঘামানো শুরু করেন । ঠিক করেন ছোট সাইজের পরিবর্তে তাঁরা প্রকাণ্ড সাইজের একএকটি রসগোল্লা তৈরি করে চমক দেবেন । হাবিরুল বলেন প্রথমে তাঁদের মনেহয়েছিল  রসগোল্লার  সাইজ দেখে  ও দাম শুনে হয়তো ক্রেতারা মুখ ঘুরিয়ে নেবেন । কিন্তু শুক্রবার মেলার স্টলে  রসগোল্লা তৈরি হয়েযেতেই তা মেলায় আগত দর্শক ও ক্রেতা মহলের কাছে  সুপারহিট মিষ্টি বনে যায় । হাবিরুল বলেন, এখন তাঁদের  দু জনের  মিষ্টির স্টলেই   ক্রেতা ভিড় উপচে পড়চে ।



কিভাবে তৈরি করলেন প্রকাণ্ড সাইজের অথছ    সুস্বাদু এমন রসগোল্লা ? এর উত্তরে  কারিগর হবিরুল মন্ডল বলেন,‘ আড়াই কিলো ছানার সঙ্গে চিনি মিসিয়ে রসগোল্লা তৈরি করেছেন । যারা নলেন গুড়ের রসগোল্লা খেতে চাইছেন তাদের জন্য একই পরিমান ছানার সঙ্গে নলেন গুড় মিশিয়ে রসগোল্লা   তৈরি করে দিচ্ছেন । এই কারিগররা জানালেন আড়াই কেজি  ওজনের ছানার প্রতি রসগোল্লার দাম ২০০০ টাকা  । আর ১ কেজি৩০০ গ্রাম ওজনের   ছানা দিয়ে তৈরী  রসগোলার দাম রেখেছেন ১০০০ টাকা । এছাড়াও ৫০০ ও ১০০ টাকা পিস দামের রসগোল্লাও তৈরি করেছেন বলে দুই  বিক্রেতা  জানিয়েছেন । হাবিরুল ও  লালন দুজনেই দাবি করেন এদিন তাঁদের তৈরি  মস্ত রসগোল্লা ভালই বিক্রি হয়েছে ।  মেলার বাকি কটাদিনও একই রকম বিক্রিবাটা হবে বলে তাঁরা মনে করছেন । 


মেলার আয়োজকদের তরফে রেজাউল মোল্লা বলেন ,“গ্রামের মেলায় এমন রসগোল্লার বিক্রিবাটা এতকাল কোথাও তাদের নজরে আসেনি । রসগোল্লার আকার বিশাল হলেও খেতে যথেষ্টই   সুস্বাদু হয়েছে । এককথায় বলাচলে দেবদাস উপন্যাসের  মতোই সুপারহিট হয়েগেছে  দু-হাজার ও এক হাজার টাকা পিসের রসগোল্লা । মেলায় আগত সকল মানুষজন এখন তাই রসগোল্লায় মজেগেছেন । ”


কথাশিল্পির দেবদাস উপন্যাস কে আঁকড়ে ধরে বর্ধমানের হাতিপোতা গ্রামে শুরু হল দেবদাস স্মৃতি মেলা ।

No comments

Thursday, January 16, 2020



প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ১৬ জানুয়ারি

বাংলা সাহিত্যে চির অমর হয়েরয়েছে কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা  ‘দেবদাস’ উপন্যাস“ । কথিত আছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার নান্দাই পঞ্চায়েতের হাতিপোতা গ্রাম থেকেই এই উপন্যাস লেখার রসদ খুঁজে পেয়েছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়  । সেই বিশ্বাসে  ভরকরেই  “দেবদাস” কে চিরস্মরণীয়  করে রাখতে হাতিপোতা গ্রামের মানুষজন প্রতিবছরই ‘দেবদাস স্মৃতি মেলার ’ আয়োজন করে আসছেন ।  বৃহস্পতিবার ২০ তম বর্ষের  দেবদাস স্মৃতি মেলা ও উৎসবের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের  মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ,অভিনেত্রী সুদীপ্তা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখরা ।  উৎসব  আগামী সোমবার  পর্যন্ত চলবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন । 
                        

আয়োজকদের তরফে রেজাউল  মোল্লা এদিন জানালেন , কথাসাহিত্যিকের ‘দেবদাস’ উপন্যাসে অন্তিম অনুরোধে ছিল-“তাহার জন্য একটু প্রার্থনা করিও ”সেই প্রার্থনাতে সাড়া দিয়েই  জাঁকজমক  পূর্ণভাবে প্রতিবছর  উৎসবের আয়োজন করা হয় ।  হাতিপোতা  গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা এদিন জানান , হাতিপোতা গ্রামের প্রাক্তন জমিদার  ছিলেন  ভুবনমোহন চৌধুরীর।  তাঁর  দ্বিতীয় স্ত্রী তালসোনাপুরের ‘পার্বতী-ই’ দেবদাস উপন্যাসের নায়িকা। প্রবীনরা আরো   বলেন উপন্যাসের একাংশে উল্লেখ রয়েছে  , “পার্বতীর পিতা কাল বাটি ফিরিয়াছেন।এই কয় দিন তিনি পাত্র স্থির করিতে বাহিরে গিয়াছিলেন।প্রায় কুড়ি-পঁচিশ ক্রোশ দূরে বর্ধমান জেলার হাতিপোতা গ্রামের জমিদারই সেই পাত্র”।উপন্যাসের কাহিনীর এই অংশে  প্রকাশ পেয়েছে  বাস্তবের হাতিপোতা গ্রামের  নাম ।  এমনটাই  দাবি করছেন  এলাকার প্রবীন বাসিন্দারা  । হাতিপোতা গ্রামের  বাসিন্দারা আজও মনেকরেন  ১৮৯৫-১৯০০ সালের মধ্যে শরৎচন্দ্র নিজেই নদীপথে এসেছিলেন তাঁদের  গ্রামে।


উৎসব কমিটির অন্যতম সদস্য আবজেদ সেখ  বলেন,কথাশিল্পির দেবদাস উপন্যাসের দৌলতেই ধন্য হয়েছে হাতিপোতা গ্রাম । একই সঙ্গে বেড়েছে  হাতিপোতা গ্রামের  গুরুত্ব।  তাই এই উপন্যাসকে পাথেয় করেই প্রতিবছর হাতিপোতা গ্রামে দেবদাস স্মৃতি মেলার আয়োজন করা হয়ে আসছে ।





পূর্ব বর্ধমানে দামোদরে তেলকুপি গয়া ঘাটে পূণ্য স্নান ও তর্পন সারলেন লাখো আদিবাসী পূণ্যর্থী

No comments


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ১৬ জানুয়ারি

এক ঝলক দেখলে মনে হবে এযেন এক অন্য গঙ্গা সাগর। বৃহস্পতিবার লাখো আদিবাসী পূণ্যার্থী  পূণ্য স্নান সেরে পিতৃপুরূষের উদ্দেশ্যে তর্পন সারলেন দামোদরে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের  তেলকুপি  গয়া ঘাটে । তর্পন সেরে তারা পুজোও  দিলেন তেলকুপি ঘাটের মারাংবুরু মন্দিরে। পৌষ সংক্রান্তিতে গঙ্গা সাগর যেমন ভরে গিয়েছিল হিন্দু পূণ্যার্থী সমাগমে ঠিক তেমনই এই দিন দামোদরের তেলকুপি ঘাটের বালির চড় ঢাকা পড়লো আদিবাসী পূণ্যার্থীদের  ভিড়ে ।


প্রতিবছর ১ মাঘ  জামালপুরের তেলকুপি গয়া ঘাটে পূণ্য স্নান ও অস্থি বিসর্জন সমারোহে সামিল হন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা  আদিবাসী পূণ্যর্থীরা। শুধু এই রাজ্যের আদিবাসীরাই নয় ,ঝাড়খণ্ড , বিহার ও ওড়িষ্যা রাজ্যের  হাজার হাজার পূণ্যার্থীও এদিন  পূণ্য স্নান সারলেন তেলকুপি গয়া ঘাটে ।


পূণ্য স্নান পর্ব নির্বিঘ্নে সমাপ্ত করতে গঙ্গাসাগরের মতো  এখানেও এদিন মোতায়েন রাখা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী । জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় , জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা , সহ সভাধিপতি দেবু টুডু জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান, বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার  প্রমুখরা এদিন তেলকুপি ঘাটে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগদেন । তেলকুপি ঘাটের  নিরাপত্তা  ব্যবস্থা সামাল দিতে এদিন হিমশিম খেতে হয় পুলিশ কর্মীদের । দামোদরে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল ।  দামোদরের চরেই এদিন বসানো হয়েছিল মেডিকেল ক্যাম্প । জেলা পুলিশ সুপার আদিবাসী সমাজের ৫০ জন্য বিশিষ্ঠ জনের হাতে  তাঁদের ধর্মীয় পোষাক পাঞ্চি তুলেদেন । 


তর্পন উৎসব আয়োজকদের  তফরে  রবীন মাণ্ডি বলেন ,“বর্ণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজনের কাছে  গঙ্গাই সবথেকে পবিত্র জলাশয় ।কিন্তু  সেই সুপ্রাচীন কালথেকেই দামোদর নদকেই সবথেকে  পবিত্র জলাশয় হিসাবে মান্যতা দিয়ে আসছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন।  দামোদরের তেলকুপি গয়া ঘাট এই দেশের আদিবাসী  সম্প্রদায়ের  মানুষজনের কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ পূণ্য তীর্থভূমি হিসাবে পরিচিত ।বর্ণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন মহালয়ার দিন গঙ্গায়  পিতৃপুরুষের উদ্দ্যেশ্যে তর্পন সারেন । আর আদিবাসীরা প্রতিবছর  ১ মাঘ দামোদরের তেলকুপি গায়া ঘাটে পূণ্য স্নান সেরে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পন সারেন। তর্পন সেরে আদিবাসীরা তাদের আরাধ্য দেবতা “ শিব তথা  মারাং বুরুর” মন্দিরে   পুজো দেন । ”  আদিবাসী সমাজের বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ , কবি , সাহিত্যিক ও শিল্পীরা এদিন পূণ্য তীর্থ তেলকুপি ঘাটে সমবেত হয়েছিলেন। ধর্মীয় উপাচার সেরে আদিবাসী পুরুষ ও মহিলারা এদিন দামোদরে বালির চরে  নাচ গানে মাতোয়ারা হন । বালির চরেই চললো  রান্না করে স্বপরিবার খাওয়া দাওয়া । আদিবাসী তর্পন উৎসব উপলক্ষে  দামোদরের বালির   চরে  এদিন জমজমাট মেলাও বসেছিল।  রীতি মেনে সূর্যাস্তের প্রাক্কালেই  দামোদর ছেড়ে যে যার নিজের  বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে রওনা হন পূণ্যার্থীরা  ।


JNU তে ছাত্রদের উপর হামলার ও সোচ্চার মহানগর বিক্ষোভ এসইউসিআইয়ের ছাত্র সংগঠন

No comments

Tuesday, January 7, 2020


দিল্লিতে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের উপর হামলার ঘটনায় সোচ্চার মহানগরী কলকাতা। এসইউসিআইয়ের ছাত্র সংগঠন এ আই ডি এস ও -র পক্ষ থেকে এদিন বিক্ষোভ সংগঠিত হয় কলকাতার রাজপথে।প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে জমায়েত হয় সেখানে বিক্ষোভ দেখান ডিএসও-র সদস্যরা।

protests-against-students-JNU-student-organizations-sfi
সেখান থেকে মিছিল করে কলেজস্ট্রিট মোড়ে বেশ কিছুক্ষণ পথ অবরোধও করে তারা।এ দিনের কর্মসূচি থেকে দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন আন্দোলনকারীরা। বিজেপি এবং আরএসএস এর মদতে গেরুয়া শিবির দিল্লির ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া দের উপর আক্রমণ শানিয়ে চলেছে বলে অভিযোগ তোলেন তারা।

এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতা করে এবং এনআরসির বিরুদ্ধে আগামী জানুয়ারি দেশব্যাপী ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে এ আই ডি এস ও।
loading...
Don't Miss
© all rights reserved
By SDK IT SOLUTION